সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও প্রভাষক পদে ছয়জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদনের শেষ তারিখ ২০ নভেম্বর ২০২৫।

১. পদের নাম: অধ্যাপক

বিভাগ ও পদসংখ্যা: মলিকুলার বায়োলজি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (০১)

বেতন স্কেল: ৫৬,৫০০-৭৪,৪০০ টাকা।

২. পদের নাম: সহযোগী অধ্যাপক

বিভাগ ও পদসংখ্যা: বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিস্ট্রি বিভাগ (০১)

অ্যানিমেল ও ফিশ বায়োটেকনোলজি বিভাগ (০১)

প্ল্যান্ট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল বায়োটেকনোলজি (০১)

ডেইরিবিজ্ঞান (০১)

বেতন স্কেল: ৫০,০০০-৭১,২০০ টাকা।

৩.

পদের নাম: প্রভাষক

বিভাগ ও পদসংখ্যা: কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (০১)

বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।

আরও পড়ুনসহকারী শিক্ষক ১০,২১৯ পদে আবেদন শুরু, দেখুন নির্দেশনা, পদ্ধতি ও শর্তগুলো৩৬ মিনিট আগেআবেদনের নিয়ম

অগ্রাহী প্রার্থীদের নির্ধারিত ফরম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিস থেকে সংগ্রহ অথবা http://www.sau.ac.bd থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

নির্ধারিত ফরমে ১০ কপি দরখাস্ত ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রেজিস্ট্রার, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট বরাবর জমা দিতে হবে। সব পদের ক্ষেত্রে আবেদন করতে নির্ধারিত ফরম সরাসরি সংগ্রহের জন্য ১০০ টাকা (রূপালী ব্যাংক পিএলসি, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, সিলেট-৩১০০)–এর সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর-২০৪–এ জমা প্রদানের রশিদ রেজিস্ট্রার অফিসে দাখিল করতে হবে। ডাকযোগে আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে হলে রূপালী ব্যাংকের যেকোনো শাখা থেকে রূপালী ব্যাংক পিএলসি, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, সিলেট-৩১০০–এর সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর-২০৪–এর অনুকূলে সব পদের জন্য ১০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট/পে–অর্ডারসহ ১৫ টাকা মূল্যের অব্যবহৃত ডাক টিকেট ও নিজস্ব ঠিকানাসংবলিত ফেরত খাম পাঠাতে হবে এবং ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা ফরমের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ১০০ টাকা অতিরিক্ত ব্যাংক ড্রাফট/পে–অর্ডার পাঠাতে হবে।

আরও পড়ুনসহকারী শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি, পদ ১০ হাজার ২১৯, প্রথম ধাপে ৬ বিভাগে ০৫ নভেম্বর ২০২৫

আবেদন ফি: ১০০০ টাকা।

রেজিস্ট্রার, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেটের অনুকূলে ব্যাংক ড্রাফট/পে–অর্ডার রূপালী বাংক পিএলসি, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, সিলেট-৩১০০ দরখাস্তের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।

আবেদনের শেষ তারিখ: ২০ নভেম্বর ২০২৫

আবেদনের নিয়ম

১. প্রার্থীর পদের নাম খামের ওপর উল্লেখ করতে হবে।

২. অভ্যন্তরীণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলযোগ্য।

৩. নিয়োগের ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ প্রার্থীগণ অগ্রাধিকার পাবেন।

৪. শিক্ষাক্ষেত্রের সব স্তরে প্রথম শ্রেণি/সিজিপিএ–৩.৫০/সমমান থাকতে হবে।

বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন এই ওয়েবসাইটে।

আরও পড়ুনসিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন গ্রেডে নিয়োগ, পদসংখ্যা ১৯০৬ নভেম্বর ২০২৫

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: পদ র ন ম পদস খ য

এছাড়াও পড়ুন:

ভবিষ্যতে ভ্যাট নিবন্ধন ছাড়া কেউ ব্যবসা করতে পারবেন না: এনবিআর চেয়ারম্যান

দেশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সিংহভাগ এখনো ভ্যাট নিবন্ধনের বাইরে। এই পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, ভবিষ্যতে কেউ চাইলেও ভ্যাট নিবন্ধন ছাড়া ব্যবসা করতে পারবেন না।

পর্যায়ক্রমে ভ্যাট নিবন্ধন ৩০ থেকে ৪০ লাখে উন্নীত করা হবে। আজ মঙ্গলবার সকালে রাজস্ব ভবনে জাতীয় ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ উদ্‌যাপনবিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন আবদুর রহমান খান।

আগামীকাল বুধবার ভ্যাট দিবস উপলক্ষে ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে ভ্যাট সপ্তাহ উদ্‌যাপিত হবে। এ বছরের ভ্যাট দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সময়মতো নিবন্ধন নিব, সঠিকভাবে ভ্যাট দিব’।

সংবাদ সম্মেলনে এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেন, ১০ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশব্যাপী বিশেষ নিবন্ধন অভিযান চালানো হবে। এর মাধ্যমে এক লাখ নতুন ভ্যাট নিবন্ধন দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে এটা ৩০ থেকে ৪০ লাখে উন্নীত করা হবে।

সেই সঙ্গে আবদুর রহমান খান বলেন, এক ক্লিকেই ভ্যাট দেওয়ার পদ্ধতি চালু করা হবে। কিছু বৃহৎ প্রতিষ্ঠান এখন এক ক্লিকেই ভ্যাট দিচ্ছে বলে জানান তিনি।

বর্তমানে দেশে ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৬ লাখ ৪৪ হাজার। এ বছর ৪০ লাখ ই-রিটার্ন জমা পড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন আবদুর রহমান খান।

এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেন, ‘আজ পর্যন্ত ২২ লাখ ই-রিটার্ন জমা পড়েছে। আমরা অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি। ভবিষ্যতে ই-রিটার্ন জমার সঙ্গে ব্যাংকের সমন্বয় করা হবে। ই-রিটার্ন জমার দেওয়ার সময় ব্যাংকসংক্রান্ত চারটি তথ্য দিতে হয়। সে জন্য করদাতাদের ব্যাংকের কাছে যেতে হয়। বিষয়টি স্বয়ংক্রিয় করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, সেটা হলে করদাতাদের ভোগান্তি কমবে। মানুষের মধ্যে অবশ্য ভুল ধারণা আছে যে রাজস্ব কর্মকর্তারা এ তথ্য দেখতে পারবেন, বাস্তবে তা হয় না।’

রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধিবিষয়ক প্রশ্নের জবাবে আবদুর রহমান খান বলেন, ‘রাজস্ব আদায় বাড়ানোর জন্যই লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হয়েছে। তবে কোনো অবস্থায় যেন হয়রানি বা জুলুম করা না হয়, সেটা আমরা নিশ্চিত করব। মূলত যাঁরা রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছেন, তাঁদের কাছ থেকেই আমরা রাজস্ব আদায়ের জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

এবারও ভ্যাট পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে না বলে জানান আবদুর রহমান খান। এর নীতিমালা নিয়ে কাজ হচ্ছে বলে জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে এনবিআরের সদস্য (মূসক নীতি) মো. আজিজুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সম্পর্কিত নিবন্ধ