রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন দুই দিনের সফরে পাবনায় গেছেন। আজ শনিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে তিনি হেলিকপ্টারে পাবনায় পৌঁছান। এ সময় তাঁকে স্বাগত জানান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার মোরতোজা আলী খান। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজ জেলায় এটি তাঁর পঞ্চম সফর।

রাষ্ট্রপতির প্রটোকল অফিসার আবুল কালাম লুৎফর রহমানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, পাবনায় পৌঁছার পর সার্কিট হাউসে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি। পরে শহরের কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাঁর মা–বাবার কবর জিয়ারত করেন। সেখান থেকে নিজ বাড়িতে অবস্থান করে নিকট আত্মীয় ও স্বজনদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন তিনি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি মো.

সাহাবুদ্দিন জেলার সার্কিট হাউসে রাত যাপন করবেন। সফরের শেষ দিন আগামীকাল রোববার সকালে সার্কিট হাউসে গার্ড অব অনার গ্রহণ শেষে হেলিকপ্টারে রাজধানী ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি।
মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: র ষ ট রপত প বন য় গ রহণ

এছাড়াও পড়ুন:

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা, ঘটনার বিবরণে যা লিখেছেন বাদী

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাতে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলাটি করা হয়।

মামলার বাদী আ জ ম আজিজুল ইসলাম। স্ত্রী লায়লা আফরোজ (৪৮) ও মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজ (১৫) হত্যার ঘটনায় মামলাটি করেন তিনি। মামলায় কথিত গৃহকর্মী মোছা. আয়েশাকে (২০) আসামি করা হয়েছে।

মামলা হওয়ার এই তথ্য আজ মঙ্গলবার দুপুরের পর প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মোহাম্মদপুর অঞ্চলের সহকারী কমিশনার আবদুল্লাহ আল মামুন।

গতকাল দুপুরের দিকে মোহাম্মদপুরের একটি বাসা থেকে মা-মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, গতকাল সকাল ৭টা ৫১ মিনিট থেকে ৯টা ৩৫ মিনিটের মধ্যে যেকোনো সময় এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

মামলায় বাদী আজিজুল লিখেছেন, তিনি পেশায় একজন শিক্ষক। মোহাম্মদপুরে পরিবার নিয়ে থাকেন। চার দিন আগে উল্লিখিত আসামি তাঁর বাসায় খণ্ডকালীন গৃহকর্মী হিসেবে কাজ শুরু করেন। গতকাল সকাল ৭টার দিকে তিনি (আজিজুল) তাঁর কর্মস্থল উত্তরায় চলে যান। কর্মস্থলে থাকাকালে তিনি তাঁর স্ত্রীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। পরে তিনি বেলা ১১টার দিকে বাসায় আসেন। এসে দেখতে পান, তাঁর স্ত্রীর গলাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কাটা। স্ত্রী রক্তাক্ত-জখম হয়ে মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন। আর মেয়ের গলার নিচে ডান পাশে কাটা। মেয়ে গুরুতর অবস্থায় বাসার প্রধান ফটকে পড়ে আছে। মেয়ের এই অবস্থা দেখে তিনি দ্রুত তাকে উদ্ধার করেন। পরিচ্ছন্নতাকর্মী আশিকের মাধ্যমে মেয়েকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

মামলায় আজিজুল আরও লিখেছেন, তিনি বাসার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করেন। এতে তিনি দেখতে পান, আসামি সকাল ৭টা ৫১ মিনিটের সময় কাজ করার জন্য বাসায় আসেন। সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটের সময় আসামি তাঁর (বাদী) মেয়ের স্কুল ড্রেস পরে বাসা থেকে পালিয়ে যান। যাওয়ার সময় একটি মোবাইল, একটি ল্যাপটপ, স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থসহ অন্যান্য মূলবান সামগ্রী নিয়ে যান আসামি।

আরও পড়ুনগৃহকর্মী এসেছিলেন বোরকা পরে, বেরিয়ে যান স্কুল ড্রেস গায়ে১৬ ঘণ্টা আগে

মামলায় বাদী লিখেছেন, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তিনি নিশ্চিত হন যে, অজ্ঞাত কারণে আসামি তাঁর (বাদী) স্ত্রী ও মেয়েকে ছুরি বা অন্য কোনো ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর জখম করে হত্যা করেন।

মা-মেয়ে হত্যার আসামিকে (গৃহকর্মী) শনাক্ত করা যায়নি বলে আজ বেলা সোয়া ১১টার দিকে প্রথম আলোকে জানান মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন। তিনি বলেন, গৃহকর্মীর পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।

আরও পড়ুনমোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যায় এখনো কাউকে শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ২ ঘণ্টা আগে

সম্পর্কিত নিবন্ধ