খুলনা সিটি করপোরেশনের ৬ষ্ঠ থেকে ১২তম গ্রেডের ১৪টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আবেদন করতে হবে ডাকযোগে। আবেদন শুরু হয়েছে ১৩ নভেম্বর ২০২৫ থেকে।

পদের নাম ও বিবরণ—

১. নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল)

পদসংখ্যা: ০১

বেতন স্কেল ও গ্রেড: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা (গ্রেড-৬)

২. নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক)

পদসংখ্যা: ০১

বেতন স্কেল ও গ্রেড: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা (গ্রেড-৬)

৩.

নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ)

পদসংখ্যা: ০১

বেতন স্কেল ও গ্রেড: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা (গ্রেড-৬)

৪. সহকারী হেলথ অফিসার

পদসংখ্যা: ০১

বেতন স্কেল ও গ্রেড: ২৩,০০০-৫৫,৪৭০ টাকা (গ্রেড-৮)

৫. ভেটেরিনারি সার্জন

পদসংখ্যা: ০১

বেতন স্কেল ও গ্রেড: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)

৬. মেডিকেল অফিসার

পদসংখ্যা: ০১

বেতন স্কেল ও গ্রেড: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)

৭. উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল)

পদসংখ্যা: ০৪

বেতন স্কেল ও গ্রেড: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা (গ্রেড-১০)

৮. উপসহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ)

পদসংখ্যা: ০১

বেতন স্কেল ও গ্রেড: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা (গ্রেড-১০)

৯. এস্টিমেটর

পদসংখ্যা: ০১

বেতন স্কেল ও গ্রেড: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা (গ্রেড-১০)

১০. চিফ অ্যাসেসর

পদসংখ্যা: ০১

বেতন স্কেল ও গ্রেড: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা (গ্রেড-১০)

১১. ড্রাফট্সম্যান

পদসংখ্যা: ০১

বেতন স্কেল ও গ্রেড: ১১,৩০০-২৭,৩০০ টাকা (গ্রেড-১২)

বয়সসীমা—

১৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে ১৮–৩২ বছর।

আরও পড়ুন‘বিসিএসে কোনো শর্টকাট নেই, লেগে থাকার শক্তিই শেষ পর্যন্ত জিতিয়ে দেয়’৩ ঘণ্টা আগেআবেদনের নিয়ম—

www.khulnacity.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে ফরম ডাউনলোড করে পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীকে প্রশাসক, খুলনা সিটি করপোরেশন বরাবর স্বহস্তে লিখিত আবেদনপত্র আবেদন ফরমের সঙ্গে জমা দিতে হবে। চাকরিপ্রার্থীর স্বহস্তে লিখিত আবেদনপত্র ব্যতীত ও স্বাক্ষরবিহীন আবেদন ফরম গ্রহণযোগ্য হবে না।

আবেদন ফি—

১ থেকে ৬ নম্বর পদের জন্য আবেদন ফি: ৫০০ টাকা

৭ থেকে ১০ নম্বর পদের জন্য আবেদন ফি: ৪০০ টাকা

১১ নম্বর পদের জন্য আবেদন ফি: ৩০০ টাকা

*নির্ধারিত ফি ব্যাংক ড্রাফট/পে-অর্ডার করতে হবে।

আবেদনের সময়সীমা—

আবেদন শেষ: ১২ ডিসেম্বর ২০২৫

আরও পড়ুনসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হতে যা জানা জরুরি১৬ নভেম্বর ২০২৫

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: গ র ড ১০ পদস খ য প রক শ

এছাড়াও পড়ুন:

আমরা ঋণের ফাঁদে পড়ে গেছি: এনবিআর চেয়ারম্যান

দেশের ঋণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নীতিনির্ধারক ও বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের উদ্বেগ, বাংলাদেশ ঋণের ফাঁদে পড়ে যেতে পারে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার ও আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করে রাজস্ব আদায় বাড়াতে না পারলে বাংলাদেশ গুরুতর ঋণের ফাঁদে পড়ে যেতে পারে, এম আশঙ্কা আছে।

অন্যদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান আরও স্পষ্টভাবে মন্তব্য করেন, ‘আমরা ইতিমধ্যেই ঋণের ফাঁদে পড়েছি; এ সত্য স্বীকার না করলে সামনে এগোনো সম্ভব নয়।’

আজ সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সেমিনারে এসব কথা বলেন তাঁরা। বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) ‘বাংলাদেশ স্টেট অব দ্য ইকোনমি ২০২৫’ ও ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) অগ্রগতি প্রতিবেদন ২০২৫’ প্রকাশ ও উপস্থাপন উপলক্ষে এ সেমিনার আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার অর্থবিষয়ক বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি–বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, অর্থ বিভাগের সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার ও পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতার।

অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদস্য মঞ্জুর হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জিইডির অতিরিক্ত সচিব মনিরা বেগম।

অনুষ্ঠানে সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঋণের ফাঁদে পড়া আমাদের দেশের জন্য ভালো হবে না। তখন ঋণ নিয়ে আবার ঋণ পরিশোধ করতে হবে। ইতিমধ্যে রাজস্ব বাজেটে ব্যয়ের প্রধান খাতের মধ্যে ছিল সরকারি কর্মচারীদের বেতন ও পেনশন। এরপর দ্বিতীয় স্থানে ছিল কৃষি ও শিক্ষা। কিন্তু কৃষি ও শিক্ষার মতো খাত পেছনে ফেলে এখন জায়গা এখন নিয়েছে ঋণের সুদ পরিশোধ।

এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, কয়েক বছর আগেও আমাদের কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশের বেশি ছিল, এখন তা ৭ শতাংশের ঘরে ঘোরাফেরা করছে। সমস্যাটি কোথায়, তা স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করতে হবে। কর-জিডিপি অনুপাত কমার একটি বড় কারণ হলো, জিডিপির সব খাত থেকে রাজস্ব সংগ্রহ সম্ভব হচ্ছে না।

এদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই এনবিআর দুই ভাগ হয়ে দুজন সচিবের নেতৃত্বে কাজ শুরু করবে বলে জানান আবদুর রহমান খান।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর জানিয়েছেন, সমস্যাগ্রস্ত পাঁচটি ব্যাংকের সংযুক্তির প্রক্রিয়া দ্রুত এগোচ্ছে। ডিপোজিট গ্যারান্টি ১ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ করা হয়েছে। এক-দুই সপ্তাহের মধ্যে আমানতকারীদের মধ্যে অর্থ বিতরণ শুরু হতে পারে।

সরকারের এ উদ্যোগের ফলে পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকসহ ৭৬ লাখ পরিবার আমানত ফেরত পাবেন বলে জনান গভর্নর। এ ছাড়া নতুন ব্যাংকটি প্রথম বা দ্বিতীয় বছরেই মুনাফার মুখ দেখতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা: ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোচিং সেন্টার বন্ধ
  • জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা, একটি ইউনিটের প্রবেশপত্র প্রকাশ
  • শেয়ারহোল্ডারদের নগদ লভ্যাংশ দিলো ইস্টার্ন হাউজিং
  • আজ টিভিতে যা দেখবেন (৯ ডিসেম্বর ২০২৫)
  • বিশেষ বৃত্তি পাবেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, নীতিমালা অনুমোদন
  • এক বছরে শ্রম খাত নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে
  • নিজেদের কোনো খেলোয়াড়কে নয়, গুগলে পাকিস্তানিরা সবচেয়ে বেশি খুঁজেছেন এক ভারতীয়কে
  • শিক্ষা ভবন মোড় অবরোধ সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের, যান চলাচল বন্ধ
  • বিডি থাইয়ের লোকসান বেড়েছে ১৫০ শতাংশ
  • আমরা ঋণের ফাঁদে পড়ে গেছি: এনবিআর চেয়ারম্যান