৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসকে সামনে রেখে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা স্বনির্ভর বাংলাদেশের রূপকার মহান স্বাধীনতার ঘোষক বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রূহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন প্রাইম গ্রুপের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজ সেবক আবু জাফর আহমেদ বাবুল।

বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের খানপুর এলাকায় অবস্থিত দারুস সালাম এতিমখানায় এই দোয়ার আয়োজন করেন তিনি। দোয়া শেষে এতিমখানার এতিম শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।

এসময় বাবুলের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ১২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ বরকতউল্লাহ, সহ-সভাপতি মাহবুব হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বাবু। এছাড়াও স্থানীয়দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আরিফ, কবির, মামুন সহ আরো অনেকে। 

মাহফিলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও জনাব তারেক রহমানের জন্য দোয়া কামনা করা হয়।

.

উৎস: Narayanganj Times

কীওয়ার্ড: ন র য়ণগঞ জ জ য় উর রহম ন রহম ন র

এছাড়াও পড়ুন:

সেন্ট মার্টিন: ধ্বংসের প্রান্তসীমায় ক্ষীণ আশা

নারিকেল জিঞ্জিরা দ্বীপ বা সেন্ট মার্টিন আইল্যান্ড, যেটিকে প্রায়ই বাংলাদেশের ‘প্রবাল দ্বীপ’ নামে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়, আজ এক ভঙ্গুর বাস্তুতন্ত্র। কয়েক দশকের সরকারি অবহেলা, অনিয়ন্ত্রিত উন্নয়ন এবং পর্যটনের এই দ্বীপকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে। ব্যাপক বিশ্বাসের বিপরীতে বলা দরকার, প্রাকৃতিকভাবে এটি কোনো প্রবাল দ্বীপ নয়, এটি একটি প্রবাল বহনকারী বাস্তুতন্ত্র। অনন্য ভূতত্ত্ব ও জীববৈচিত্র্য দ্বীপটিকে একটি জাতীয় রত্ন করে তুলেছে। তবে সেই রত্ন এখন পদদলিত, যার বেশির ভাগ ক্ষতি এড়ানো সম্ভব ছিল।

১৯৮০ সালে যখন আমি প্রথমবারের মতো গবেষণার জন্য দ্বীপটিতে যাই, তখন সেখানে ছিল মাত্র তিন হাজার বাসিন্দা, একটি জরাজীর্ণ ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র এবং কয়েক শ শীতকালীন দর্শনার্থী। ছোট্ট একটি নৌকাঘাটে ছিল গুটিকয় দোকান নিয়ে একটি বাজার। কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সেন্ট মার্টিন তখন ছিল সাবরাং ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ড, এখন পুরোদস্তুর একটি ইউনিয়ন।

ডিম পাড়তে আসা জলপাইরঙা কাছিম

সম্পর্কিত নিবন্ধ