শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আজ সোমবার বিকেলে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরারের সভাপতিত্বে নন-এমপিও ঐক্য পরিষদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এমপিওভুক্তকরণ প্রক্রিয়া, এর নীতিমালা, বাস্তবায়ন কৌশল ও সরকারের চলমান পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য জোটের চেয়ারম্যান ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো.

সেলিম ভূইয়া, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মজিবুর রহমান, গণসংহতি আন্দোলনের আহ্বায়ক জোনায়েদ সাকি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের সহসম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মাসুদ, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির শিক্ষা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ওমর ফারুক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফয়সালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুনঅস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস ফেলোশিপ, ৬ খাতে বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণের সুযোগ১১ ঘণ্টা আগে

শিক্ষা উপদেষ্টা বৈঠকে উপস্থিত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে এমপিও নীতিমালার বর্তমান অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার মানোন্নয়ন ও টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি গড়ে তুলতে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক লক্ষাধিক শিক্ষাকর্মীর সমস্যার সমাধানে সরকার আন্তরিক। একটি কার্যকর, স্বচ্ছ ও বাস্তবসম্মত এমপিও প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।’

বৈঠকে উপস্থিত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি বিবেচনায় সরকার যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তাকে স্বাগত জানান। তাঁরা বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের টেকসই উন্নয়ন এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের ন্যায়সংগত অধিকার নিশ্চিত করতে তাঁরা সরকারের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করবেন।

আরও পড়ুনজার্মানিতে সামার স্টুডেন্ট প্রোগ্রাম, আইইএলটিএস ছাড়াই আবেদন০৮ নভেম্বর ২০২৫

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: র জন ত ক উপস থ ত ক দল র ন নয়ন সরক র

এছাড়াও পড়ুন:

জিমেইলের জায়গা খালি করার ৫ কৌশল

জিমেইলের স্টোরেজ দ্রুত পূর্ণ হয়ে গেলে গুরুত্বপূর্ণ ই–মেইল প্রাপকের কাছে না পৌঁছে ফিরে আসে বা জিমেইলের বেশ কিছু সুবিধা ঠিকমতো ব্যবহার করা যায় না। ফলে দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজে বিঘ্ন ঘটে। জিমেইলে নির্ধারিত স্টোরেজের চেয়ে বেশি জায়গা ব্যবহারের জন্য ব্যবহারকারীদের কাছে থেকে অর্থ নিয়ে থাকে গুগল। তবে অর্থ খরচ না করে সহজেই এ সমস্যার সমাধান করা যায়। জিমেইলের স্টোরেজ খালি করার পদ্ধতিগুলো জেনে নেওয়া যাক।

১. ট্র্যাশ ও স্প্যাম খালি করা

মুছে ফেলা ই–মেইলগুলো সঙ্গে সঙ্গে মুছে যায় না। ট্র্যাশ ফোল্ডারে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকে এবং এই সময়েও জিমেইলের জায়গা পূর্ণ থাকে। স্প্যাম ফোল্ডারের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। আর তাই নিয়মিত ট্র্যাশ ও স্প্যাম ফোল্ডারে থাকা ই–মেইলগুলো মুছে ফেলতে হবে।

২. বড় অ্যাটাচমেন্টযুক্ত ই–মেইল মুছে ফেলা

ই–মেইলের অ্যাটাচমেন্ট সাধারণত সবচেয়ে বেশি জায়গা দখল করে। আর তাই অপ্রয়োজনীয় অ্যাটাচমেন্টযুক্ত ই–মেইলগুলো মুছে ফেলতে হবে। জিমেইলের সার্চ বক্সে has:attachment larger:10M লিখলেই ১০ মেগাবাইটের বেশি আকারের ই–মেইলগুলো দেখা যাবে।

৩. নিউজলেটার ও প্রমোশনাল ই–মেইলের নিবন্ধন বাতিল

প্রমোশনস ট্যাবে জমে থাকা অফার, বিজ্ঞাপন ও নিউজলেটার দ্রুত জায়গা দখল করে রাখে। আর তাই একই ধরনের বার্তা বেশি এলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ই–মেইল সাবস্ক্রিপশন সুবিধা আন সাবস্ক্রাইব করতে হরে।

৪. গুগল ওয়ান স্টোরেজ ম্যানেজার ব্যবহার

গুগল ওয়ানের স্টোরেজ ম্যানেজারে ই–মেইল, ড্রাইভ ও ফটোসের স্টোরেজ ব্যবহার এক জায়গায় দেখা যায়। সবচেয়ে বেশি জায়গা দখল করা অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো চিহ্নিত করে মুছে ফেলতে হবে।

৫. গুগল ড্রাইভ বা অন্যান্য ক্লাউডের লিংক ব্যবহার

বড় ছবি বা ভিডিও সরাসরি ই–মেইলে পাঠানোর বদলে গুগল ড্রাইভ বা অন্যান্য ক্লাউডের লিংক ব্যবহার করলে কম জায়গা দখল করে। আর তাই ছবি বা ভিডিওগুলো জিমেইলের বদলে ড্রাইভ বা অন্যান্য ক্লাউডের লিংকের মাধ্যমে আদান-প্রদান করতে হবে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ