খুলনার খালিশপুর থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও শেখ পরিবারের ঘনিষ্ঠ কাজী ফয়েজ মাহমুদকে গ্রেপ্তার করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। 

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) ভোর রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে খুলনায় নেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ওসি তৈমুর ইসলাম বলেন, “কাজী ফয়েজকে আমরা গত কয়েকদিন ধরে খুঁজছিলাম। গোয়েন্দা সংবাদ মারফত জানতে পারলাম তিনি ঢাকার বসুন্ধরায় অবস্থান করছেন। এমন সংবাদ পেয়ে বসুন্ধরায় ভাড়া করা বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে খুলনার খালিশপুর থানায় নাশকতাসহ একাধিক মামলা ও অভিযোগ রয়েছে।”

পু‌লিশ জানায়, বিগত সরকারের আমলে তার বিরু‌দ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে তিনি শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ সোহেলের বন্ধু পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিজের প্রভাব বিস্তার করতেন।

ঢাকা/নুরুজ্জামান/এস

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ত র কর

এছাড়াও পড়ুন:

সিদ্ধিরগঞ্জে হেরোইন ও ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

সিদ্ধিরগঞ্জে পৃথক দুটি স্থানে বিশেষ অভিযান চালিয়ে হেরোইন ও ইয়াবাসহ চিহ্নিত তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে আদমজী বিহারী ক্যাম্প এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, রহিম (৪২) মানিক (৩২) জনু (৩০) তারা সকলেই সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী বিহারী ক্যাম্প এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদকবিরোধী অভিযান ও ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটি চলাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, শিমুলপাড়া বিহারী ক্যাম্প এলাকার নিপা স্টোরের সামনে পাকা রাস্তার ওপর মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে ওই কারবারিরা অবস্থান করছিল।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলেও তাদের কৌশলে আটক করা হয়। তল্লাশির সময় রহিম ও মানিকের কাছ থেকে ২০০ পুরিয়া হেরোইন এবং জনুর কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত এই মাদকের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৭৬ হাজার টাকা।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহাম্মদ আব্দুল বারিক এ বিষয়ে বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা এই এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় আছে। আমরা এই এলাকাকে মাদক ও অপরাধমুক্ত করার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

তিনি আরও বলেন, কেবল অভিযান চালিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এর জন্য আমাদের সামাজিক সচেতনতা ও এলাকার সাধারণ মানুষের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। অভিভাবক এবং স্থানীয়দের অনুরোধ করব, আপনাদের সন্তান বা এলাকার কেউ যেন এই ধ্বংসাত্মক পথে না যায়, সেদিকে নজর রাখুন।

জনগণের সহায়তায় আমরা সমাজ থেকে মাদক নামের এই অভিশাপকে সমূলে উৎপাটন করব। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ