Prothomalo:
2025-12-05@01:53:16 GMT

সহজ সমাধানের জন্য প্রার্থনা

Published: 3rd, December 2025 GMT

মানুষ জীবনে কখনো না কখনো এমন অবস্থায় পড়ে, যখন তার কাছে ইবাদত, দায়িত্ব, শিক্ষা বা জীবনের চাপ—এগুলো অনেক কঠিন মনে হয়। যদিও আল্লাহ প্রদত্ত কোনো সমস্যাই দীর্ঘস্থায়ী হয় না। একটি নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়ার পর সমস্যাগুলো মিটে যায়, নতুবা হালকা হয়ে যায়।

তাই যিনি সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার আগেই আমাদের সব সমস্যার সমাধান জানেন, আমাদের কাজগুলো সহজ করে দেওয়ার জন্য, আমাদের সমস্যাগুলো সমাধান করে দেওয়ার জন্য তাঁর কাছেই প্রার্থনা করতে হবে।

আরও পড়ুনসম্পদ ও সন্তান লাভের জন্য প্রার্থনা১২ অক্টোবর ২০২৫

বিভিন্ন কঠিন মুহূর্তে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া ও রাসুলের শিখিয়ে দেওয়া প্রার্থনা করা মুমিনের শক্তি বাড়ায়। রাসুলুল্লাহ (সা.

) কঠিন কাজে পতিত হলে একটি দোয়া পড়ার শিক্ষা দিয়েছেন। এটি মানসিক ভার, কাজের জটিলতা দূর করার জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি দোয়া।

যাদের কাছে কোরআন শেখাটা কঠিন লাগে, ফজরে জেগে উঠতে কষ্ট হয় কিংবা জীবনের নানান দায়িত্ব ভারী মনে হয়—তারা এই দোয়া নিয়মিত পড়তে পারে।

নামাজের সিজদায়, তাশাহুদের বৈঠকে অথবা যেকোনো কষ্টের মুহূর্তে তাওয়াক্কুল নিয়ে বেশি বেশি পড়া যেতে পারে।

আরও পড়ুনজিভের জড়তা কাটাতে মুসা (আ.) যে প্রার্থনা করেছিলেন০৮ এপ্রিল ২০২৫

দোয়াটি হল: ‘আল্লাহুম্মা লা সাহলা ইল্লা মা জা’আলতাহু সাহলান, ওয়া আনতা তাজ’আলুল হাযনা ইযা শি’তা সাহলান।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আপনি যা সহজ করেন, তা ছাড়া কোনো কিছুই সহজ নয়। আর আপনি যখন ইচ্ছা করেন, তখন কঠিনকেও সহজ করে দেন।’ (সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস: ২,৪২৭)

দোয়া করার পাশাপাশি নিজ দায়িত্বে চেষ্টা করাও ইমানদারের বৈশিষ্ট্য। যে চেষ্টা করেন, আল্লাহ তাঁকেই সাহায্য করেন। আল্লাহ তাআলা যেন আমাদের সব কাজ, দায়িত্বগুলো সহজ করে দেন। আমিন।

[email protected]

ইসমত আরা : শিক্ষক, লেখক

আরও পড়ুনক্ষমা প্রার্থনা করার শ্রেষ্ঠ ৩ সময়২৪ এপ্রিল ২০২৫

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: আল ল হ আম দ র র জন য সমস য

এছাড়াও পড়ুন:

সেন্ট মার্টিন: ধ্বংসের প্রান্তসীমায় ক্ষীণ আশা

নারিকেল জিঞ্জিরা দ্বীপ বা সেন্ট মার্টিন আইল্যান্ড, যেটিকে প্রায়ই বাংলাদেশের ‘প্রবাল দ্বীপ’ নামে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়, আজ এক ভঙ্গুর বাস্তুতন্ত্র। কয়েক দশকের সরকারি অবহেলা, অনিয়ন্ত্রিত উন্নয়ন এবং পর্যটনের এই দ্বীপকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে। ব্যাপক বিশ্বাসের বিপরীতে বলা দরকার, প্রাকৃতিকভাবে এটি কোনো প্রবাল দ্বীপ নয়, এটি একটি প্রবাল বহনকারী বাস্তুতন্ত্র। অনন্য ভূতত্ত্ব ও জীববৈচিত্র্য দ্বীপটিকে একটি জাতীয় রত্ন করে তুলেছে। তবে সেই রত্ন এখন পদদলিত, যার বেশির ভাগ ক্ষতি এড়ানো সম্ভব ছিল।

১৯৮০ সালে যখন আমি প্রথমবারের মতো গবেষণার জন্য দ্বীপটিতে যাই, তখন সেখানে ছিল মাত্র তিন হাজার বাসিন্দা, একটি জরাজীর্ণ ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র এবং কয়েক শ শীতকালীন দর্শনার্থী। ছোট্ট একটি নৌকাঘাটে ছিল গুটিকয় দোকান নিয়ে একটি বাজার। কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সেন্ট মার্টিন তখন ছিল সাবরাং ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ড, এখন পুরোদস্তুর একটি ইউনিয়ন।

ডিম পাড়তে আসা জলপাইরঙা কাছিম

সম্পর্কিত নিবন্ধ