Samakal:
2025-07-08@12:21:59 GMT

আজ থেকে চালু হলো ‘পাঠাও পে’

Published: 8th, July 2025 GMT

আজ থেকে চালু হলো ‘পাঠাও পে’

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম পাঠাও এবার নিয়ে এসেছে ‘পাঠাও পে’। এই নতুন ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে খুব সহজেই টাকা ট্রানজেক্ট, অ্যাকসেস ও ম্যানেজ করতে পারবেন গ্রাহকরা। আজ ৮ জুলাই থেকে সেবাটি চালু হচ্ছে । ‘ইয়োর ইউনিভার্স, ইয়োর ওয়ে’ স্লোগানে পাঠাও পে ইনোভেশন, সিকিউরিটি ও লাইফস্টাইলকে একত্রিত করেছে।

পাঠাও পে দিয়ে গ্রাহকরা এখন থেকে খাবার অর্ডার করা, রাইড নেওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে বিল ভাগ করা বা কাউকে টাকা পাঠানো সবকিছুই করতে পারবেন সহজে। সাথে আছে কিছু মজার ফিচারও, যেমন- ‘পে ট্যাগ’ দিয়ে পার্সোনাল ইনফর্মেশন শেয়ার না করেও সহজে টাকা রিসিভ করা বা অনেকের কাছ থেকে একসাথে টাকা তোলা, ‘স্প্লিট পে’ দিয়ে বন্ধুদের সাথে বিল ভাগাভাগি করা, ‘গ্রুপ সেন্ড মানি’ দিয়ে একসঙ্গে অনেকজনকে টাকা পাঠানো, এবং ‘অটো পে’ দিয়ে অটোমেটেড পেমেন্ট সিস্টেম এখন ট্রানজেকশনকে করবে আরও দ্রুত, স্মার্ট ও সুবিধাজনক।

ইউজাররা এখন মোবাইল রিচার্জও করতে পারবেন অ্যাপ থেকেই। আর খুব সহজেই পাঠাও পে-তে অ্যাড মানি করতে পারবেন ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড (ভিসা, মাস্টারকার্ড ও এএমইএক্স) বা নগদ থেকে।

এই লঞ্চের অংশ হিসেবে পাঠাও চালু করেছে পাঠাও পে কার্ড, এটি মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিলএসসি দ্বারা সাপোর্টেড এবং মাস্টারকার্ড পাওয়ার্ড। এই মাল্টি-কারেন্সি ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে ইউজাররা দেশে এবং বিদেশে আরও সহজে তাদের ফাইন্যান্স কন্ট্রোল করতে পারবেন। কার্ডটি পাওয়া যাবে তিনটি ইউনিক ডিজাইনে, স্ট্রারলিট হরিজন, পার্পাল হেজ ও সানশাইন বিচ। এই কার্ডে থাকছে, রিয়েল-টাইম ওয়ালেট ব্যালেন্স সিঙ্কিং, ডুয়াল কারেন্সি সাপোর্ট, ‘এনএফসি ট্যাপ অ্যান্ড পে’ (পিন ছাড়াই ৫০০০ টাকা পর্যন্ত), এবং মিটিবির সব এটিএম থেকে বিনামূল্যে টাকা তোলার সুযোগ। মাস্টারকার্ডের গ্লোবাল রিচ, রোবাস্ট সিকিউরিটি সুবিধার মাধ্যমে সঠিকভাবে পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্ট করা থাকলেই এই কার্ড দিয়ে খুব সহজেই দেশে-বিদেশে শপিং, সাবস্ক্রিপশন, ট্রাভেলসহ সব ধরণের ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট করা যাবে।

লঞ্চ উপলক্ষে নতুন পাঠাও পে ইউজাররা পাচ্ছেন পাঠাও-এর কোর সার্ভিসগুলোতে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক! প্রতি সার্ভিস অনুযায়ী ক্যাশব্যাক পাচ্ছেন পাঠাও ফুডে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা, পাঠাও কার রাইডে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা, পাঠাও বাইক-এ সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা এবং পার্সেল ডেলিভারিতে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা। কোনো ঝামেলা ছাড়াই শুধু পাঠাও সার্ভিসগুলো ব্যবহার করলেই উপভোগ করতে পারবেন এই দারুণ ক্যাশব্যাক। তাই, এখনই পাঠাও অ্যাপে গিয়ে সাইন আপ করুন পাঠাও পে-তে, আর পেমেন্ট করুন পাঠাও পে দিয়ে।

পাঠাও-এর সিইও ফাহিম আহমেদ বলেছেন, পাঠাও পে হলো ডিজিটালি নিজস্ব ফাইন্যান্স নিয়ন্ত্রণের একটি অন্যতম সহজ উপায়। পাঠাও পে-এর মাধ্যমে আপনার ফান্ড যখন যেভাবে প্রয়োজন সেভাবেই অ্যাকসেস, ট্রানজেক্ট ও ম্যানেজ করতে পারবেন। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন ডিজিটাল ফাইন্যান্স সল্যুশন, যা আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে ।

পাঠাও পের মাধ্যমে, পাঠাও ইউজারদের হাতে নিয়ন্ত্রণ, সুবিধা ও স্বাধীনতা তুলে দিয়ে জীবনকে সহজ করার এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে লাখো মানুষের ক্ষমতায়নের অঙ্গীকার আরও শক্তিশালী করেছে। পাঠাও পে শুধু একটি ডিজিটাল ওয়ালেট নয়, এটি আপনার ফাইন্যানশিয়াল ইউনিভার্স, যা আপনি আপনার নিজের মতো করেই তৈরি করতে পারবেন।

আরও বিস্তারিত জানতে, এখনই ডাউনলোড করুন পাঠাও অ্যাপ এবং সাইন আপ করুন পাঠাও পে-তে.

লিংক: https://pathao.go.link/gTuDn.
২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঠাও, এমন একটি ডিজিটাল প্লাটফর্ম তৈরি করছে যা অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার পাশাপাশি সবার দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি এবং ই-কমার্স লজিস্টিকসে পাঠাও শীর্ষস্থানে রয়েছে। ১০ মিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারী, ৩ লাখ ড্রাইভার ও ডেলিভারি এজেন্ট, ২ লাখ মার্চেন্ট এবং ১০ হোটেল রেস্টুরেন্ট নিয়ে পরিচালনা করছে পাঠাও। প্ল্যাটফর্মটি বাংলাদেশে ৫ লাখেরও বেশি কাজের সুযোগ তৈরি করেছে, যা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: কর ন প ঠ ও ফ ইন য ন প রব ন আপন র

এছাড়াও পড়ুন:

‘ভয়াবহ’ সংখ্যক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে সৌদি আরব

গত দশকে সৌদি আরব মাদক সংক্রান্ত অপরাধের জন্য ‘ভয়াবহ’ সংখ্যক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে, যার বেশিরভাগই বিদেশী নাগরিক। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার দ্য গার্ডিয়ান এ তথ্য জানিয়েছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তথ্য অনুযায়ী, গত দশকে মাদক সংক্রান্ত অপরাধের জন্য প্রায় ৬০০ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, যার তিন-চতুর্থাংশই পাকিস্তান, সিরিয়া, ইয়েমেন, নাইজেরিয়া এবং মিশরসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক।

২০২১ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে মাদক সংক্রান্ত মৃত্যুদণ্ডের উপর সাময়িক স্থগিতাদেশের পর, মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা রেকর্ড মাত্রায় পৌঁছেছে। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা চিল ১২২টি এবং গত মাসের শেষ পর্যন্ত এই সংখ্যা ছিল ১১৮টি।

অ্যামনেস্টি এই মৃত্যুদণ্ডের ঘটনাগুলোকে ‘চরম অন্যায্য বিচার’ এবং ‘মানব জীবনের প্রতি ভয়ঙ্কর অবজ্ঞা’ বলে বর্ণনা করেছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মধ্যপ্রাচ্য গবেষক ডানা আহমেদ বলেন, “আমরা সত্যিই এক ভয়াবহ প্রবণতা প্রত্যক্ষ করছি, যেখানে বিদেশী নাগরিকদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হচ্ছে, এমন অপরাধের জন্য যার মৃত্যুদণ্ডের বিধান থাকা উচিত নয়। সৌদি অধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রগুলোকে প্রতিবাদ জানাতে এবং নিন্দা জানাতে রাজি করানো কখনই সহজ ছিল না। কারণ এর গভীর আর্থিক এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের সাথে সাথে ... তদন্ত আরো কমে গেছে।”

অ্যামনেস্টি জানিয়েছে, তারা এমন বিদেশী নাগরিকদের খুঁজে পেয়েছে যারা কাজের জন্য অভিবাসনের সময় মাদক পাচারে প্রলুব্ধ হয়ে ‘প্রতারিত ও শোষিত’ হয়েছিল। 

অ্যামনেস্টির মতে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কিছু বিদেশী নাগরিকের স্বল্প শিক্ষা ও সুবিধাবঞ্চিত আর্থ-সামাজিক পটভূমি তাদের শোষণের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে এবং সৌদি আরবে আইনি প্রতিনিধিত্বের সুযোগ তাদের জন্য আরো কঠিন করে তোলে। তাদের প্রতিবেদনে আইনি প্রতিনিধিদ না পাওয়া, অপর্যাপ্ত কনস্যুলার সহায়তা এবং কার্যকর ব্যাখ্যার অভাব পাওয়া গেছে।

ঢাকা/শাহেদ

সম্পর্কিত নিবন্ধ