উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক থেকে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ না এলে শাহবাগের গণজমায়েত থেকে ‘মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচি পালন করা হবে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

শাহবাগে এনসিপি ও ইনকিলাব মঞ্চসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের গণজমায়েতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার পর এ ঘোষণা দেন তিনি। এদিন বিকেল ৩টায় এ গণজমায়েত শুরু হলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, এনসিপি, ছাত্রশিবির, আপ বাংলাদেশসহ বহু সংগঠন একাত্মতা প্রকাশ করে। এসব দল ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে রেখেছেন শাহবাগ।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা সাড়ে ৮টায় শাহবাগ থেকে এগিয়ে গিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের গেটে রাজসিক মোড়ে অবস্থান করব। উপদেষ্টাদের স্পষ্ট করে বলতে চাই, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ নিয়ে কোনো গড়িমসি করবেন না। এখনও আমরা আপনাদের বিশ্বাস করি। আওয়ামী লীগ প্রশ্নটার মীমাংসা আপনারা করে ফেলেন।’

এসময় ইনকিলাব মঞ্চের শরীফ ওসমান বিন হাদিও একই কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: শ হব গ

এছাড়াও পড়ুন:

ঈশ্বরদীতে সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি মামলায় আসামি জামায়াতের প্রার্থী

পাবনার ঈশ্বরদীতে গত বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধার ছেলে বাঁধন হাসান আলিমের করা মামলায় পাবনা-৪ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আবু তালেব মণ্ডলকে আসামি করা হয়েছে।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আ.স.ম আব্দুন নুর। গতকাল দুপুরে মামলা দুটি নথিভুক্ত হয়। 

আরো পড়ুন:

মসজিদে নামাজরত বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা

নেত্রকোণায় সংঘর্ষে আহত ব্যক্তির মৃত্যু, পরিবেশ থমথমে

আরো পড়ুন: গুলি ছোড়া ব্যক্তি জামায়াত কর্মী- দাবি বিএনপির, অস্বীকার জামায়াতের

ওসি আব্দুন নুর জানান, সাহাপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধার ছেলে বাঁধন হাসান আলিম বাদী হয়ে ৩২ জন জামায়াত নেতার নামে থানায় মামলা করেছেন। ১৫০ থেকে ২০০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় পাবনা জেলা জামায়াতের আমির এবং পাবনা-৪ আসনে দলটির মনোনীত প্রার্থী আবু তালেব মণ্ডলকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। 

অপরদিকে, ঈশ্বরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইদুল ইসলাম বাদী হয়ে একই থানায় ৩৮ জন বিএনপির নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে মামলা  করেছেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে সাহাপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধাকে। এই মামলায় ১০০ থেকে ১৫০ জনকে অজ্ঞাত  আসামি করা হয়েছে। তাদের বেশিরভাগই পাবনা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের আত্মীয় এবং অনুসারী।

আরো পড়ুন: পাবনায় জামায়াতের প্রার্থীর প্রচারে হামলা, গাড়ি ভাঙচুর

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, “মামলার অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া যুবক অস্ত্রধার সন্ত্রাসী। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তাকে গ্রেপ্তার করার পর জানা যাবে সে আসলে কোন দলের।” 

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৭ নভেম্বর বিকেলে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়ি গ্রামে নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে দল দুইটির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হন।

ঢাকা/শাহীন/মাসুদ

সম্পর্কিত নিবন্ধ