Risingbd:
2025-12-05@03:22:09 GMT

বড়দা মিঠুর ‘দেনা–পাওনা’

Published: 3rd, December 2025 GMT

বড়দা মিঠুর ‘দেনা–পাওনা’

নাটক ও সিনেমা—দুই পর্দায়ই ব্যস্ত সময় পার করছেন জনপ্রিয় অভিনেতা বড়দা মিঠু। প্রকৃত নাম মাহমুদুল হাসান মিঠু হলেও অভিনয় জগতে বড়দা মিঠু নামেই বেশি পরিচিত। বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের ভালোবাসা ও নির্মাতাদের আস্থা কুড়িয়েছেন এই অভিনেতা। 

বর্তমানে একাধিক সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন বড়দা মিঠু। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য শাকিব খান অভিনীত ও সাকিব ফাহাদ পরিচালিত ‘প্রিন্স’, বদিউল আলম খোকনের ‘তছনছ’ এবং সাদেক সিদ্দিকী পরিচালিত ‘দেনা–পাওনা’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প অবলম্বনে নির্মিত ‘দেনা–পাওনা’ সিনেমার শুটিং সম্প্রতি শেষ করেছেন তিনি। 

আরো পড়ুন:

আড়াল ভেঙে বিয়ের খবর দিলেন পরিচালক মিজানুর রহমান আরিয়ান

কুকুরছানা হত্যার ঘটনায় ক্ষুব্ধ তারকারা

সিনেমাটিতে তিনি অভিনয় করেছেন একজন জমিদারের চরিত্রে। অভিজ্ঞ এই অভিনেতা বলেন, “আমি জমিদারের চরিত্রে অভিনয় করেছি। দারুণ একটি গল্পে কাজের সুযোগ পেয়েছি। আর শাকিবের প্রিন্স সিনেমায় আমাকে দেখা যাবে নতুন একটি চরিত্রে। আশা করছি, আসন্ন আমার কাজগুলো দর্শকরা পছন্দ করবেন।” 

এ ছাড়া বড়দা মিঠুর আরো বেশ কয়েকটি সিনেমা ও নাটক মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। সবসময় চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে নিজেকে যুক্ত রাখতে চান এই দক্ষ অভিনেতা।

ঢাকা/রাহাত/শান্ত

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ট ভ ন টক চলচ চ ত র চর ত র

এছাড়াও পড়ুন:

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ বন্ধ করছে যুক্তর

যুক্তরাজ্যের নতুন অভিবাসন নীতির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ সীমিত করছে দেশটির বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যম ফিনান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, ভিসার অপব্যবহার এবং যুক্তরাজ্যের নতুন মানদণ্ড অনুযায়ী অন্তত ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখন এই দুটি দেশকে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করছে।

কিছু বিশ্ববিদ্যালয় পুরোপুরি এই দুই দেশের শিক্ষার্থী ভর্তি স্থগিত করেছে। আর কিছু প্রতিষ্ঠান শুধু স্নাতক পর্যায়ে আবেদন গ্রহণ বন্ধ রেখেছে। 

ফিনান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, হঠাৎ ওই দুই দেশের নাগরিকদের ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার বেড়ে যাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নয়টি বিশ্ববিদ্যালয় হলো— ইউনিভার্সিটি অব উলভারহ্যাম্পটন, সান্ডারল্যান্ড ও কোভেন্ট্রি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ইস্ট লন্ডন, ইউনিভার্সিটি অব হার্টফোর্ডশায়ার, লন্ডন মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয়, অক্সফোর্ড ব্রুকস বিশ্ববিদ্যালয়, বিপিপি ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব চেস্টার ও গ্লাসগো ক্যালেডোনিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়।

ভর্তির সুযোগ সীমিত করার মূল কারণ যুক্তরাজ্যের বেসিক কমপ্লায়েন্স অ্যাসেসমেন্টের (বিসিএ) নতুন নিয়ম। 

ফিনান্সিয়াল টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সেসব দেশকেই বিবেচনায় করতে হবে, যাদের ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার সর্বোচ্চ ৫ শতাংশের মধ্যে রাখতে হবে- যা আগে ছিল ১০ শতাংশ।

তবে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তানের ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার ১৮ শতাংশ এবং বাংলাদেশের ২২ শতাংশ, যা নতুন সীমার অনেক বেশি।

এসময়ে যুক্তরাজ্যের প্রত্যাখ্যাত ২৩ হাজার ৩৬টি আবেদনের একটি বড় অংশ এসেছে শুধু এই দুই দেশ থেকেই। পাশাপাশি কাজ বা শিক্ষা ভিসায় যুক্তরাজ্যে এসে পরবর্তীতে আশ্রয় আবেদন বৃদ্ধিও অন্যতম কারণ।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও এতে চাপের মুখে পড়েছে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা স্বল্প খরচের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আয়ের প্রধান উৎস। 

বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যে পড়তে যেতে আগ্রহী শিক্ষার্থীর সংখ্যা একেবারে কম না হলেও, নতুন নিয়ম, বাড়তি যাচাই-বাছাই ও অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে দেশটিতে উচ্চশিক্ষার সিদ্ধান্ত এখন আরো কঠিন হয়ে উঠবে।

ঢাকা/এস

সম্পর্কিত নিবন্ধ