গতকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল একটি ফটোকার্ড। এমএলএস কাপে অনূর্ধ্ব–১৩ এর ম্যাচে আটলান্টা ইউনাইটেডের বিপক্ষে ১১ গোল করেছেন লিওনেল মেসির ছেলে থিয়াগো মেসি। সেই ম্যাচে আটলান্টার বিপক্ষে মায়ামি জিতেছে ১২–০ গোলে।
ভাইরাল এই ফটোকার্ডের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদন প্রকাশ করে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম স্পোর্তসহ বেশ কয়েকটি ইউরোপিয়ান সংবাদমাধ্যম। পরবর্তী সময়ে ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘ও গ্লোবো’ নিশ্চিত করেছে, এই ফটোকার্ড এবং ম্যাচ সংক্রান্ত খবরটি ভুয়া।
এমন কোনো ম্যাচ হয়নি এবং মেসির ছেলেও ১১ গোল করে দলকে জেতাননি। বিইন স্পোর্টস ও ইয়াহু স্পোর্টস এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করলেও আজ তাদের খবরের লিংকে ক্লিক করে খবরটি পাওয়া যায়নি।
ও গ্লোবো লিখেছে, ‘সম্প্রতি ম্যাচের স্কোরবোর্ডের একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো ম্যাচটি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর সেটা সবার আকর্ষণের কেন্দ্রে চলে আসে। কিন্তু আটলান্টা এবং ইন্টার মায়ামি অনূর্ধ্ব–১৩ দলের মধ্যে এমন কোনো ম্যাচ মাঠে গড়ায়নি এবং এটা শুধুই ইন্টারেন্টে মজা করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।’
লিওনেল মেসির ছেলে থিয়াগো মেসি.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
চেন্নাইয়ের বিদায়, অবসরের ইঙ্গিত দিলেন ধোনি!
আইপিএল ২০২৫-এর প্লে-অফে জায়গা হলো না চেন্নাই সুপার কিংসের। ঘরের মাঠ এম চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে পাঞ্জাব কিংসের কাছে ৪ উইকেটে হেরে এবারের আসর থেকে ছিটকে গেছে মহেন্দ্র সিং ধোনির দল। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর শুধু চেন্নাইয়ের বিদায়ই নয়, আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন ‘ক্যাপ্টেন কুল’ ধোনি। শুরু হয়েছে জোর গুঞ্জন—এটাই কি তার শেষ আইপিএল?
ম্যাচ শুরুর আগেই টসের সময় ধোনিকে ঘিরে তৈরি হয় রহস্য। ধারাভাষ্যকার ড্যানি মরিসনের সরাসরি প্রশ্ন ছিল, ধোনি কি আগামী মৌসুমেও আইপিএলে দেখা যাবে? জবাবে হেসে ধোনি বলেন, ‘আমি তো জানি না পরের ম্যাচেই খেলব কি না।’ এই মন্তব্যেই ধোনির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে জল্পনা-কল্পনা। যদিও ম্যাচ শেষে নিজের ক্রিকেট ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি ধোনি। তাকেও সে ব্যাপারে আর প্রশ্ন করেননি সঞ্চালক।
ধোনির মন্তব্যে সাবেক অস্ট্রেলিয়ান উইকেটকিপার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট বলেন, ‘ধোনি একজন চিরস্মরণীয় কিংবদন্তি। তার আর কিছু প্রমাণের নেই। সম্ভবত এবার সরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। যদিও ভক্তদের জন্য তা কষ্টদায়ক হবে।’
চেন্নাই প্রথমে ব্যাট করে ১৯১ রান তোলে। স্যাম কারানের ৮৮ রানের ইনিংস ছাড়া ব্যাট হাতে কেউই তেমন জ্বলে উঠতে পারেননি। শেষ দিকে যুজবেন্দ্র চাহালের হ্যাটট্রিকে মাত্র ৪ বল বাকি থাকতে গুটিয়ে যায় ইনিংস। চাহাল ৪ উইকেট নেন, জানসেন ও আর্শদীপ নেন ২টি করে।
জবাবে পাঞ্জাবের হয়ে ঝড়ো সূচনা এনে দেন প্রিয়াংশ আর্য ও প্রভসিমরান সিং। প্রভসিমরান খেলেন ৩৬ বলে ৫৪ রানের দারুণ ইনিংস। এরপর শ্রেয়াস আইয়ারের ৭২ রানের অনবদ্য ইনিংস এবং শশাঙ্ক সিংয়ের শেষের ২৩ রানের ক্যামিওতে দুই বল বাকি থাকতেই জয় তুলে নেয় পাঞ্জাব। এই জয়ে তারা উঠে এসেছে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে।