পবিত্র রমজান মাসের প্রথম থেকেই রাজধানীর মিরপুরে প্যারিস রোড মাঠ বন্ধ করে শুরু হয় মেলার স্টল বানানোর প্রস্তুতি। বেচাবিক্রি শুরু হয় রমজান মাসের মাঝামাঝি থেকে। ঈদুল ফিতরের পরও চলছিল সেই মেলা। ঈদের পর ৫ এপ্রিল ওই মেলাসহ ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকার অবৈধ মেলা নিয়ে ‘মাঠ, পার্ক ও রাস্তা দখল করে মেলা’ শিরোনামে প্রথম আলোতে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপরও মেলা বন্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার ওই মাঠে অভিযান চালিয়ে মেলাটি উচ্ছেদ করেছে তারা।

মেলার আয়োজক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, মেলা চলার কথা ছিল গতকাল সোমবার পয়লা বৈশাখের দিন পর্যন্ত। আজ ধীরে ধীরে মালপত্র সরিয়ে নেওয়ার কথা ছিল ব্যবসায়ীদের। এরপর আয়োজকদের ভাড়া দেওয়া ডেকোরেটর প্রতিষ্ঠানই অস্থায়ীভাবে বানানো ওই সব স্টলের কাঠ, বাঁশ, টিন, ত্রিপল খুলে ফেলত।

মেলা আয়োজনের বিষয়ে জানতে চাইলে ৫ এপ্রিল পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেছিলেন, মেলা করতে ৩১ মার্চ পর্যন্ত ১৫ দিনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। আয়োজকেরা নতুন করে আরও ১৫ দিনের (১৫ এপ্রিল পর্যন্ত) অনুমতি চেয়েছে।

প্রায় দেড় মাস মাঠ বন্ধ রেখে সবার চোখের সামনে অবৈধভাবে মেলা চালানো হলেও তা উচ্ছেদ করেনি সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ। তাই মেলার মেয়াদ শেষে উচ্ছেদ অভিযান চালানো নিয়ে প্রশংসা না করতে ঢাকা উত্তর সিটির উচ্ছেদ অভিযানের একটি লাইভ শেয়ার করেছেন মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের বাসিন্দা ইমরান খান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইমরান খান লিখেছেন, ‘যাঁরা সিটি করপোরেশন এবং এর প্রশাসকের প্রশংসায় মাতোয়ারা তাঁদের বলছি, প্যারিস রোডের মেলাটি মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ভাঙা হয়েছে।’

একটি গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদ দেখেছেন জানিয়ে ওই বাসিন্দা আরও লেখেন, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও সিটি করপোরেশন এই মেলার অনুমতি দেয়নি। তাহলে মেলাটি সফলভাবে শেষ হলো কীভাবে?’

উচ্ছেদ অভিযান শুরু হলে দোকান থেকে পণ্য সরিয়ে নেন একজন ব্যবসায়ী। ঢাকা, ১৫ এপ্রিল.

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

তিন সাংবাদিকের চাকুরিচ্যুতির ঘটনায় ডিআরইউ’র উদ্বেগ

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সদস্য সাংবাদিক রফিকুল বাসার, মুহাম্মদ ফজলে রাব্বি ও মিজানুর রহমানসহ কয়েকজন সংবাদকর্মীর চাকরিচ্যুতির ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে ডিআরইউ।

বুধবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষে সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল সংবাদকর্মীদের চাকুরিচ্যুতির ঘটনায় এ উদ্বেগ জানান।

উল্লেখ্য, চ্যানেল আই’র সাংবাদিক রফিকুল বাসার, এটিএন বাংলার মুহাম্মদ ফজলে রাব্বি ও দীপ্ত টিভির সাংবাদিক মিজানুর রহমানকে মঙ্গলবার কোনো রকম পূর্ব নোটিশ ছাড়াই চাকরিচ্যুত করে কর্তৃপক্ষ।

ডিআরইউ নেতৃবৃন্দ তিন সাংবাদিককে চাকরিচ্যুতির কারণ ব্যাখ্যা করার দাবি জানিয়েছেন।

এএএম//

সম্পর্কিত নিবন্ধ