শিল্প বিপ্লব মানুষের জীবন যাপনের ধরণ অনেকাংশে পাল্টে দিয়েছে। বিশেষ করে মানুষ সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে শেখে। শিল্প বিপ্লবের সময়কালে ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ডে একটি পেশা শুরু হয়, যার নাম আপার নকার।
এই পেশার সদস্যরা শ্রমিকদের ঘুম ভাঙিয়ে কাজে যাওয়ার ব্যবস্থা করতেন। তারা ভোরবেলা ক্লায়েন্টদের বাড়ির জানালার কাছে বা দরজায় যেতেন। এরপর একটি লম্বা লাঠি, নরম হাতুড়ি বা মটরদানা ছুড়ে দিতেন জানালা বরাবর। যতক্ষণ না বাড়ির লোকটির ঘুম ভাঙত তারা শব্দ করেই যেতেন।
আরো পড়ুন:
যে সিনেমা বাঁচিয়েছিলো ছয় জনের প্রাণ
বিকেলের নাস্তায় থাকুক ‘মিষ্টি কুমড়ার স্যুপ’
তবে তারা খুব জোরে শব্দ করতেন না, যাতে আশেপাশের অন্যদের ঘুমের ব্যাঘাত না ঘটে। এই কাজের জন্য তারা মাসিক বেতন পেতেন।
১৯৪০ ও ১৯৫০-এর দশকে এই পেশা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং ১৯৭০-এর দশকের শুরুর দিকে অ্যালার্ম ঘড়ির প্রচলন বাড়ার সাথে সাথে এই পেশাটি ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যায়।
ঢাকা/লিপি
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
অসুস্থ প্রভাতকে দেখতে গেলেন এনসিপির নেতারা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও নিউ জেনারেশন্স বাংলাদেশ (এনজিবি)’র আহ্বায়ক মোঃ মেহরাব হোসেন প্রভাত কয়েকদিন ধরে অসুস্থ।
গত সোমবার (৮ই ডিসেম্বর) তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে দীর্ঘ ৪ দিন রাজধানীর মগবাজারে ইনসাফ বারাকাহ কিডনি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বর্তমানে চিকিৎসকের পরামর্শে বাসায় বেড রেস্টে রয়েছেন । মেহরাব হোসেন প্রভাত তার রোগমুক্তির জন্য সকলের নিকট দোয়া ও সুস্থতা কামনা করেছেন।
এদিকে রোববার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরে মেহরাব হোসেন প্রভাতকে দেখতে যান জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এনসিপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এড. আব্দুল্লাহ আল আমিন। সাথে ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার সাবেক আহ্বায়ক ও জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক কবি নিরব রায়হান, নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবশক্তির মুখ্য সংগঠক রাইসুল ইসলাম রিফাত, নারায়নগঞ্জ জেলার এনসিপির সিনিয়র সদস্য সোহেল খান সিদ্দিক, আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
এসময় এডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন মেহরাব হোসেন প্রভাতে শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নেন। এবং দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।