আড়াইহাজারে ভাবি ও ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে সাদিকুর রহমান নামের এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আড়াইহাজারের উজান গোবিন্দী এলাকার মো. মোবারক হোসেনের ছেলে সাদিকুর রহমান ওরফে সাদি (২৭)। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ মো. আবু শামীম আজাদ এই রায় দেন।

কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো.

কাইউম খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,  ২০২২ সালে ২ জুলাই রাতে সাদিকুর তার ভাবি রাজিয়া সুলতানা কাকলীর কাছে টাকা ধার চায়। এসময় রাজিয়া টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে সাদিকুরকে তাকে ধারালো বঁটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।

পরে রাজিয়া (৪৩) ঘুমন্ত ছেলে তালহাকেও (৮) কুপিয়ে হত্যা করে আলমারিতে রাখা স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় পরদিন নিহত রাজিয়ার মা তাসলিমা বাদি হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় মামলা দায়ের করে। পরে মামলার তদন্তে দেবর সাদিকুরের সংশ্লিটা পাওয়া যায়।

এরপর তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। বিচার কাজ শেষ করে আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
 

উৎস: Narayanganj Times

কীওয়ার্ড: হত য ন র য়ণগঞ জ

এছাড়াও পড়ুন:

সেন্ট মার্টিন: ধ্বংসের প্রান্তসীমায় ক্ষীণ আশা

নারিকেল জিঞ্জিরা দ্বীপ বা সেন্ট মার্টিন আইল্যান্ড, যেটিকে প্রায়ই বাংলাদেশের ‘প্রবাল দ্বীপ’ নামে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়, আজ এক ভঙ্গুর বাস্তুতন্ত্র। কয়েক দশকের সরকারি অবহেলা, অনিয়ন্ত্রিত উন্নয়ন এবং পর্যটনের এই দ্বীপকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে। ব্যাপক বিশ্বাসের বিপরীতে বলা দরকার, প্রাকৃতিকভাবে এটি কোনো প্রবাল দ্বীপ নয়, এটি একটি প্রবাল বহনকারী বাস্তুতন্ত্র। অনন্য ভূতত্ত্ব ও জীববৈচিত্র্য দ্বীপটিকে একটি জাতীয় রত্ন করে তুলেছে। তবে সেই রত্ন এখন পদদলিত, যার বেশির ভাগ ক্ষতি এড়ানো সম্ভব ছিল।

১৯৮০ সালে যখন আমি প্রথমবারের মতো গবেষণার জন্য দ্বীপটিতে যাই, তখন সেখানে ছিল মাত্র তিন হাজার বাসিন্দা, একটি জরাজীর্ণ ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র এবং কয়েক শ শীতকালীন দর্শনার্থী। ছোট্ট একটি নৌকাঘাটে ছিল গুটিকয় দোকান নিয়ে একটি বাজার। কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সেন্ট মার্টিন তখন ছিল সাবরাং ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ড, এখন পুরোদস্তুর একটি ইউনিয়ন।

ডিম পাড়তে আসা জলপাইরঙা কাছিম

সম্পর্কিত নিবন্ধ