নীলফামারীর ডোমার থেকে কায়াক চালিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফে যাচ্ছি
Published: 8th, November 2025 GMT
ঘোরাঘুরি-ছোটাছুটি আমার এক গভীর ভালো লাগার জায়গা। পড়াশোনা গোল্লায় গেল কি শিকেয় উঠল, না ভেবেই ছোটবেলা থেকে এসবে আমার টান। আর এই ভালোবাসার পালে হাওয়া লাগাত প্রিয় কিছু পত্রিকা-ম্যাগাজিন, তারই একটি প্রথম আলো।
প্রতি সপ্তাহের শনিবার ‘ছুটির দিনে’র পাতায় নানা কিসিমের মানুষের গল্প আর অচেনা গন্তব্য যেন আমাকে নতুন এক জগতে নিয়ে যেত। মনে হতো, আমি যেন সেই লেখকের সঙ্গেই ঘুরে আসছি পাহাড়, সমুদ্র কিংবা কোনো ঐতিহাসিক প্রান্ত। এই ক্রোড়পত্রটির বিভিন্ন সংখ্যার সঙ্গে আমার অনেক স্মৃতি।
কৈশোরের সেই প্রিয় ক্রোড়পত্র এখন আমারই অভিযানের সহযোগী! আমার এবারের অভিযানের নাম ‘তিস্তা থেকে টেকনাফ’। নীলফামারীর ডোমার উপজেলা থেকে কায়াক চালিয়ে যমুনা, পদ্মা, মেঘনা ও বঙ্গোপসাগর হয়ে কক্সবাজারের টেকনাফে যাব। গত ১৮ অক্টোবর তিস্তায় কায়াকিং শুরু করে আজ ২০তম দিনে আছি পদ্মা নদীতে, ঢাকার দোহারের মৈনটঘাট এলাকায়। এভাবেই এগোতে থাকব।
গত জুনে উত্তাল পদ্মায় কায়াক চালিয়েছেন ইনতিয়াজ মাহমুদ.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
ডিবিতে থাকা আনিস আলমগীর বললেন, ‘জিম থেকে আমাকে নিয়ে আসা হয়েছে’
সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনিস আলমগীর প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘ধানমণ্ডি এলাকার একটি জিম থেকে আমাকে নিয়ে আসা হয়। ডিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাঁদের প্রধান আমার সঙ্গে কথা বলবেন।’
আজ রোববার রাতে সাড়ে ৮টার কিছুক্ষণ পরে আনিস আলমগীরের মোবাইলে ফোন করা হলে তিনি ডিবি কার্যালয় থেকে প্রথম আলোকে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাঁকে ধানমন্ডি থেকে আনা হয়। আটটার দিকে তারা ডিবি কার্যালয়ে পৌঁছান। তখন থেকে অপেক্ষায় রয়েছেন। তাঁর সঙ্গে তখন পর্যন্ত ডিবি প্রধানের কথা হয়নি।
জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আনিস আলমগীর দৈনিক আজকের কাগজসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে টেলিভিশন টকশোতে নানা বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় ছিলেন তিনি।
আনিস আলমগীরকে কেন ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হলো, তা জানতে ডিবির তিন কর্মকর্তাকে ফোন করা হয়েছিল। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের কারও কাছ থেকে সাড়া পাওয়া যায়নি।
ডিবির বক্তব্য পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।