বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েন চায় না বলে জানিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘কথা বলার ক্ষেত্রে মনোযোগী হওয়ার’ আহ্বান জানিয়েছেন।

ভারতের নেটওয়ার্ক১৮ গ্রুপের প্রধান সম্পাদক রাহুল যোশীকে দেওয়া একান্ত আলাপনে রাজনাথ সিং এ কথা বলেন। শুক্রবার এই গ্রুপের সংবাদমাধ্যম ফার্স্টপোস্টের প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

রাজনাথ সিং বলেন, নয়াদিল্লি বাংলাদেশের সঙ্গে ‘উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক’ চায় না এবং অধ্যাপক ইউনূসের উচিত, তিনি কী বলছেন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ভারত যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম, যদিও আমাদের লক্ষ্য প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা।’

ফার্স্টপোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন নোবেল পুরস্কারজয়ী অধ্যাপক ইউনূস। শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন।

.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: র জন থ স

এছাড়াও পড়ুন:

সিদ্ধিরগঞ্জে হেরোইন ও ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

সিদ্ধিরগঞ্জে পৃথক দুটি স্থানে বিশেষ অভিযান চালিয়ে হেরোইন ও ইয়াবাসহ চিহ্নিত তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে আদমজী বিহারী ক্যাম্প এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, রহিম (৪২) মানিক (৩২) জনু (৩০) তারা সকলেই সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী বিহারী ক্যাম্প এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদকবিরোধী অভিযান ও ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটি চলাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, শিমুলপাড়া বিহারী ক্যাম্প এলাকার নিপা স্টোরের সামনে পাকা রাস্তার ওপর মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে ওই কারবারিরা অবস্থান করছিল।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলেও তাদের কৌশলে আটক করা হয়। তল্লাশির সময় রহিম ও মানিকের কাছ থেকে ২০০ পুরিয়া হেরোইন এবং জনুর কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত এই মাদকের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৭৬ হাজার টাকা।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহাম্মদ আব্দুল বারিক এ বিষয়ে বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা এই এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় আছে। আমরা এই এলাকাকে মাদক ও অপরাধমুক্ত করার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

তিনি আরও বলেন, কেবল অভিযান চালিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এর জন্য আমাদের সামাজিক সচেতনতা ও এলাকার সাধারণ মানুষের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। অভিভাবক এবং স্থানীয়দের অনুরোধ করব, আপনাদের সন্তান বা এলাকার কেউ যেন এই ধ্বংসাত্মক পথে না যায়, সেদিকে নজর রাখুন।

জনগণের সহায়তায় আমরা সমাজ থেকে মাদক নামের এই অভিশাপকে সমূলে উৎপাটন করব। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ