ঠাকুরগাঁও-২ আসনে (বালিয়াডাঙ্গী, হরিপুর ও রানীশংকৈল উপজেলার আংশিক) দল থেকে কাউকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে হরিপুর উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীরা এ কর্মসূচি পালন করেন।

৩ নভেম্বর রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের ২৩৭ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। তখন ঠাকুরগাঁও-২ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। যেসব আসনে বিএপির প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি, সেখানে দলটির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে বলে আলোচনা আছে।

ঠাকুরগাঁও-২ আসনে দলীয় কাউকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার বিএনপির নেতা–কর্মীরা উপজেলার শহীদ মিনার চত্বরে জড়ো হন। পরে বেলা ১১টার দিকে সেখানে মানববন্ধন করেন তাঁরা। সে সময় তাঁরা ‘অবৈধ প্রার্থী, মানি না মানব না’, ‘ধানের শীষের প্রার্থী চাই, দিতে হবে’—এমন স্লোগান দিতে থাকেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জোটের কারণে ২০০১ সাল থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে জামায়াতে ইসলামীকে ছাড় দিতে বাধ্য হয়েছে বিএনপি। এতে যোগ্য নেতারা প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তাঁরা মনে করেন, এবারও যদি শরিক দলকে আসনটি ছেড়ে দেওয়া হয়, তবে তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের মধ্যে হতাশা দেখা দেবে। এতে সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়বে। এই আসনে উপযুক্ত প্রার্থী না পেলে বিএনপির মহাসচিবকে প্রার্থী হওয়ার অনুরোধও জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো.

জামাল উদ্দিন, হরিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুল হামিদ, ডাঙ্গীপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজুয়ানুল হক বিশ্বাস, ভাতুরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মনোয়ার হোসেন, গেদুড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহিরুল ইসলাম, হরিপুর উপজেলা যুবদলের সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. আকতারুজ্জামান।

পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলা শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: উপজ ল

এছাড়াও পড়ুন:

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় আইন ও সালিশ কেন্দ্রের ১৫ দফা দাবি

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে জনগণের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) ১৫ দফা দাবি তুলে ধরেছে।

১০ ডিসেম্বর (আজ বুধবার) আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস। এ উপলক্ষে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে মানবাধিকার সংগঠনটি। এ সময় জনগণের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সংগঠনটি ১৫ দফা দাবি তুলে ধরেছে।‎

‎কর্মসূচিতে অংশ নেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) কর্মকর্তা-কর্মচারী, তাঁদের পরিবার এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) ‘স্পিক আপ’ প্রকল্পের তরুণেরা। এই ‎মানববন্ধন কর্মসূচিতে দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করা হয়।

বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৪৮ সালের এ দিনে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র গ্রহণ করে। এ ঘোষণার মাধ্যমে স্বীকৃত হয়, মানবাধিকার সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। জন্মস্থান, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, বিশ্বাস, অর্থনৈতিক অবস্থা কিংবা শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্বিশেষে মানবাধিকার সর্বজনীন ও সবার জন্য সমান। প্রত্যেক মানুষ জন্মগতভাবেই এসব অধিকার লাভ করেন।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) উপদেষ্টা মাবরুক মোহাম্মদ বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসের বাইরে গিয়েও প্রতিদিনই মানবাধিকার বিষয়ে জাগ্রত ও সোচ্চার থাকতে চাই। আইন ও সালিশ কেন্দ্র কখনো মানবাধিকার বিষয়ে কারও কাছে মাথা নত করেনি, কারও সঙ্গে আপস করেনি। যেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে, সেখানেই আইন ও সালিশ কেন্দ্র সব সময় সোচ্চারভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছে।’

নারী অধিকারের বিষয়ে আইন ও সালিশ কেন্দ্র প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে সংস্থার এই উপদেষ্টা মাবরুক মোহাম্মদ আরও বলেন, ‘আইনের ক্ষেত্রে অনেক উন্নতি হয়েছে কিন্তু নারী ও শিশুর প্রত্যয়ী সহিংসতাগুলো বন্ধ হয়নি। এটি নিয়েও আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে এই মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। আজ বুধবার, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • আওয়ামী লীগ আমলে গুমের শিকার তিন ছাত্রদল নেতার সন্ধান চেয়ে মানববন্ধন
  • জবিতে নিখোঁজ ৩ ছাত্রদল নেতার সন্ধানে মানববন্ধন
  • এক ডাক্তারের বদলি বাতিল, আরেকজনের অপসারণ চাইলেন চাটমোহরবাসী
  • বাস্তবের ‘জীবন নিয়ে খেলা’
  • মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় আইন ও সালিশ কেন্দ্রের ১৫ দফা দাবি
  • পঞ্চগড়ে নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন
  • ভাইকে তো পাব না, অন্তত বিচার যদি পাই: বিশ্বজিতের ভাই
  • সাগরে নিখোঁজ ছাত্র অরিত্রকে উদ্ধারে অভিযান শুরুর দাবি