ফতুল্লায় সোলেয়মান নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা। শুক্রবার (৯ মে) বিকেলে ফতুল্লা রেললাইন বটতলা এলাকা থেকে তাকে আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাকে ফতুল্লা মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম জানান, সোলেয়মানের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় বৈষম্য বিরোধী হত্যা মামলা এবং ফতুল্লা থানায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মামুন হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, সোলেয়মান স্থানীয় আওয়ামী লীগ ক্যাডার হিসেবে পরিচিত আক্তার-সুমনের অন্যতম সহযোগী। একসময় সে আক্তার-সুমনের পিতা মৃত আলাউদ্দিন হাজীর 'টি বয়' ছিল। পরবর্তীতে আলাউদ্দিন হাজী মারা গেলে আক্তার-সুমনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হয়ে ওঠে।

তাদের হয়ে সে এলাকায় সন্ত্রাসী বাহিনী ও কিশোর গ্যাং গড়ে তোলে। আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে সে প্রশাসনের মদদে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা ও হামলার নেতৃত্ব দেয়।

.

উৎস: Narayanganj Times

কীওয়ার্ড: হত য ব এনপ ন র য়ণগঞ জ

এছাড়াও পড়ুন:

খুলনায় নারী পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

খুলনা নগরীতে মোসা. মিমি খাতুন (২৭) নামে এক নারী পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে খালিশপুর মুজগুন্নী হাইওয়ে পুলিশের খুলনা রিজিয়ন নারী ব্যারাক থেকে তার উদ্ধার হয়।

হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি (পদোন্নতি প্রাপ্ত) ও খুলনা রিজিয়ন সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া জানান, স্বামীর ওপর অভিমান করে মিমি আত্মহত্যা করেছেন।  

আরো পড়ুন:

৩ দিন পর পুকুরে মিলল নিখোঁজ যুবকের মরদেহ

হত্যার পর মুখ পোড়া‌নো ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

মারা যাওয়া মিমি কুষ্টিয়ার মো. নবীন বিশ্বাসের মেয়ে। 

পুলিশ সূত্র জানায়, শনিবার নিজ কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিলেন মিমি খাতুন। তার মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি (পদোন্নতি প্রাপ্ত) ও খুলনা রিজিয়ন সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া জানান, নারী পুলিশ সদস্য মিমি খাতুন স্বামীর ওপর অভিমান করে আত্মহত্যা করেছেন। মিমি খাতুন পচ্ছন্দ করে ইমরান হোসেনকে বিয়ে করেছিলেন। স্বামীর পরিবার তাদের এ সম্পর্ককে মেনে নেয়নি। মিমি খাতুনের মরদেহ তার মা-বাবার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঢাকা/নূরুজ্জামান/মাসুদ

সম্পর্কিত নিবন্ধ