ধামরাই উপজেলা পরিষদের নির্মাণাধীন নতুন ভবন থেকে মো. আলী (৩৮) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে ভবনটির চতুর্থ তলা থেকে মরদেহটি উদ্ধার হয়। ধামরাই থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত মো. আলী উপজেলার কালামপুর বাটুলিয়া এলাকার খোরশেদ আলমের ছেলে। তিনি অটোরিকশা চালক ছিলেন। 

আরো পড়ুন:

গৃহবধূর মরদেহ সড়কে ফেলে পালানোর সময় স্বামী-শাশুড়ি আটক

রাজধানীতে বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

পুলিশ জানায়, আজ সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলা পরিষদের নির্মাণাধীন ভবনের চতুর্থ তলার পশ্চিম পাশের টয়লেটের ভেতরে মরদেহটি দেখতে পান স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। কে বা কারা, কী কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। 

ঢাকা/সাব্বির/মাসুদ

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর মরদ হ উদ ধ র উপজ ল মরদ হ

এছাড়াও পড়ুন:

শিবির নেতা সাদিক ৪ দিন নিখোঁজ, পরিবারের উদ্বেগ

বগুড়ার পুণ্ড্র ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ১৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং ক্যাম্পাস শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা আসাদুল্লাহ আল সাদিক (২৪) চার দিন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজের ঘটনায় সাঘাটা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন জিডি করার তথ্য জানিয়েছেন। 

আরো পড়ুন:

‘ছাত্রদলের শুভ বুদ্ধির উদয় না হলে ছাত্রসমাজ লাল কার্ড দেখাবে’ 

জবি শিবিরের মেধাবীদের তালিকায় নেই ৩ বিভাগের শিক্ষার্থী

নিখোঁজ শিবির নেতা সাদিক সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের শিমুলতাইড় গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে। মতিউর রহমান বলেন, ‘‘আমার ছেলে ছাত্রশিবির করে। তবে কোন পদে আছে তা আমার জানা নেই।’’ 

সাদিকের পরিবারের সদস্যরা জানায়, গত সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে সাদিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন। ট্রেনে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও ট্রেন মিস হওয়ায় পরে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় রওনা হওয়ার কথা বাবা–মাকে ফোনে জানান। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ এবং কোনোভাবেই তার সন্ধান মিলছে না।

পরিবারের সদস্যরা রাতভর এবং পরবর্তী কয়েক দিন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো তথ্য পাননি। পরে বুধবার (২৬ নভেম্বর) সাঘাটা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। ছেলেকে না পেয়ে দুশ্চিন্তায় ভেঙে পড়েছেন স্বজনরা।

সাদিকের এক স্বজন বলেন, ‘‘চারদিন ধরে কোনো সংবাদ নেই। আমরা উদ্বিগ্ন। কেউ যদি তার কোনো খোঁজ জেনে থাকেন, তাহলে দয়া করে জানাবেন।’’ 

সাঘাটা থানার ওসি মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, ‘‘গত ২৬ তারিখ আমরা নিখোঁজ হওয়ার জিডি পেয়েছি। আমরা বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। নিখোঁজ হওয়ার পেছনে সম্ভাব্য সব কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সারা দেশে আমরা রেডিও বার্তা দিয়েছি। আশা করি, দ্রুতই অগ্রগতি পাওয়া যাবে।’’ 

সাদিককে খুঁজে পেতে পরিবার, স্থানীয়রা এবং পুলিশ প্রশাসন সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। কেউ তথ্য জানলে নিকটস্থ থানায় বা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ। 
 

ঢাকা/মাসুম/বকুল

সম্পর্কিত নিবন্ধ