রাঙামাটিতে রাস্তায় নেমে অটোরিকশায় হাতির আক্রমণ, দুই নারী নিহত
Published: 16th, November 2025 GMT
রাঙামাটি সদর উপজেলার জীবতলী এলাকায় রাস্তায় নেমে চলন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশার ওপর বন্য হাতির আক্রমণে দুই নারী নিহত হয়েছেন। আজ রোববার সন্ধ্যায় জীবতলী আগরবাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত দুজন হলেন ঝর্ণা চাকমা (৭০) ও সবিতা চাকমা (৮০)।
পাঁচজন যাত্রী নিয়ে রাঙামাটি থেকে জীবতলী চেয়ারম্যানপাড়ার পথে যাচ্ছিল অটোরিকশাটি। জীবতলী আগরবাগান এলাকায় পৌঁছালে বন থেকে হঠাৎ বেরিয়ে আসা একটি হাতি অটোরিকশার ওপর হামলা চালায়। এতে ঝর্ণা চাকমা ও সবিতা চাকমা গুরুতর আহত হন। একই সময়ে আহত হন সিএনজি অটোরিকশাচালক ত্রিজয় চাকমা (২৩)। অন্য দুই যাত্রী লাফিয়ে প্রাণে বাঁচেন।
রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের চিকিত্সক এ কে এম মশিয়ত উল্লাহ বলেন, সন্ধ্যা সাতটার দিকে আহত দুই নারীকে হাসপাতালে আনা হয়। এ সময় ঝর্ণা চাকমাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। গুরুতর আহত সবিতা চাকমাকে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছিল। আহত চালককে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
জীবতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুদত্ত চাকমা বলেন, হাতির আক্রমণে একজন রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে এবং আরেকজন চট্টগ্রামে নেওয়ার পথে মারা গেছেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এস এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, হাতির আক্রমণে একজন নিহতের তথ্য তাঁদের কাছে এসেছে। নিহত-আহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিহত ঝর্ণা চাকমার মেয়ে মিনা চাকমা ও রুনু চাকমা জানান, তাঁদের মা রাঙামাটি থেকে চেয়ারম্যানপাড়া যাওয়ার পথে হাতির আক্রমণের শিকার হন। তাঁরা বলেন, ঝর্ণা চাকমার সঙ্গে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারও পাওয়া যায়নি।
.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: জ বতল
এছাড়াও পড়ুন:
দুটি ডিমের খাঁচা উন্মোচন করল ২৪ বছর আগে পাওয়া অজ্ঞাত লাশের রহস্য
২০০১ সালের সেপ্টেম্বর মাস। কর্ণাটকের কোনানাকালু রিজার্ভ ফরেস্টে টহল দিচ্ছিলেন একজন বনরক্ষী। টহলের সময় তিনি জঙ্গলের ভেতর একজন পুরুষের লাশ দেখতে পান। তাৎক্ষণিক খবর দেন কর্তৃপক্ষকে।
এ ঘটনার প্রথম সূত্র পাওয়া যায় নিহত ব্যক্তির পকেট থেকে। সেখানে ছিল একটি পাসবুক আর একটি ফোন নম্বর। এগুলো দেখে ধারণা করা হয়, নিহত ব্যক্তি শিবামোগ্গার এক ব্যবসায়ী। কিন্তু খুব দ্রুতই সেই সূত্র অকার্যকর হয়ে পড়ে।
এরপর কেটে যায় বছরের পর বছর। কোনো ডিজিটাল তথ্য ছিল না। খুনিরা ব্যবহার করেছিলেন একটি এসটিডি ফোনবুথ আর ল্যান্ডলাইন। ফলে এ–সংক্রান্ত মামলাটি প্রায় নিশ্চিতভাবেই অমীমাংসিত থেকে যাবে বলে মনে হচ্ছিল।
প্রথম পাওয়া সূত্র অকার্যকর হয়ে যাওয়ার পর কেটে যায় বছরের পর বছর। কোনো ডিজিটাল তথ্য ছিল না। খুনিরা ব্যবহার করেছিলেন একটি এসটিডি ফোনবুথ আর ল্যান্ডলাইন। ফলে এ–সংক্রান্ত মামলাটি প্রায় নিশ্চিতভাবেই অমীমাংসিত থেকে যাবে বলে মনে হচ্ছিল।সময় এগিয়ে আসে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর। খুনের ওই ঘটনায় পুরোনো ফাইল আবার খোলা হয়। খতিয়ে দেখা হয় অন্তত ছয়টি জেলায় ছড়িয়ে থাকা অনেকগুলো ফোনবুথের কল রেকর্ড। কর্ণাটক পুলিশের তদন্তকারীরা শেষ পর্যন্ত রহস্যের জট খুলতে সক্ষম হয়েছেন।
ডিমের খাঁচার প্রতীকী ছবি