রাউজানে আবারও পুকুর সেচে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার
Published: 17th, November 2025 GMT
চট্টগ্রামের রাউজানে একটি বিদেশি পিস্তল, চারটি এলজি, একটি রাইফেল, ১১টি গুলিসহ এক ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এর মধ্যে বিদেশি পিস্তল, রাইফেল এবং ৮টি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে পুকুর সেচে। আজ শনিবার সকালে উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পলোয়ানপাড়া থেকে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম শাহ আলম। তিনি পলোয়ানপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি হত্যা, ডাকাতি, অপহরণসহ বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের করা একাধিক মামলার আসামি। পুলিশের দাবি, শাহ আলম স্থানীয় এক বিএনপি নেতার অনুসারী পরিচয়ে এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন।
পুলিশ জানায়, সকালে চারটি এলজি, তিনটি গুলি, একটি গুলির খোসাসহ নিজ ঘর থেকে শাহ আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যে দুপুরে বাড়ির পুকুর সেচে একটি বিদেশি রাইফেল, একটি বিদেশি পিস্তল ও আটটি গুলি উদ্ধার হয়েছে। গত বছরের ৫ আগস্টের পর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীনকে নোয়াপাড়া ইউপি কার্যালয় থেকে তুলে নিয়ে গুলি করা এবং মদুনাঘাটে বিএনপিকর্মী আবদুল হাকিমকে হত্যার অভিযোগে করা মামলার আসামি তিনি।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘শাহ আলম একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তাঁর বিরুদ্ধে ৭ থেকে ৮টি মামলা রয়েছে। এর বাইরেও দুটি হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি তিনি। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় পৃথক মামলা করে তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।’
এর আগে ৭ নভেম্বর একই ইউনিয়নের চৌধুরীহাট বাজারসংলগ্ন আইয়ুব আলী সওদাগরের বাড়ির পেছনের পুকুর সেচে পুকুর সেচে একটি চায়নিজ রাইফেল, একটি শটগান ও সাতটি গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, উদ্ধার হওয়া এসব অস্ত্র-গুলি গত বছরের ৫ আগস্ট থানা থেকে লুট হয়েছিল।
.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: উদ ধ র
এছাড়াও পড়ুন:
বায়ুদূষণ রোধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি
‘ঝরাপাতা প্রজ্বলন বন্ধ করুন’ স্লোগানকে সামনে রেখে পরিবেশ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে নির্মল বায়ু এবং বাসযোগ্য সবুজ ক্যাম্পাস বিনির্মাণের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আরবরিকালচার সেন্টার, ডাকসু, গ্রিন ফিউচার ফাউন্ডেশন এবং পরিবেশ সংসদ যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
আরবরিকালচার সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ এবং পরিবেশ সংসদের সাধারণ সম্পাদক শেখ রাশেদ কামাল অনিক। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট ম্যানেজারসহ বিভিন্ন হল, বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও মালী উপস্থিত ছিলেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, ‘‘পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টি একটি নির্দিষ্ট অনুষ্ঠান কিংবা দিবসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যায় না। এটি একটি অভ্যাস। পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়কে আমাদের প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। পরিবেশ ও প্রকৃতিকে ভালোবেসে এক্ষেত্রে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’’
পরিবেশ রক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, মল চত্বরের সবুজায়ন, শতবর্ষী গাছ চিহ্নিতকরণ, পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল সংরক্ষণসহ আমরা বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে চলেছি। গত বছরের মতো এবারো নববর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে আতশবাজি না করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। ঝরাপাতা প্রজ্বলন বন্ধের ক্ষেত্রেও সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
উপাচার্য আরো বলেন, পরিবেশ রক্ষা আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার অংশ। এক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। সেই সঙ্গে ভালো কাজের জন্য পুরস্কার ও মন্দ কাজের জন্য তিরস্কারের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান।
ঢাকা/সৌরভ/রাজীব