বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেলো দুই শিশুর
Published: 20th, April 2025 GMT
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের মঙ্গলপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত দুই শিশু সম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো বোন।
তারা হলো- মঙ্গলপাড়া গ্রামের সাইদুর রহমানের মেয়ে হামিদা খাতুন (৮) এবং একই গ্রামের সোলেমান আলীর মেয়ে সাইফা খাতুন (৭)।
স্থানীয় ইউপি সদস্য কামাল হোসেন জানান, দুপুরে বাড়ির উঠানে লুকোচুরি খেলছিল শিশু দুটি। খেলতে খেলতে তারা পাশের বাড়িতে যায়। ওই বাড়ির একটি ফ্রিজের আড়ালে গিয়ে লুকানোর সময় হঠাৎ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় তারা। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, আমি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ দুটি দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অপমৃত্যুর মামলা হবে।
.উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: ন হত
এছাড়াও পড়ুন:
ব্যাটসম্যানদের ব্যাট উড়বে তো?
তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটিং দেখে আফতাব আহমেদ মনে একটা প্রশ্নই জাগল, ‘বাকিরা কি ভিন্ন উইকেট আর ভিন্ন বোলিং অ্যাটাকের বিরুদ্ধে খেলেছে।’
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে চট্টগ্রামে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে তাওহীদ করেছেন ক্যারিয়ার সেরা ৮৩ রান। অপরাজিত থেকে শেষ করেছেন ইনিংস। দলের রান ১৪২। সেখানে তাওহীদের একার ব্যাটেই আসে ৮৩ রান। বাংলাদেশ ম্যাচ হেরেছে ৩৯ রানের বড় ব্যবধানে।
যুক্তরাষ্ট্রে থাকা আফতাব দূরে বসেও লাইভে খেলা দেখেছেন। কিন্তু ব্যাটসম্যানদের ভুগতে দেখে রীতিমত অবাক হয়েছেন। শুরুতে উইকেট হারানের পর কেউ অ্যাটাকিং মুডে গেল না কেন সেই প্রশ্নও উঠছে তার মনে, ‘‘আপনি শুরুতে তো একটা উইকেট হারাতে পারেন। প্রচন্ড বাজে ব্যাটিং করলেও আরেকটা। পরে যে আসবে তার তো উইকেট আগলে রাখার কিছু নেই। স্কোরবোর্ডে বড় রান তাড়া করতে হবে। ওই চেষ্টাই দেখলাম না।’’
টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটিংয়ের ভিত গড়ে দেয় পাওয়ার প্লে’র ব্যাটিং। বৃত্তের বাইরে মাত্র দুজন ফিল্ডার থাকে। এই সময়ে নতুন ব্যাটসম্যানরা আক্রমণাত্মক ক্রিকেট বেছে নিয়ে চার-ছক্কার ফুলঝুরি ছোটান। অথচ আইরিশদের গড়পড়তা বোলিংয়ের বিপক্ষেও পাওয়ার প্লে’তে মাত্র ১ বাউন্ডারি পায় বাংলাদেশ। ৪ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে রান ২০।
আফতাব অবাক হন ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং অ্যাপ্রোচে, ‘‘আয়ারল্যান্ড এমন আর কী বোলিং করেছে…শিশির পড়ছে। বল ভিজজে। গ্রিপ করতে কষ্ট হচ্ছে। তবুও কেন ওরা চড়াও হয়ে উঠবে। যদি অনেক ভালো বোলিংও করে ধরে নেই, ব্যাটসম্যানরা তাদের সামলানোর জন্য কি করেছে? কাউকে তো দেখলাম না ইনোভেটিব কিছু করতে।’’
সীমিত পরিসরে ব্যাটিং বাংলাদেশের জন্য ভয়ের অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন টি-টোয়েন্টি হারের পর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষেও ব্যাটিং দূর্বলতা খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে। অথচ বিশ্বকাপের আগে এই সিরিজ হতে পারত ব্যাটসম্যানদের নিজেদের ফিরে পাওয়ার সেরা মঞ্চ। প্রস্তুতির শেষ সুযোগ। বড় রান করা, আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলা, মানানসই স্কোর করে নিজেকে চনমনে করে তোলা। কিন্তু সব কিছুই যাচ্ছে বিপরীত মুখে।
তাইতো প্রশ্ন উঠছে, আজ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটসম্যানদের ব্যাট উড়বে তো? আফতাব বড় আশা নিয়ে আজও বসবেন টিভির সামনে, ‘‘আশা তো প্রতি ম্যাচেই বড় রান করুক ব্যাটসম্যানরা। প্রতি সিরিজই জিতুক। বিশ্বকাপের আগে এই সিরিজটা এমনিতেই গুরুত্বপূর্ণ আমাদের জন্য। আশা করছি তো দল ভালো করবে, ব্যাটসম্যানরা রান করবে ও আমরা জিততে পারব।’’
ঢাকা/ইয়াসিন