জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সিদ্ধিরগঞ্জে মৎস্যজীবী দলের আলোচনা সভা
Published: 7th, November 2025 GMT
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা মৎস্যজীবী দল। িশুক্রবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সিদ্ধিরগঞ্জ থান মৎস্যজীবী দলীয় কার্যালয় এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের নেতা মোহাম্মদ জনি পাঠানের সঞ্চালনা ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর মৎস্যজীবী দলের নেতা মো.
এ সম আরো উপস্থিত ছিলেন, জি এম সোহেল, মো. রহিম বাদশা, মো. শাকিল, মো. সবুজ, মো. জনি ইসলাম, মো. আনিস দেওয়ান, মো. কবির, মো. আবুল কালাম, মো. আলী, মো. আলী, মো. বাধন, মো. শাহিন, মো. ইমরান, মো.গোলজার হোসেন, মো. সালাউদ্দিন, মো. বাবুল হোসেন, মো. মিজান, মো. ইকবাল, মো, রাসেল, মো. জাহিদ, মো. মিজান সহ দলীয় নেতা-কর্মী।
এ সময় প্রধান বক্তা বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর আধিপত্যবাদী চক্রের ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার দৃঢ় প্রত্যয়ে সিপাহি-জনতা রাজপথে নেমে এসেছিল। ৩ থেকে ৬ নভেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত দেশে এক শ্বাসরুদ্ধকর অনিশ্চিত অবস্থা বিরাজ করছিল। হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছিল আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব। সেদিন সিপাহি জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের মাধ্যমেই রক্ষা পায় সদ্য অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা।
তিনি আরো বলেন, জাতীয় জীবনে ৭ নভেম্বর এক ঐতিহাসিক দিন। ১৯৭৫ সালের এ দিনে জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সৈনিক-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে এসেছিলেন সব ধরনের ষড়যন্ত্র রুখে দিতে। ৭ নভেম্বরের চেতনা আমাদের জাতীয় জীবনে প্রেরণার উৎস। তাই বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনাকে ধারণ করে গণজাগরণ সৃষ্টির মাধ্যমে বর্তমানে অগণতান্ত্রিক সরকারের পদত্যাগের দাবিতে দেশ-বিদেশে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বিশ্বাস করলে তার উত্তরসূরি তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।##
উৎস: Narayanganj Times
কীওয়ার্ড: স দ ধ রগঞ জ ন র য়ণগঞ জ স দ ধ রগঞ জ থ ন স ব ধ নত
এছাড়াও পড়ুন:
মওলানা ভাসানী মজলুমদের পক্ষে ছিলেন, কখনো আপোষ করেননি: টুকু
বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, “মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সারা জীবন মজলুম মানুষের পক্ষে কাজ করেছেন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করেছেন। তিনি কখনো অন্যায়ের কাছে আপোষ করেননি।”
তিনি বলেন, “মওলানা ভাসানী ১৯৫৭ সালে কাগমারী সম্মেলনে ওয়ালাইকুম আসসালাম বলে স্বাধীনতার বীজ বপন করেছিলেন। ১৯৭১ সালে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জনগণের সহযোগিতায় বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে।”
আরো পড়ুন:
দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক’: বিএনপি
তফসিলকে স্বাগত জানিয়ে গোপালগঞ্জে বিএনপির মিছিল
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। টাঙ্গাইলের সন্তোষে দরবার হলে এ দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, “বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট সরকার জনগণকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। তারা দেশের মানুষ ও সম্পদকে শোষণ করেছে। সর্বশেষ ২০২৪-এর জুলাইয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে অভ্যুত্থান হয়েছে।”
তিনি বলেন, “দেশের মানুষ গণতন্ত্রের সুবাতাস পেতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে সরকার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে। ২০১৪, ১৮ ও ২৪ এর নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে পারেনি। মানুষ ভোট দেওয়ার জন্য উৎসাহী।”
মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক একেএম মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলীসহ অন্যরা।
এর আগে, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। পরে তিনি ভাসানীর জীবন নিয়ে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রচনাসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
ঢাকা/কাওছার/মাসুদ