বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কন্ট্যাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্কো) যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়্যারে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান প্রিয় ইনকরপোরেশনের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে বাক্কো সদস্যরা সহজে ও দ্রুত আন্তর্জাতিক লেনদেন করতে পারবেন। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

চুক্তি সই করেন প্রিয় ইনকরপোরেশন প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা পাইক ইকবাল হোসেন ও বাক্কোর সহসভাপতি মো.

তানজিরুল বাসার। এই কৌশলগত অংশীদারত্ব বাংলাদেশে বিপিও ও ডিজিটাল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য নিরাপদ, কার্যকর ও সাশ্রয়ী আন্তর্জাতিক লেনদেনমাধ্যম প্রিয় পে চালু হবে। এখন বাক্কোর সদস্য প্রতিষ্ঠান বিশেষ সুবিধা হিসেবে এক বছরের জন্য বিনা মূল্যে মার্কিন ডলারিভিত্তিক হিসাব ও অর্থ কোনো চার্জ ছাড়া লেনদেনের সুবিধা পাবে। সর্বোচ্চ ১০টি পর্যন্ত ব্যবসায়িক ডেবিট কার্ড বিনা মূল্যে প্রদান করা হবে। এই উদ্যোগ বাংলাদেশের বিপিও ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেনকে আরও স্বচ্ছ ও নির্বিঘ্ন করবে বলে জানিয়েছে বাক্কো।

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: ল নদ ন

এছাড়াও পড়ুন:

বুরকিনা ফাসো: সততার জমিনে বিজয়ের নিশান

বিজয় মানে কি শুধুই মানচিত্রে একটি দাগ টানা, নাকি নিজের পরিচয়কে বুক চিতিয়ে বিশ্বদরবারে তুলে ধরা? আজ ১১ ডিসেম্বর, পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোর জাতীয় দিবস (National Day)। ১৯৫৮ সালের এই দিনে তৎকালীন ‘আপার ভোল্টা’ ফরাসি ঔপনিবেশিক শাসনের অধীন থেকে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রজাতন্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এই দিন তাদের পূর্ণ স্বাধীনতার ভিত্তি স্থাপন করেছিল, যা অর্জিত হয় ১৯৬০ সালে।

তবে বুরকিনা ফাসোর বিজয়ের গল্পটা একটু আলাদা। দেশটির আসল বিজয় লুকিয়ে আছে এর নামের ভেতরেই। একসময় যার নাম ছিল আপার ভোল্টা, ১৯৮৪ সালে বিপ্লবী নেতা থমাস সানকারা তার নাম পরিবর্তন করে রাখেন ‘বুরকিনা ফাসো’। স্থানীয় মোরে ও দিউলা ভাষায় যার অর্থ, ‘সৎ মানুষের দেশ’ বা ‘Land of Incorruptible People’। একটি জাতি কতটা আত্মমর্যাদাশীল হলে নিজের দেশের নাম রাখতে পারে ‘সততার দেশ’!

১১ ডিসেম্বরের এই দিন বুরকিনা ফাসোর মানুষের কাছে পরাধীনতার শিকল ভাঙার প্রথম পদক্ষেপ। ফরাসিরা যখন আফ্রিকার সম্পদ লুণ্ঠনে ব্যস্ত ছিল, তখন এ অঞ্চলের মানুষ তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে আঁকড়ে ধরে রেখেছিল। আজকের দিনে রাজধানী ওয়াগাদুগুতে বর্ণিল কুচকাওয়াজ হয়, যেখানে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষ তাদের ঐতিহ্যবাহী মুখোশ আর পোশাক পরে অংশ নেয়। সাহেল অঞ্চলের রুক্ষ প্রকৃতিতেও যেন এদিন উৎসবের রং লাগে।

বুরকিনা ফাসোর প্রেসিডেন্ট ছিলেন থমাস সানকারা, তিনি ‘আফ্রিকার চে’ নামে পরিচিত ছিলেন

সম্পর্কিত নিবন্ধ