Risingbd:
2025-12-09@08:56:56 GMT

ইমামের স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা

Published: 17th, November 2025 GMT

ইমামের স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মোসা. মুকুল বেগম (৫০) নামের এক নারীকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। 

রবিবার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কলাপাড়া উপজেলার চাকামাইয়া ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। মুকুল ওই এলাকার হাফেজ হাবিবুর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, হাবিবুর রহমান পার্শ্ববর্তী মৌলভীতবক সুলতান মাস্টার বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম। তিনি দুপুরের খাবার শেষ মসজিদে নামাজ পড়াতে যান। সে সময় তার স্ত্রী ঘরেই অবস্থান করছিলেন। সন্ধ্যার পরে প্রতিবেশী এক নারী তাদের ঘরে এসে মুকুল বেগমের লাশ দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে স্থানীয়রা এসে পুলিশে খবর দেন।

কলাপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুয়েল ইসলাম বলেন, মুকুল বেগমের পরিবারের ধারণা, তাদের ঘরে থাকা ৬০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার জন্য দুর্বৃত্তরা হয়ত এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের চেষ্টা চলছে।

ঢাকা/ইমরান/রফিক

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

বিশিষ্ট ৪ নারী পেলেন বেগম রোকেয়া পদক 

নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ চার বিশিষ্ট নারীর হাতে বেগম রোকেয়া পদক তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই পদক তুলে দেন তিনি।

পদকপ্রাপ্তরা হলেন—নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) রুভানা রাকিব, নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার) কল্পনা আক্তার, মানবাধিকার শ্রেণিতে নাবিলা ইদ্রিস ও নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া) ঋতুপর্ণা চাকমা।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ‘বেগম রোকেয়া দিবস -২০২৫’ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করছে।

নারী শিক্ষা ও অধিকার আন্দোলনের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৫তম জন্মবার্ষিকী ও ৯৩তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে দিবসটি পালন করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ।

অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যান্য উপদেষ্টা, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং পদকপ্রাপ্তদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার পাশাপাশি ‘আমি-ই রোকেয়া’ শিরোনামের একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এতে নারীর শিক্ষা বিস্তার ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বেগম রোকেয়ার অবদান তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে নারীর অনুপ্রেরণায় বেগম রোকেয়ার ভূমিকা ও দেশের নারী ক্ষমতায়নের অগ্রযাত্রার বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করা হয়। নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় শিক্ষার গুরুত্বও এতে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়।

ঢাকা/ইভা   

সম্পর্কিত নিবন্ধ