মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিএস বিসিএস (পশুসম্পদ) ক্যাডার সার্ভিসে প্রবেশ পর্যায়ে নিয়োগের ক্ষেত্রে এবং উক্ত ক্যাডারে কর্মরত ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন (ডিভিএম) ও অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি (এএইচ) ডিগ্রিধারী কর্মকর্তাদের জন্য একটি সমন্বিত মেকআপ কোর্সের কারিকুলাম প্রণয়নের বিষয়ে মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। 

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বুধবার (৫ নভেম্বর) এ প্রজ্ঞাপন জারি করেন উপসচিব মুহা.

মাছুম বিল্লাহ।

আরো পড়ুন:

‘নৌপথ ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় যৌথ উদ্যোগে কাজ করবে নৌপরিবহন ও মৎস্য মন্ত্রণালয়’

মাছ রক্ষার জন্য মা মাছ ধরা বন্ধ করতে হবে: মৎস্য উপদেষ্টা

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়:

(ক) বিসিএস (পশুসম্পদ) ক্যাডার সার্ভিসের প্রবেশ পর্যায়ের সকল পদ সমন্বিত ডিগ্রিধারী (বি.এসসি ইন ভেটেরিনারি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি) গ্র্যাজুয়েট দ্বারা পূরণ করা হবে।

(খ) মাঠ পর্যায়ে প্রাণিসম্পদ উৎপাদন, প্রাণিস্বাস্থ্য ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমে আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিসিএস (পশুসম্পদ) ক্যাডারে কর্মরত ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন (ডিভিএম) এবং অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি (এএইচ) ডিগ্রিধারী কর্মকর্তাদের জন্য ৬ (ছয়) মাস মেয়াদি ৩০ ক্রেডিটের একটি সমন্বিত ইন-সার্ভিস প্রশিক্ষণ (মেকআপ) কোর্স চালু করা হবে।

(গ) বিসিএস (পশুসম্পদ) ক্যাডারে কর্মরত এবং উক্ত ইন-সার্ভিস প্রশিক্ষণ (মেকআপ) কোর্স সম্পন্নকারী সকল কর্মকর্তা বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল থেকে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে পারবেন।

ঢাকা/এএএম/মাসুদ

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ব স এস সমন ব ত ব স এস ম কআপ মৎস য

এছাড়াও পড়ুন:

থাইল্যান্ড: পরাধীনতাকে জয় করা এক জাতির গল্প

বিশ্বের মানচিত্রে বিজয়ের সংজ্ঞা সব সময় যুদ্ধক্ষেত্র বা বারুদের গন্ধে সীমাবদ্ধ থাকে না। কখনো কখনো বিজয় মানে হলো হাজারো ঝড়ের মধ্যেও মাথা নত না করা। আজ ৫ ডিসেম্বর, আমাদের প্রতিবেশী দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডের ‘জাতীয় দিবস’। একই সঙ্গে দিনটি উদ্‌যাপিত হয় দেশটির ‘ফাদার্স ডে’ বা বাবা দিবস হিসেবেও। কারণ, ১৯২৭ সালের এই দিনেই জন্ম নিয়েছিলেন থাইল্যান্ডের আধুনিক ইতিহাসের রূপকার প্রয়াত রাজা ভূমিবল অতুল্যতেজ (নবম রামা)।

ডিসেম্বর মাসের বিজয়ের গল্পে থাইল্যান্ডের নাম উঠে আসে এক অনন্য কারণে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসেবে থাইল্যান্ড (সাবেক নাম ‘শ্যামদেশ’) কখনোই ইউরোপীয় কোনো শক্তির উপনিবেশ ছিল না। যখন প্রতিবেশী মিয়ানমার, লাওস, কম্বোডিয়া বা ভিয়েতনাম ব্রিটিশ কিংবা ফরাসি শাসনের শৃঙ্খলে বন্দী ছিল, তখন থাইল্যান্ড তার কূটনৈতিক প্রজ্ঞা ও জাতীয় ঐক্যের জোরে স্বাধীন অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছিল। তাদের এই স্বাধীনতা রক্ষা করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় বিজয়। আর আধুনিক যুগে সেই স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে আগলে রাখার প্রতীক ছিলেন রাজা ভূমিবল।

থাইল্যান্ডের আধুনিক ইতিহাসের রূপকার রাজা ভূমিবল অতুল্যতেজ

সম্পর্কিত নিবন্ধ