কুমিল্লার বুড়িচং থানায় কর্মরত এক পুলিশ সদস্য হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।

শনিবার (৮ নভেম্বর) সকালে পার্শ্ববর্তী দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. আশরাফ (৪৩)। তিনি বুড়িচং থানাধীন দেবপুর পুলিশ ফাঁড়িতে কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার সিমরাইল গ্রামে। তিনি মৃত কামরুল ইসলামের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম প্রধান। 

তিনি বলেন, “কনস্টেবল আশরাফ সারারাত ডিউটিতে ছিলেন। সকালে অসুস্থতা অনুভব করলে চিকিৎসার জন্য দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্দেশে রওনা হন। পথিমধ্যে তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”

এ বিষয়ে বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজিজুল হক বলেন, “নিহতের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। মরদেহ কুমিল্লা পুলিশ লাইনে নেওয়া হবে। সেখানে শ্রদ্ধা জানিয়ে পরবর্তীতে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”

ঢাকা/রুবেল

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর সদস য

এছাড়াও পড়ুন:

১০০ পৃষ্ঠার কম মুক্তিযুদ্ধের পাঁচ অনবদ্য উপন্যাস

দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে গভীর তাৎপর্যবাহী ঘটনা। এই বিশাল প্রেক্ষাপটকে সামগ্রিকভাবে উপলব্ধির জন্য বৃহৎ পরিসরের উপন্যাসের পাশাপাশি অপেক্ষাকৃত ছোট আকারের উপন্যাসগুলোর পাঠও অপরিহার্য।

এই ক্ষুদ্র কলেবরের আখ্যানগুলো পাঠককে কোনো বিস্তৃত যুদ্ধগাথার ভার না চাপিয়ে, একটি বিশেষ মুহূর্তের কিংবা নির্দিষ্ট চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক সংকটের গভীরে প্রবেশ করতে সাহায্য করে। ফলস্বরূপ, এক দিনে বা এক বসায় এই উপন্যাসসমূহ পাঠ করে মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতা, মানবিক বিপর্যয়, সাধারণ মানুষের টিকে থাকার সংগ্রাম এবং আত্মত্যাগ; এই সবকিছুর মর্ম সহজে উপলব্ধি করা সম্ভব হয়।

নিচে মুক্তিযুদ্ধের ওপর ভিন্ন ভিন্ন দিক থেকে আলো ফেলা পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাসের প্রসঙ্গ উত্থাপন করা হলো, যা চাইলে আপনার পাঠতালিকায় রাখা যেতে পারে।

১. জাহান্নম হইতে বিদায় (১৯৭১) শওকত ওসমান (১৯১৭–১৯৯৮)

সম্পর্কিত নিবন্ধ