তীব্র গরমের মধ্যে হিট স্ট্রোকে আক্রান্তদের চিকিৎসা দিতে ঢাকার মহাখালীতে ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে হিট স্ট্রোক সেন্টার চালু হয়েছে। ২৫ শয্যা নিয়ে চালু করা এই সেন্টারে তাপজনিত অসুস্থতায় আক্রান্তদের চিকিৎসা নিতে কোনো অর্থ খরচ করতে হবে না।

সোমবার মহাখালীতে হিট স্ট্রোক সেন্টার উদ্বোধন করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী। 

এ সময় তিনি বলেন, তাপপ্রবাহ চলাকালীন সময় তাপজনিত অসুস্থতায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি হলে প্রয়োজনে শয্যা সংখ্যা বাড়ানো যাবে। এই হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় আইসিইউর ব্যবস্থা আছে। জটিলতা দেখা দিলে রোগীদের সেখানে স্থানান্তর করা হবে।

ইমরুল কায়েস বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ডিএনসিসির এই সেবা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে ৯৯৯ এ যোগাযোগ করে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। ডিএনসিসির ৫টি অ্যাম্বুলেন্স আছে। নাগরিকরা তাদের প্রয়োজনে ফোন করে অ্যাম্বুলেন্স সেবাও নিতে পারবেন।

বৈশাখ মাসের শেষদিকে দেশজুড়ে মাঝারি মাত্রার তাপপ্রবাহ দেখা যাচ্ছে। চলতি মৌসুমে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়। গত শনিবার এ জেলায় তাপমাত্রার পারদ ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়। তবে রোববার সন্ধ্যার দিকে দেশের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টি হওয়ায় তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে। শনিবার ঢাকায় বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। রোববার রাজধানীতে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: ড এনস স

এছাড়াও পড়ুন:

নটর ডেম কলেজ ভবন থেকে পড়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

রাজধানীর নটর ডেম কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ধ্রুবব্রত দাস (১৮) মারা গেছেন। কলেজ ‘ভবনের বারান্দা থেকে পড়ে’ তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা শিক্ষার্থীদের। সোমবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ধ্রুব পরিবারের সঙ্গে গোপীবাগের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধা সদর মধ্যপাড়ায়। 

মৃত শিক্ষার্থীর বাবা বাণীব্রত দাস জানান, ধ্রুব এইচএসসি পরীক্ষার্থী। তার প্রবেশপত্র আনার জন্য ছেলের সঙ্গে কলেজে যান তিনি। ছেলেকে ভেতরে পাঠিয়ে দিয়ে তিনি আর ধ্রুবর মা কলেজগেটের বাইরে অপেক্ষা করেন। কিন্তু একটু পর কয়েকজন শিক্ষার্থী ছেলেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ধরাধরি করে নিয়ে আসে বাইরে। তাকে প্রথমে কাছের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 

মতিঝিল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাইমিনুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করে মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। 
 

সম্পর্কিত নিবন্ধ