দেশের অন্যতম মুঠোফোন অপারেটর বাংলালিংকের ‘মাই বিএল সুপার অ্যাপ’ গুগল প্লে স্টোরে ৪.৭ স্টার রেটিং অর্জন করেছে। বাংলালিংক বলছে, এটিই দেশের টেলিকম অ্যাপগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ রেটিং।

বাংলাদেশের কোটি গ্রাহক নির্বিঘ্ন সংযোগ, বিনোদন, ডিজিটাল পেমেন্ট এবং জীবনযাপনভিত্তিক নানা সেবার জন্য এই অ্যাপটির ওপর নির্ভর করেন উল্লেখ করে বাংলালিংক বলছে, এই মাইলফলক অর্জন অ্যাপটির প্রতি তাদের আস্থারই প্রতিফলন।

সাধারণ সেলফ-কেয়ার অ্যাপ হিসেবে যাত্রা শুরু করা ‘মাইবিএল সুপার অ্যাপ’ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ লাইফস্টাইল প্ল্যাটফর্মে রূপান্তরিত হয়েছে। ব্যবহারকারীরা এখন অ্যাকাউন্ট পরিচালনা থেকে শুরু করে চাহিদা অনুযায়ী প্যাকেজ কেনা, পেমেন্ট প্রদান, পছন্দমতো বিনোদন উপভোগ করা, বিশেষ অফার ও সুবিধা গ্রহণ—সবকিছুই এই একটি সহজ ও ব্যবহারবান্ধব অ্যাপের মাধ্যমেই করতে পারেন। বাংলালিংকের এই রূপান্তর অপারেটরটির গ্রাহককেন্দ্রিক মনোভাবের প্রতিফলন। ব্যবহারকারীর মতামত ও প্রতিক্রিয়ার ভিত্তিতে বাংলালিংক প্রতিনিয়ত তাদের অ্যাপের স্থিতিশীলতা বৃদ্ধিতে এবং সহজ ডিজিটাল অভিজ্ঞতা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে।

এ অর্জন প্রসঙ্গে বাংলালিংকের চিফ ডিজিটাল অফিসার (সিডিও) গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘গুগল প্লে স্টোরে সর্বোচ্চ রেটিং অর্জন আমাদের জন্য শুধু একটি প্রযুক্তিগত সাফল্য নয়, এটি গ্রাহকের ভালোবাসা ও আস্থার প্রতিফলন।’ তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, প্রকৃত উদ্ভাবন তখনই অর্থবহ হয়, যখন তা মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনে এবং তাদের প্রয়োজনের সঙ্গে প্রযুক্তিকে যুক্ত করে। মাইবিএল অ্যাপের এই সাফল্য আমাদের সেই বিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করেছে।’

.

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

বায়ুদূষণ রোধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি

‘ঝরাপাতা প্রজ্বলন বন্ধ করুন’ স্লোগানকে সামনে রেখে পরিবেশ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে নির্মল বায়ু এবং বাসযোগ্য সবুজ ক্যাম্পাস বিনির্মাণের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আরবরিকালচার সেন্টার, ডাকসু, গ্রিন ফিউচার ফাউন্ডেশন এবং পরিবেশ সংসদ যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

আরবরিকালচার সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ এবং পরিবেশ সংসদের সাধারণ সম্পাদক শেখ রাশেদ কামাল অনিক। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট ম্যানেজারসহ বিভিন্ন হল, বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও মালী উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, ‘‘পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টি একটি নির্দিষ্ট অনুষ্ঠান কিংবা দিবসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যায় না। এটি একটি অভ্যাস। পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়কে আমাদের প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। পরিবেশ ও প্রকৃতিকে ভালোবেসে এক্ষেত্রে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’’

পরিবেশ রক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, মল চত্বরের সবুজায়ন, শতবর্ষী গাছ চিহ্নিতকরণ, পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল সংরক্ষণসহ আমরা বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে চলেছি। গত বছরের মতো এবারো নববর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে আতশবাজি না করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। ঝরাপাতা প্রজ্বলন বন্ধের ক্ষেত্রেও সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

উপাচার্য আরো বলেন, পরিবেশ রক্ষা আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার অংশ। এক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। সেই সঙ্গে ভালো কাজের জন্য পুরস্কার ও মন্দ কাজের জন্য তিরস্কারের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান।

ঢাকা/সৌরভ/রাজীব

সম্পর্কিত নিবন্ধ