কক্সবাজারের চকরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া পাঁচ নারীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৃথক দুইটি গ্রামে জানাজা শেষে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজায় শত শত মানুষ অংশ নেন।

এলাকাবাসী জানান, আজ সকাল ১০টায় চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার চান্দিশকরা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে তিন জনের এবং ফালগুনকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দুইজনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।  

আরো পড়ুন:

গাজীপুরে মহাসড়কে উল্টে পড়েছে ট্রাক, যানজটে দুর্ভোগ

নেত্রকোণায় বাসচাপায় অটোরিকশাচালক নিহত

এর আগে, বুধবার মধ্যরাতে তাদের মরদেহ চান্দিশকরা ও ফালগুনকরা গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। এ সময় প্রিয়জনদের নিথর দেহ দেখে পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। 

নিহতরা হলেন- চান্দিশকরা গ্রামের বাসিন্দা উদয় পাটোয়ারীর স্ত্রী ফারজানা মজুমদার লিজা (২৮), মা রুমি বেগম (৬৫), বোন সাদিয়া হক পাটোয়ারী (২৪), শাশুড়ি রিজওয়ানা মজুমদার শিল্পী (৫৫) ও শ্যালিকা ফারহানা মজুমদার টিজা (২৫)।

গত ৪ নভেম্বর রাতে ঢাকার উত্তরার বাসা থেকে কক্সবাজারের জন্য ভাড়া করা মাইক্রোবাসে রওনা দেন উদয় পাটোয়ারী, স্ত্রী ফারজানা মজুমদার লিজা, ছেলে সামাদ পাটোয়ারী, শ্যালিকা ফারহানা মজুমদার টিজা ও শ্যালক শাহেদ মজুমদার লিশান। রাত আড়াইটার দিকে চৌদ্দগ্রাম থেকে মা রুমি বেগম, বোন সাদিয়া হক পাটোয়ারী এবং শাশুড়ি রিজওয়ানা মজুমদার শিল্পীকে গাড়িতে তোলেন উদয় পাটোয়ারী।

বুধবার সকাল ৯টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালীর ঢালা এলাকায় বিপরীত থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে তাদের বহনকারী মাইক্রোবাসের সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলেই পাঁচজন মারা যায়। আহত হন উদয় পাটোয়ারী, তার ছেলে ও শ্যালক। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। আহতদের মধ্যে শাহেদ মজুমদার লিশানের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

ঢাকা/তারেকুর/মাসুদ

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর সড়ক দ র ঘটন ন হত উদয় প ট য় র

এছাড়াও পড়ুন:

মিরসরাইয়ে বিএনপির ২ পক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বিএনপি দুই পক্ষের সংঘর্ষে গাজী তাহমিদ খান (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সংঘর্ষে আহত হওয়ার পর রাত ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) মারা যান তিনি। 

জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী নাজমুল হক সংঘর্ষে একজন নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আরো পড়ুন:

হবিগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, ১৪৪ ধারা জারি 

নরসিংদীতে দু’পক্ষে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবক নিহত 

নিহত তাহমিদ উপজেলার বারইয়ারহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মো. আলমগীরের ছেলে। তিনি ছাত্রদল কর্মী ছিলেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার বিকেলে বারইয়ারহাট পৌর বাজারে একটি দোকানে পায়ের উপর পা তুলে বসে ছিলেন হিঙ্গুলী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের জুবায়ের। এসময় বারইয়ারহাট পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম লিটন সেখানে যান। তাকে দেখে জুবায়ের পা নামিয়ে না বসায় লিটন ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে লাথি মারেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতাণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে তারা সেখান থেকে চলে যান। পরে লিটন ও জুবায়ের জামালপুর ও হিঙ্গুলীর লোকজনদের নিয়ে সংঘর্ষে জড়ান। এ ঘটনায় ৮ থেকে ১০ জন আহত হন। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদের মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রাত ১২টার দিকে মারা যান তাহমিদ। 

জোরারগঞ্জ থানার ওসি কাজী নাজমুল হক বলেন, “সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে বিএনপির একই গ্রুপের দুটি পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে তাহমিদ নামে একজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।”

ঢাকা/রেজাউল/মাসুদ

সম্পর্কিত নিবন্ধ