বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ নিতে হাসপাতালে গিয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যান তিনি।

এসময় মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম বলেন, “খালেদা জিয়া একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। জাতির এই ক্রান্তিকালে তার উপস্থিতি প্রয়োজন। বিএনপির নেতাকর্মী ও তার পরিবারের প্রতি আমাদের সহমর্মিতা জানাচ্ছি।” 

পরে হাসপাতালে উপস্থিত বিএনপি নেতৃবৃন্দ এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে খালেদা জিয়ার শারীরিক পরিস্থিতি জানেন মুফতি ফয়জুল করীম। তিনি বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য ও নেক হায়াত কামনা করে মহান আল্লাহ দরবারে মোনাজাত করেন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব ও দলের মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এবং যুগ্মমহাসচিব মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ।

 

ঢাকা/রায়হান/শাহেদ 

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

২০ বছর আগে বিল গেটসের ঢাকা সফর ও বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ

আজ থেকে ২০ বছর আগে ২০০৫ সালের ৫ ডিসেম্বর বিশ্বের শীর্ষ সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট করপোরেশনের তৎকালীন চেয়ারম্যান ও প্রধান সফটওয়্যার আর্কিটেক্ট বিল গেটস ঢাকা সফরে আসেন। স্ত্রী (সাবেক) মেলিন্ডা গেটসকে সঙ্গে নিয়ে সকাল সাড়ে সাতটায় তিনি ঢাকায় অবতরণ করেন। ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা, শিশুস্বাস্থ্যে সহযোগিতার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। সেই কাজের অংশ হিসেবে বিল গেটস ঢাকা আসেন।

ঢাকায় ব্র্যাকের বেশ কিছু প্রকল্প এলাকা বিল গেটস পরিদর্শন করেন। আইসিডিডিআরবির গবেষণাকেন্দ্রের কাজ দেখেন তিনি। সেদিন দুপুরের পর বিল গেটস তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। এরপর বিকেলে তখনকার শেরাটন হোটেলে (বর্তমান ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ঢাকা) কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠক করেন তিনি। বিল গেটসের উপস্থিতিতে সে সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে মাইক্রোসফটের ‘পার্টনারস-ইন-লার্নিং’ সমঝোতা চুক্তি সই হয়। শেরাটন হোটেলে সংবাদ সম্মেলন ও সুধী সমাবেশে বিল গেটস জানান, তাঁদের পরবর্তী অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ভিস্তা ও অফিস-১২ সফটওয়্যারে বাংলাদেশের বাংলা যোগ হচ্ছে।

বিল গেটস তখন এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বাংলাদেশের মতো উদীয়মান বাজারে ডিজিটাল বৈষম্য দূর করতে এবং সফটওয়্যার শিল্পের বিকাশে এই অগ্রগতি দেখে আমি আনন্দিত।’ বাংলাদেশের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ওসমান ফারুক তখন বিবিসিকে জানান, মাইক্রোসফটের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি অনুসারে ২০০৫-২০০৮ সাল পর্যন্ত তিন বছরে ১০ হাজার শিক্ষক ও ২ লাখ শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বিল গেটস ভারতের দিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। ঢাকায় বিল গেটসের প্রায় ১২ ঘণ্টার এই সফর দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে তখন নতুন উৎসাহের সৃষ্টি করেছিল। ২০০৪ সালে ঢাকায় মাইক্রোসফট বাংলাদেশ অফিস চালু হয়েছিল।

সূত্র: প্রথম আলো

সম্পর্কিত নিবন্ধ