Risingbd:
2025-12-05@02:12:35 GMT

‘কেজিএফ’ অভিনেতা মারা গেছেন

Published: 6th, November 2025 GMT

‘কেজিএফ’ অভিনেতা মারা গেছেন

‘কেজিএফ’ সিনেমা খ্যাত কন্নড় অভিনেতা হরিশ রায় মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই অভিনেতা। তার বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর। ইন্ডিয়া টুডে এ খবর প্রকাশ করেছে।  

এ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এক বছরের বেশি সময় ধরে থাইরয়েড ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন হরিশ রায়। তার ক্যানসারের স্টেজ ছিল—৪। পাকস্থলীসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়েছিল। বেঙ্গালুরুর কিদওয়াই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন, সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। 

আরো পড়ুন:

যবিপ্রবিতে বাতাস হলেই বিদ্যুৎ চলে যায়, অভিযোগ শিক্ষার্থীদের

যবিপ্রবি প্রক্টরের বিরুদ্ধে ওঠা মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন

হরিশ রায় তার শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে সংবাদমাধ্যমে কথা বলেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, প্রতিটি সার্কেলে তিনটি ইনজেকশন প্রয়োজন ছিল তার। যেখানে একটি ইনজেকশনের দাম ৩ লাখ ৫৫ হাজার রুপি। এক সার্কেলের মোট খরচ দাঁড়াত ১০ লাখ ৫০ হাজার রুপি। অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের ১৭-২০টি ইনজেকশনের প্রয়োজন হতো, যার ফলে চিকিৎসার আনুমানিক খরচ প্রায় ৭০ লাখ রুপিতে পৌঁছেছিল। সেই ব্যয় বহন করতে গিয়ে তার পরিবার হিমশিম খাচ্ছিল। 

অভিনয় ক্যারিয়ারে কন্নড়, তামিল ও তেলেগু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন হরিশ। ক্যারিয়ারজুড়ে অনেক জনপ্রিয় চরিত্র রূপায়ন করেছেন। তবে ‘কেজিএফ’ সিনেমায় কাশিম চাচা চরিত্রে অভিনয় করে আলাদাভাবে পরিচিতি লাভ করেন এই অভিনেতা।  

হরিশ রায় অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে—‘সামারা’, ‘বেঙ্গালুরু আন্ডারওয়ার্ল্ড’, ‘ওম’, ‘রাজ বাহাদুর’, ‘সঞ্জু ওয়েডস গীতা’, ‘স্বয়ংবর’, ‘নল্লা’ প্রভৃতি।

ঢাকা/শান্ত

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর যশ চলচ চ ত র

এছাড়াও পড়ুন:

থাইল্যান্ড: পরাধীনতাকে জয় করা এক জাতির গল্প

বিশ্বের মানচিত্রে বিজয়ের সংজ্ঞা সব সময় যুদ্ধক্ষেত্র বা বারুদের গন্ধে সীমাবদ্ধ থাকে না। কখনো কখনো বিজয় মানে হলো হাজারো ঝড়ের মধ্যেও মাথা নত না করা। আজ ৫ ডিসেম্বর, আমাদের প্রতিবেশী দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডের ‘জাতীয় দিবস’। একই সঙ্গে দিনটি উদ্‌যাপিত হয় দেশটির ‘ফাদার্স ডে’ বা বাবা দিবস হিসেবেও। কারণ, ১৯২৭ সালের এই দিনেই জন্ম নিয়েছিলেন থাইল্যান্ডের আধুনিক ইতিহাসের রূপকার প্রয়াত রাজা ভূমিবল অতুল্যতেজ (নবম রামা)।

ডিসেম্বর মাসের বিজয়ের গল্পে থাইল্যান্ডের নাম উঠে আসে এক অনন্য কারণে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসেবে থাইল্যান্ড (সাবেক নাম ‘শ্যামদেশ’) কখনোই ইউরোপীয় কোনো শক্তির উপনিবেশ ছিল না। যখন প্রতিবেশী মিয়ানমার, লাওস, কম্বোডিয়া বা ভিয়েতনাম ব্রিটিশ কিংবা ফরাসি শাসনের শৃঙ্খলে বন্দী ছিল, তখন থাইল্যান্ড তার কূটনৈতিক প্রজ্ঞা ও জাতীয় ঐক্যের জোরে স্বাধীন অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছিল। তাদের এই স্বাধীনতা রক্ষা করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় বিজয়। আর আধুনিক যুগে সেই স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে আগলে রাখার প্রতীক ছিলেন রাজা ভূমিবল।

থাইল্যান্ডের আধুনিক ইতিহাসের রূপকার রাজা ভূমিবল অতুল্যতেজ

সম্পর্কিত নিবন্ধ