৪১১ রানের টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মাত্র ৩ রানে হারল উইন্ডিজ
Published: 6th, November 2025 GMT
প্রথম ম্যাচ ৭ রানে জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আজ বৃস্পতিবার (০৬ নভেম্বর) দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে সিরিজে আরও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল ক্যারিবিয়ানদের সামনে। কিন্তু ৫ উইকেট হারিয়ে নিউ জিল্যান্ডের করা ২০৭ রানের জবাবে সফরকারীরা থামে ৮ উইকেটে ২০৪ রানে। তাতে ৪১১ রানের এই টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মাত্র ৩ রানে হার মানে ড্যারেন স্যামির শিষ্যরা।
রান তাড়া করে শূন্য রানেই উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এরপর ৯৩ রানেই হারিয়ে বসে ৬ উইকেট। সেখান থেকে দলকে ২০৪ রান পর্যন্ত নিয়ে যান রোভম্যান পাওয়েল, রোমারিও শেফার্ড ও ম্যাথিউ ফোর্ড। পাওয়েল মাত্র ১৬ বলে ১টি চার ও ৬ ছক্কায় ৪৫ রান করেন। শেফার্ড ১৬ বলে ১ চার ও ৪ ছক্কায় করেন ৩৪। আর ফোর্ড ১৩ বলে ২ চার ও ২ ছক্কায় করেন অপরাজিত ২৯ রান।
আরো পড়ুন:
টিকনারের ঝলমলে প্রত্যাবর্তনে নিউ জিল্যান্ডের সিরিজ জয়
নারী বিশ্বকাপে জয়ে শুরু অস্ট্রেলিয়ার
তাদের আগে অ্যালিক অ্যাথানেজ ২ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৩ ও শেই হোপ ২ চার ও ১ ছক্কায় ২৪ রান করেন।
বল হাতে নিউ জিল্যান্ডের মিচেল স্যান্টনার ৪ ওভারে ৩১ রানে ৩টি ও ইশ সোধি ৪ ওভারে ৩৯ রানে ৩টি উইকেট নেন।
তার আগে নিউ জিল্যান্ডের ইনিংসে মার্ক চ্যাপম্যান করেন সর্বোচ্চ ৭৮ রান। ২৮ বলে খেলা তার ঝড়ো ইনিংসে ৬টি চার ও ৭টি ছক্কার মার ছিল। এছাড়া টিম রবিনসন ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৩৯, ড্যারিল মিচেল ২ চার ও ১ ছক্কায় অপরাজিত ২৮ ও স্যান্টনার ২ ছক্কায় অপরাজিত ১৮ রান করেন।
বল হাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রোস্টন চেস ৪ ওভারে ৩৩ রানে ২টি উইকেট নেন। ৭৮ রানের পাশাপাশি ৩টি ক্যাচ নিয়ে ম্যাচসেরা হন চ্যাপম্যান।
ঢাকা/আমিনুল
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর উইন ড জ ক র ক ট ছক ক য় ইন ড জ ন কর ন উইক ট
এছাড়াও পড়ুন:
সেন্ট মার্টিন: ধ্বংসের প্রান্তসীমায় ক্ষীণ আশা
নারিকেল জিঞ্জিরা দ্বীপ বা সেন্ট মার্টিন আইল্যান্ড, যেটিকে প্রায়ই বাংলাদেশের ‘প্রবাল দ্বীপ’ নামে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়, আজ এক ভঙ্গুর বাস্তুতন্ত্র। কয়েক দশকের সরকারি অবহেলা, অনিয়ন্ত্রিত উন্নয়ন এবং পর্যটনের এই দ্বীপকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে। ব্যাপক বিশ্বাসের বিপরীতে বলা দরকার, প্রাকৃতিকভাবে এটি কোনো প্রবাল দ্বীপ নয়, এটি একটি প্রবাল বহনকারী বাস্তুতন্ত্র। অনন্য ভূতত্ত্ব ও জীববৈচিত্র্য দ্বীপটিকে একটি জাতীয় রত্ন করে তুলেছে। তবে সেই রত্ন এখন পদদলিত, যার বেশির ভাগ ক্ষতি এড়ানো সম্ভব ছিল।
১৯৮০ সালে যখন আমি প্রথমবারের মতো গবেষণার জন্য দ্বীপটিতে যাই, তখন সেখানে ছিল মাত্র তিন হাজার বাসিন্দা, একটি জরাজীর্ণ ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র এবং কয়েক শ শীতকালীন দর্শনার্থী। ছোট্ট একটি নৌকাঘাটে ছিল গুটিকয় দোকান নিয়ে একটি বাজার। কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সেন্ট মার্টিন তখন ছিল সাবরাং ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ড, এখন পুরোদস্তুর একটি ইউনিয়ন।
ডিম পাড়তে আসা জলপাইরঙা কাছিম