ভারতও নিশ্চিত করল, দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত
Published: 10th, May 2025 GMT
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে, ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রিও তা নিশ্চিত করেছেন। আজ শনিবার কিছুক্ষণ আগে সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বিক্রম মিশ্রি বলেন, আজ বিকেলে পাকিস্তানের সামরিক অপারেশনসের মহাপরিচালক ভারতের তাঁর সমমর্যাদার কর্মকর্তাকে ফোন করেন। সেই আলোচনায় উভয় পক্ষ সম্মত হয় যে, আজ ভারতীয় সময় বিকেল ৫টা থেকে স্থল, আকাশ ও সমুদ্র—সব ক্ষেত্রেই সব ধরনের গোলাগুলি ও সামরিক অভিযান বন্ধ থাকবে।
উভয় দেশেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
পথের পাশের টিউবওয়েলটি কত মানুষেরই না তৃষ্ণা মেটায়
কুষ্টিয়া শহর থেকে সকাল ১০টার দিকে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়েছিলাম। সঙ্গে বন্ধু ফারুকুর রহমান। শহর ছাড়িয়ে একটু খোলা প্রকৃতি দেখার ইচ্ছায় সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের দিকে রওনা দিলাম।
দহকুলা গ্রাম পেরিয়ে সামনেই পেয়ে গেলাম বিস্তীর্ণ মাঠ। সড়কের দুপাশে পাকা ধানখেত। কৃষকেরা সোনালি ধান কাটায় ব্যস্ত। এই সময় ফারুকের ফোন বেজে উঠল, বাড়ি থেকে জানানো হলো ভূমিকম্প হয়েছে। আমার ফোনেও একই খবর। চলন্ত মোটরসাইকেলে থাকায় ভূমিকম্পের কিছুই টের পাইনি।
ফোনে কথা বলতে বলতে চোখে পড়ল—চারদিকে জনবসতি নেই, শুধু মাঠ আর মাঠ। সেই নির্জনতার মাঝেই সড়কের এক মোড়ে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকা সাতটি বেলগাছ। গাছগুলোর সামনে একটি টিউবওয়েল। টিউবওয়েলের কাছেই গাছে বাঁধা রাবারের দড়িতে ঝুলছে প্লাস্টিকের ছোট কাপ। সেই কাপ টেনে টিউবওয়েলের কাছে এনে ফারুক পানি খেল।
ঠিক তখনই সড়ক ধরে এক ভ্যানচালক এসে থামলেন বেলগাছতলায়। তিনিও পানি খেলেন। জানালেন, সড়কের ধারে বড় গাছপালা নেই বললেই চলে। এই বেলগাছগুলো নাকি অযত্নেই বেড়ে ওঠা। দুই বছর আগে এলাকার এক অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার মাঠে কাজ করা কৃষক আর পথচারীদের সুবিধার জন্য টিউবওয়েল বসান। দূরে মাঠে আরও কিছু টিউবওয়েল আছে কিন্তু দীর্ঘ দূরত্বের সড়কের পাশে এটি ছাড়া নেই।
বেলগাছগুলোতে পাখির আনাগোনা দেখা গেল। কয়েকটি পাখি উড়াল দিল, আবার ফিরেও এল। গাছ, টিউবওয়েল আর খোলা মাঠ—জায়গাটি যেন পথিকের জন্য বিরতিস্থান।
কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে আমরা আবার রওনা দিলাম। সামনে নাজিরপুরের রাস্তা। পেছনে রয়ে গেল সাতটি বেলগাছ, টিউবওয়েল আর পথচলার সাধারণ কিন্তু দরকারি এক ব্যবস্থা, যা হয়তো প্রতিদিনই অনেক মানুষকে একটু থামতে শেখায়।