হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে এক নারীকে গলা কেটে হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছেলেকে ২০ বছর পর সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। গতকাল রোববার রাতে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলং থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম ফজল মিয়া। তিনি হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আদিত্যপুর গ্রামের বাসিন্দা।

র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ২৯ অক্টোবর নিজের বাড়িতে মা আঙ্গুরা বেগমকে গলা কেটে হত্যা করেন ফজল মিয়া। এ সময় আঙ্গুরার দেহ ঘরে ও মাথা ঘরের বাইরে রেখে পালিয়ে যান তিনি। এ ঘটনায় আঙ্গুরার আরেক ছেলে আবদুর রশিদ নবীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় হবিগঞ্জ আদালত ফজলকে মৃত্যুদণ্ড দেন। তবে ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলেন ফজল। হত্যাকাণ্ডের ২০ বছর পর র‍্যাব অভিযান চালিয়ে গোয়াইনঘাটের পূর্ব জাফলং এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

র‍্যাব-৯–এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম বলেন, পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার জন্য গ্রেপ্তার ফজল মিয়াকে নবীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

.

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

বিশিষ্ট ৪ নারী পেলেন বেগম রোকেয়া পদক 

নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ চার বিশিষ্ট নারীর হাতে বেগম রোকেয়া পদক তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই পদক তুলে দেন তিনি।

পদকপ্রাপ্তরা হলেন—নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) রুভানা রাকিব, নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার) কল্পনা আক্তার, মানবাধিকার শ্রেণিতে নাবিলা ইদ্রিস ও নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া) ঋতুপর্ণা চাকমা।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ‘বেগম রোকেয়া দিবস -২০২৫’ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করছে।

নারী শিক্ষা ও অধিকার আন্দোলনের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৫তম জন্মবার্ষিকী ও ৯৩তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে দিবসটি পালন করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ।

অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যান্য উপদেষ্টা, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং পদকপ্রাপ্তদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার পাশাপাশি ‘আমি-ই রোকেয়া’ শিরোনামের একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এতে নারীর শিক্ষা বিস্তার ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বেগম রোকেয়ার অবদান তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে নারীর অনুপ্রেরণায় বেগম রোকেয়ার ভূমিকা ও দেশের নারী ক্ষমতায়নের অগ্রযাত্রার বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করা হয়। নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় শিক্ষার গুরুত্বও এতে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়।

ঢাকা/ইভা   

সম্পর্কিত নিবন্ধ