রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মডেল স্কুলে প্লে ও শিশু শ্রেণিতে ভর্তি
Published: 6th, November 2025 GMT
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মডেল স্কুলে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে প্লে ও শিশু শ্রেণির ভর্তির জন্য ফরম প্রদান শুরু হয়েছে। ভর্তি ফরম জমার শেষ তারিখ: ৩০ নভেম্বর ২০২৫।
বয়স কত হতে হবে—
জন্মসনদ অনুযায়ী ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে শিক্ষার্থীর বয়স ৪ থেকে ৫ বছরের মধ্যে হতে হবে।
আবেদন জমার সঙ্গে দিতে হবে—
১. আবেদন ফরম জমা দেওয়ার সময় শিক্ষার্থীর জন্মনিবন্ধনের ফটোকপি।
২.
আবেদন পাওয়া যাবে—
আবেদন ফরম পাওয়া যাবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মডেল স্কুলের অফিসকক্ষ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মডেল স্কুলের ওয়েবসাইট, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
আবেদন ফরমের মূল্য—
আবেদন ফরম ৪০০ টাকা। ফরমের মূল্য অগ্রণী ব্যাংক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ০২০০০০৫৬২৬৯৬১ এই হিসাব নম্বরে জমা দিয়ে জমার স্লিপসহ ভর্তি ফরমের সঙ্গে স্কুলে জমা দিতে হবে।
আরও পড়ুনঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা, জেনে নিন ৫ ইউনিটে আবেদনের যোগ্যতাসহ আদ্যোপান্ত০১ নভেম্বর ২০২৫সাক্ষাৎকারের তারিখ ও সময়—
১. সাক্ষাৎকারের তারিখ: ৫ ডিসেম্বর ২০২৫, শুক্রবার (অভ্যন্তরীণ)।
২. সাক্ষাৎকারের তারিখ: ৬ ডিসেম্বর ২০২৫, শনিবার (বহিরাগত)।
৩. সাক্ষাৎকারের সময়: সকাল ১০টায় (সাক্ষাৎকারের সময় অভিভাবককে অবশ্যই সঙ্গে থাকতে হবে)।
ভর্তির বিস্তারিত—
১. ভর্তি ফরম জমার শেষ তারিখ: ৩০ নভেম্বর ২০২৫।
২. ফলাফল ঘোষণার তারিখ ও সময়: ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ , দুপুর ১২টা।
৩. প্লে ও শিশু শ্রেণিতে ভর্তির তারিখ: ১০ থেকে ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত।
# বিস্তারিত তথ্যের জন্য ওয়েবসাইট।
আরও পড়ুনজার্মানিতে পড়াশোনার পাশাপাশি কাজের সুযোগ: জেনে নিন নিয়ম ও সুবিধা৯ ঘণ্টা আগেউৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
বন ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় দুটি যুগান্তকারী অধ্যাদেশ পাস
দেশের বন, জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ পাস করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এবং ‘বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুমোদন দেওয়া হয়।
আরো পড়ুন:
নির্বাচনে পুলিশকে ‘ঐতিহাসিক দায়িত্ব’ পালনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
দেশের সুরক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর ত্যাগ ও নিষ্ঠা দৃষ্টান্তমূলক: প্রধান উপদেষ্টা
বন সংরক্ষণে প্রায় ১০০ বছর ধরে কার্যকর দি ফরেস্ট এক্ট, ১৯২৭ বর্তমান পরিবেশগত বাস্তবতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে আর পর্যাপ্ত নয়।
জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়ণের চাপ, অবৈধ দখল, বনভূমি উচ্ছেদসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৫’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এ অধ্যাদেশে প্রাকৃতিক বন রক্ষা, বনভূমির রেকর্ড ও সীমানা সংরক্ষণ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষা, উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিংয়ের মাধ্যমে অবৈধ দখল প্রতিরোধ, অবক্ষয়িত বন পুনরুদ্ধার, আগ্রাসী প্রজাতি নিয়ন্ত্রণ এবং কর্তনযোগ্য ও কর্তন নিষিদ্ধ বৃক্ষের তালিকা হালনাগাদের মতো বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ‘বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২’ মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা এবং আন্তর্জাতিক নীতিমালার পরিবর্তনের কারণে নতুন ‘বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ প্রণীত হয়েছে। নতুন অধ্যাদেশে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল সংরক্ষণ, শিকার, পাচার, হত্যা ও বাণিজ্যিক ব্যবহার নিষিদ্ধ ও দণ্ডনীয় করা হয়েছে। বিলুপ্তপ্রায় জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা, বন্যপ্রাণী উদ্ধার, শুশ্রূষা, পুনর্বাসন, গবেষণা, প্রশিক্ষণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানুষ-বন্যপ্রাণীর সুসমন্বিত সহাবস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘বন্যপ্রাণী ট্রাস্ট ফান্ড’ গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি সংরক্ষণ কার্যক্রমে বিশেষজ্ঞ, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা হয়েছে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, পাস হওয়া এই দুটি নতুন অধ্যাদেশ বনসম্পদ, বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে দেশের জন্য একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে পরিবেশগত নিরাপত্তা জোরদার হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ প্রকৃতি সংরক্ষণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
ঢাকা/এএএম/এসবি