সাখাওয়াত-টিপুর নেতৃত্বে মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
Published: 4th, February 2025 GMT
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য প্রতিরোধে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরের বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে থানা পুকুর পার হয়ে মিনাবাজার দিয়ে মন্ডলপাড়া পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করেছে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি।
মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মহানগর বিএনপি আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান এবং সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপুর নেতৃত্বে মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এই বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন।
এসময় বিক্ষোভ মিছিল থেকে মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা শ্লোগান দেয় একটা একটা লীগ ধর, 'ধইরা ধইরা জেলে ভর' আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগের চামড়া তুলে নিব আমরা'।
বিক্ষোভ মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য হাবিবুর রহমান মিঠু, গোগনগর ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি আক্তার হোসেন, আলীরটেক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহমান, সিনিয়র সহ সভাপতি জুলহাস সরদার, মহানগর শ্রমিক দলের সদস্য সচিব ফারুক হোসেনসহ নেতৃবৃন্দ।
উৎস: Narayanganj Times
কীওয়ার্ড: ব এনপ ন র য়ণগঞ জ ব এনপ র
এছাড়াও পড়ুন:
বন্যায় ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডে নিহতের সংখ্যা ১৭৫০ ছাড়াল
এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে টানা বৃষ্টি থেকে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডে নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ৭৫০ ছাড়িয়েছে। এসব দেশের উদ্ধারকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত লাখ লাখ মানুষকে সহায়তা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন।
দেশগুলোর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হালনাগাদ এ তথ্য জানিয়েছে বলে শনিবার আল–জাজিরার খবরে বলা হয়।
গত ২৭ নভেম্বর দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এসব দেশে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়। টানা বৃষ্টি থেকে বন্যা ও ভূমিধস দেখা দেয়। শ্রীলঙ্কায় ‘ডিটওয়া’ নামের এক ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। মাঝখানে দু-এক দিন বৃষ্টি কিছুটা কমে আসে। তবে আবারও কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশের সুমাত্রা দ্বীপের কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, অন্তত ৯০৮ জন নিহত হয়েছেন। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৪১০ জন। দ্বীপটিতে বাস্তুচ্যুত হয়েছে ৮ লাখের বেশি মানুষ।
আচেহ প্রদেশের গভর্নর মুজাকির মানাফ জানিয়েছেন, উদ্ধারকারী দল এখনো ‘কোমরসমান গভীর কাদা’ থেকে মরদেহ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। তবে দূরবর্তী ও দুর্গম গ্রামগুলোতে এখন খাদ্যসংকটই সবচেয়ে বড় হুমকি বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
গভর্নর মুজাকির বলেন, ‘অনেক মানুষের মৌলিক প্রয়োজনীয় জিনিসের দরকার। আচেহের দূরবর্তী অনেক এলাকা এখনো সাহায্যের বাইরে রয়ে গেছে।’ তিনি বলেন, মানুষ বন্যায় মারা যাচ্ছে না, বরং অনাহারে মারা যাচ্ছে। পরিস্থিতি এখন এ রকমই।
শ্রীলঙ্কা সরকার জানিয়েছে, তাদের দেশে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬০৭ জনে পৌঁছেছে।
এখনো ২১৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ ব্যক্তিদের প্রায় সবাই মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে জাতীয় জরুরি অবস্থার ঘোষণা দিয়ে দেশ পুনর্গঠনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। দেশটি বর্তমানের এই প্রাকৃতিক দুর্যোগকে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
শ্রীলঙ্কায় ২০ লাখের বেশি মানুষ অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ বন্যায় ক্ষতির শিকার হয়েছেন। দেশটির কর্মকর্তারা শুক্রবার সতর্ক করেছেন, টানা ভারী বৃষ্টিতে নতুন করে ভূমিধসের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
আরও পড়ুনএশিয়ার কিছু অংশে ঝড়-বন্যা-ভূমিধস কেন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে০৩ ডিসেম্বর ২০২৫শ্রীলঙ্কার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (ডিএমসি) জানিয়েছে, ৭১ হাজারের বেশি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫ হাজার বাড়ি গত সপ্তাহের বন্যা ও ভূমিধসে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।
ডিএমসি শুক্রবার পূর্বাভাসে বলেছে, ইতিমধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মধ্যাঞ্চলসহ দেশের অনেক এলাকায় আবারও বৃষ্টি হতে পারে। এতে নতুন ভূমিধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, থাইল্যান্ডে বন্যায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২৭৬ জন নিহতের খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। অন্যদিকে মালয়েশিয়া ও ভিয়েতনামে ভারী বৃষ্টিতে ভূমিধসের কারণে দুজন করে চারজন নিহত হয়েছেন।