ভারতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন রিয়াজ হামিদুল্লাহ। তার নিয়োগের প্রস্তাবে সম্মতি দিতে ভারত সময় নিয়েছে তিন মাস। তিনি সাবেক হাইকমিশনার মোস্তাফিজুর রহমানের স্থলাভিষিক্ত হবেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রস্তাবে ভারত সরকার সম্প্রতি সম্মতি জানিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, চলতি মার্চের মাঝামাঝি তিনি (রিয়াজ হামিদুল্লাহ) দিল্লির চাণক্যপুরীতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ও জনকূটনীতি বিভাগের মহাপরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, ‍‍“রাষ্ট্রদূত পদে নিয়োগের প্রস্তাবে সম্মতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ৩-৪ মাস সময় নেওয়া অস্বাভাবিক নয়। গত অক্টোবরে দিল্লি থেকে হাইকমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান দেশে ফেরার পর থেকে প্রায় পাঁচ মাস ধরে বাংলাদেশ মিশনে শীর্ষ কূটনীতিকের পদটি শূন্য ছিল।”

আরো পড়ুন:

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমবাগান পরিদর্শন করলেন ১৩ রাষ্ট্রদূত

দক্ষিণ কোরিয়া আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার: নানক

বিসিএস পররাষ্ট্র ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা রিয়াজ হামিদুল্লাহ বর্তমানে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সচিব (পশ্চিম) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি শ্রীলঙ্কায় হাইকমিশনার ও নেদারল্যান্ডসে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইউরোপ, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও বহুপক্ষীয় অর্থনৈতিক বিষয়ক উইংয়ে মহাপরিচালক, নেপালে সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক এবং দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশনেও কাজ করেছেন।

রিয়াজ হামিদুল্লাহ ভারতের আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক (সম্মান) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে চলে যাওয়ার পর থেকে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে। সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে উভয় দেশই উদ্যোগী হয়েছে; যার অংশ হিসেবে নতুন হাইকমিশনার নিয়োগ দেওয়া হলো।

ঢাকা/হাসান/মাসুদ

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর পরর ষ ট র

এছাড়াও পড়ুন:

ঝিনাইদহে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা

ঝিনাইদহে মুরাদ হোসেন (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঝিনাইদহ শহরের পবহাটিতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মুরাদ একই গ্রামের মৃত আফজাল হোসেনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি মুরাদ হোসেনের বাবা আফজাল হোসেন মারা যান। শুক্রবার রাতে বাবার কুলখানি আয়োজনের বিষয়ে চাচাতো ভাই আলমের সঙ্গে পরামর্শ করতে যান মুরাদ হোসেন। এ সময় আলম মুরাদকে ভিক্ষা করে কুলখানি আয়োজন করতে বলেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

এর জেরে, শনিবার আলমের ছেলে সৌরভ তিনটি মোটরসাইকেলে আরো কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এসে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুরাদের ওপর হামলা চালায়। মুরাদকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে পালিয়ে যায় তারা। স্থানীয়রা মুরাদকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সৌরভ পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। মামলা কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।’’

ঢাকা/শাহরিয়ার/রাজীব

সম্পর্কিত নিবন্ধ