‘অন্তরঙ্গ দৃশ্য’—এই শব্দ দুটিই আলোচনার জন্য যথেষ্ট। সিনেমায় অন্তরঙ্গ দৃশ্য থাকলে কখনো সেন্সর নিয়ে ঝামেলা হয়, কখনো আবার মুক্তির পরে শুরু হয় পক্ষে-বিপক্ষে তুমুল আলোচনা। অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিং নিয়ে অনেক ঘটনা আছে। অনেক অভিনেত্রী এ ধরনের দৃশ্য নিয়ে অস্বস্তির কথা জানিয়ে কেউ অভিযোগ করেছেন, শুটিংয়ে সহ–অভিনেতার বাড়াবাড়ির কথা। মিটু ঝড় শুরুর পর পশ্চিমা সিনেমা দুনিয়া পর্দায় অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিং ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটরের সাহায্য নেয়। তবে অস্কারজয়ী অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স জানালেন, নতুন সিনেমা ‘ডাই মাই লাভ’–এর অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিংয়ে কোনো ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটরের সাহায্য নেননি তিনি।

অভিনেত্রী জানিয়েছেন সহ-অভিনেতা রবার্ট প্যাটিনসনের সঙ্গে তিনি সম্পূর্ণ নিরাপদ বোধ করেছেন। লিন রামজি পরিচালিত এই সিনেমায় লরেন্স অভিনয় করেছেন এক নারীর ভূমিকায়, যিনি সন্তানের জন্মের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।
লরেন্স বলেন, ‘আমাদের কোনো ইনটিমেসি কো–অর্ডিনেটর ছিল না—অথবা থাকলেও আমরা তেমন ব্যবহার করিনি। আমি রবার্টের সঙ্গে খুবই নিরাপদ বোধ করেছি। সে মোটেও বিকৃতমনা নয়, বরং সুকি ওয়াটারহাউসের প্রেমে একেবারে মগ্ন। আমরা বেশির ভাগ সময় নিজেদের সন্তান আর সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেছি। কোনো অস্বস্তিকর ভাবই ছিল না।’

‘ডাই মাই লাভ’-এর দৃশ্য। আইএমডিবি.

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

থাইল্যান্ড: পরাধীনতাকে জয় করা এক জাতির গল্প

বিশ্বের মানচিত্রে বিজয়ের সংজ্ঞা সব সময় যুদ্ধক্ষেত্র বা বারুদের গন্ধে সীমাবদ্ধ থাকে না। কখনো কখনো বিজয় মানে হলো হাজারো ঝড়ের মধ্যেও মাথা নত না করা। আজ ৫ ডিসেম্বর, আমাদের প্রতিবেশী দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডের ‘জাতীয় দিবস’। একই সঙ্গে দিনটি উদ্‌যাপিত হয় দেশটির ‘ফাদার্স ডে’ বা বাবা দিবস হিসেবেও। কারণ, ১৯২৭ সালের এই দিনেই জন্ম নিয়েছিলেন থাইল্যান্ডের আধুনিক ইতিহাসের রূপকার প্রয়াত রাজা ভূমিবল অতুল্যতেজ (নবম রামা)।

ডিসেম্বর মাসের বিজয়ের গল্পে থাইল্যান্ডের নাম উঠে আসে এক অনন্য কারণে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসেবে থাইল্যান্ড (সাবেক নাম ‘শ্যামদেশ’) কখনোই ইউরোপীয় কোনো শক্তির উপনিবেশ ছিল না। যখন প্রতিবেশী মিয়ানমার, লাওস, কম্বোডিয়া বা ভিয়েতনাম ব্রিটিশ কিংবা ফরাসি শাসনের শৃঙ্খলে বন্দী ছিল, তখন থাইল্যান্ড তার কূটনৈতিক প্রজ্ঞা ও জাতীয় ঐক্যের জোরে স্বাধীন অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছিল। তাদের এই স্বাধীনতা রক্ষা করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় বিজয়। আর আধুনিক যুগে সেই স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে আগলে রাখার প্রতীক ছিলেন রাজা ভূমিবল।

থাইল্যান্ডের আধুনিক ইতিহাসের রূপকার রাজা ভূমিবল অতুল্যতেজ

সম্পর্কিত নিবন্ধ