জন্মদিন উপলক্ষে টানা উৎসবের মেজাজে রয়েছেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমণি। মালয়েশিয়া সফর শেষে ঢাকায় ফিরেই রাজধানীর পল্লবীতে সাংবাদিক ও সহকর্মীদের জন্য পার্টির আয়োজন করেন এই অভিনেত্রী। তার দাওয়াতে পার্টিতে গিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন বলে জানিয়েছেন লাক্স তারকা অভিনেত্রী প্রসূন আজাদ। 

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) প্রসূন আজাদ তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। লেখার শুরুতে এ অভিনেত্রী বলেন, “পরীমণি মানুষদের দাওয়াত দেয়, মানুষজন যায়। যাওয়ার পর অনেকগুলা সান্ডা-পান্ডা লোক দাঁড়ায় থাকে। যারা আপনার হাঁটার রাস্তা আটকে জিজ্ঞেস করবে, “আপনি কে?”  

আরো পড়ুন:

প্রশ্ন করবেন না, সব বলে দেব: পরীমণি

আমার বাচ্চার দাদা-দাদিও কী এক্স হয়ে গিয়েছেন, প্রশ্ন পরীমণির

পরামর্শ দিয়ে প্রসূন আজাদ বলেন, “পরীমণি হয়তো নিজেও জানে না, তার নাম রৌশন করতে যতলোক সে টাকা খরচ করে রেখেছে, তারা প্রত্যেকেই তার গেস্টদের মূলত অপমান করার জন‍্যই কাজ করছে। এই সান্ডাদের কালো রঙের গেঞ্জি এবং প্যান্ট না পরিয়ে হাতে একটা কাগজ-কলম ধরিয়ে দিলে বরং খরচা কম হতো। সাথে আগত অতিথিদেরও অসম্মান হতো না। কাউকে জিজ্ঞেস করার আগে একটা গেস্ট লিস্ট রাখা প্রয়োজন।”

দুঃখবোধ থেকে পরীমণির উদ্দেশ্যে প্রসূন আজাদ বলেন, “আমি মিডিয়ার কারো দাওয়াতে যাই না। মেট্রোতে করে রিক্সা করে প্রচুর ধকল পেরিয়ে গিয়েছিলাম। কারণ সে আমার পছন্দের মানুষ। পরী তুমি আমাকে লোক দেখানো পার্টিতে ডেকে এদের দিয়ে না জিজ্ঞেস করালেও পারতে, আমি কে?”

পরীমণির দাওয়াতে অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন প্রসূন আজাদ। তা উল্লেখ করে এই অভিনেত্রী বলেন, “যেকোনো অনুষ্ঠানে যাওয়া বাচ্চাদের ম‍্যানেজমেন্ট, একজন গৃহিণীর জন‍্য এটা খুব সহজ কাজ না। আমি কে এটা নিয়ে কথা বলার মতো মানুষ আমি এখনো হতে পারি নাই। তাই তোমার সান্ডা-পান্ডাদের নিজের নামটা বলতে পারি নাই। কিন্তু আমি এসেছিলাম এবং চলে গেছি। আবার অন্য কোনো সময়, অন্য কোথাও দেখা হবে।”

ঢাকা/শান্ত

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর পর মন ট ভ ন টক চলচ চ ত র

এছাড়াও পড়ুন:

সকালের অ্যালার্ম, না ফোনভীতি? জেন–জিরা কর্মজীবনের চ্যালেঞ্জ জয় করবেন যেভাবে

যদি আপনি একজন মিলেনিয়াল হন, তাহলে হয়তো অফিসের ফোন ধরা নিয়ে দ্বিতীয়বার ভাববেন না। কিন্তু জেনারেশন জেড (জেন জেড)–এর কাছে কর্মক্ষেত্রের এই সাধারণ কাজটিই উদ্বেগের বিশাল কারণ। এই সপ্তাহে প্রকাশিত একটি গবেষণার তথ্য অনুসারে, ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া কর্মজীবীরা যে বিষয়গুলো নিয়ে আতঙ্কিত, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—খুব সকালে ওঠা, বয়স্ক সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করা কিংবা কর্মক্ষেত্রে সাধারণ আলাপচারিতায় নিজেকে যুক্ত করা।

ট্রিনিটি কলেজ অব লন্ডনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ গবেষণায় মতামত দেন ১ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষ। যুক্তরাজ্যজুড়ে ১৬ থেকে ২৯ বছর বয়সীরা এই জরিপে অংশ নেন। এতে দেখা যায়, তরুণদের ৩৮ শতাংশ কর্মক্ষেত্রে ছোটখাটো আলাপচারিতায় ভয় পান। প্রায় ৬০ শতাংশ বলেছেন, বয়স্ক সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করতে তাঁদের সমস্যা হয়, আর ৩০ শতাংশ তরুণ ফোন ধরতে ভয় পান।

তবে এসব কর্ম–আতঙ্ক কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। দেশি–বিদেশি বিশেষজ্ঞরা জেনারেশন জেডের এই উদ্বেগগুলো দূর করার জন্য দিয়েছেন কিছু সহজ পরামর্শ—

গবেষণার তথ্য অনুসারে, ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া কর্মজীবীরা যে বিষয়গুলো নিয়ে আতঙ্কিত, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—খুব সকালে ওঠা, বয়স্ক সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করা কিংবা কর্মক্ষেত্রে সাধারণ আলাপচারিতায় নিজেকে যুক্ত করা।

সম্পর্কিত নিবন্ধ