রাজধানীতে এক মাসে ১ লাখ ২৫ হাজার ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণ
Published: 6th, November 2025 GMT
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) গত এক মাসে নগরজুড়ে মোট ১ লাখ ২৫ হাজার অবৈধ ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণ করেছে।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) নগর ভবনে ‘ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণ কার্যক্রম’ বিষয়ক এক বিভাগীয় পর্যালচনা সভা শেষে ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ এই তথ্য জানান।
আরো পড়ুন:
চট্টগ্রামকে গ্রিন ও ক্লিন সিটি করা হবে: মেয়র
চট্টগ্রাম সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন: মেয়র
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, “গত এক মাসে আমরা প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণ করেছি। অনুরোধ করছি, দয়া করে শহরটিকে ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে আর নোংরা করবেন না। আমাদের নগরকর্মীদের জন্য এটি অত্যন্ত কষ্টসাধ্য কাজ।”
সভায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১০টি অঞ্চলের ৫২টি ওয়ার্ডে পরিচালিত ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণ কার্যক্রমের বিস্তারিত পরিসংখ্যান উপস্থাপন করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অঞ্চল-৩ এ সর্বাধিক ২৯ হাজার ৪৪১টি ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণ করা হয়েছে। এছাড়া অঞ্চল-২ থেকে প্রায় ২৫ হাজার, অঞ্চল-৪ থেকে ১৮ হাজার, অঞ্চল-৫ থেকে ১২ হাজার এবং অঞ্চল-৯ থেকে প্রায় ১১ হাজার ব্যানার ও ফেস্টুন উচ্ছেদ করা হয়েছে।
গত মাস থেকেই ডিএনসিসি নগরের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৩০টি স্থানে বিনামূল্যে পোস্টার লাগানোর জন্য নির্ধারিত স্থান ঘোষণা করে। এরপরই অবৈধভাবে স্থাপিত ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন অপসারণে একযোগে অভিযান শুরু করে ডিএনসিসি।
ডিএনসিসির আওতাধীন ১০টি অঞ্চলের ৫২টি ওয়ার্ডে মাসব্যাপী এ অভিযান পরিচালিত হয়। শহর পরিচ্ছন্নতার এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে ডিএনসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ঢাকা/আসাদ/সাইফ
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর পর ব শ ড এনস স ২৫ হ জ র ড এনস স
এছাড়াও পড়ুন:
দেশের ফুটবলের উন্নয়ন সহযোগী বিএসআরএম
হামজা চৌধুরী-শমিত শোমদের আগমনে বদলে যাচ্ছে দেশের ফুটবল। এ বদলে যাওয়া সময়ে ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে একের পর এক পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান। সেই তালিকায় এবার যোগ হলো দেশের শীর্ষস্থানীয় ইস্পাত ও নির্মাণসামগ্রী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিএসআরএম। প্রথমবারের মতো ১০ বছরের জন্য বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) উন্নয়ন-সহযোগী হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। গতকাল বুধবার বাফুফে ভবনে দুই পক্ষে আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়েছে।
চক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাফুফের সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘এটা আমাদের জন্য খুবই খুশির সংবাদ। ১০ বছর আমরা বিএসআরএমকে ফুটবলের অংশীদার হিসেবে পেয়েছি। বাফুফেতে কখনো এত দীর্ঘ মেয়াদে কোনো অংশীদার ছিল না। বিএসআরএম স্থায়িত্ব, নিরাপত্তা ও শক্তিশালীকরণ নীতিতে বিশ্বাসী। বাফুফের সঙ্গে তাদের এই বৈশিষ্ট্য দারুণভাবে মিলে গেছে।’
ফুটবলের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পেরে খুশি বিএসআরএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমের আলীহোসাইন। তিনি জানিয়েছেন নিজেদের লক্ষ্যের কথা। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিএসআরএম এক নম্বর ব্র্যান্ড, ফুটবল বিশ্বের এক নম্বর খেলা। বাংলাদেশের মেয়েরা ভালো করছে, সম্প্রতি ছেলেরাও উন্নতি করছে। আমরা বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে দেখতে চাই। আমাদের খেলাধুলা অনেকটা ঢাকাকেন্দ্রিক। আমরা চাই সারা দেশে ফুটবল আরও গোছালোভাবে হোক, বিকেন্দ্রীকরণ হোক, সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ুক। তাহলে সারা দেশ থেকে অনেক ফুটবলার উঠে আসবে।’
বিএসআরএমের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির অর্থ পরিচালক জোহাইর তাহের, পরিচালক আব্দুল কাদির জোহাইর এবং বিটপী অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সারাহ আলী।
চুক্তির আর্থিক অঙ্কের বিষয়টি প্রকাশ করেনি কোনো পক্ষই। তবে বাফুফের সহসভাপতি ফাহাদ করিম জানান, এ চুক্তির আওতায় বাফুফের কোচদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, টেকনিক্যাল কার্যক্রম, এলিট একাডেমিসহ দেশের ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবে বিএসআরএম।