ফরিদপুর জিলা স্কুলের ১৮৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পুনর্মিলনী ২৫–২৬ ডিসেম্বর
Published: 7th, November 2025 GMT
ফরিদপুর জিলা স্কুলের ১৮৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ২৫ ও ২৬ ডিসেম্বর দুই দিনব্যাপী পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজক কমিটি ‘১৮৫ বর্ষ উদ্যাপন ও পুনর্মিলনী আয়োজক পরিষদ’ এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায়।
আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন আয়োজক কমিটির সদস্যসচিব মো.
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য নিবন্ধন ফি ধার্য করা হয়েছে ১০০ টাকা। এ ছাড়া এসএসসির বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষ অনুযায়ী নিবন্ধন ফি দুই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা। এই চাঁদা অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে দুই দিনব্যাপী আয়োজনের খসড়া উপস্থাপন করা হয়। আয়োজনের মধ্যে রয়েছে শোভাযাত্রা, স্মৃতিচারণা, স্কুলের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে তথ্যচিত্র প্রদর্শন, আতশবাজি উৎসব, ক্রীড়ানুষ্ঠান, স্কুলের উন্নয়ন পরিকল্পনাবিষয়ক আলোচনা, র্যাফল ড্র, বিনোদন অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ফরিদপুর জিলা স্কুল দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী ও সুপ্রাচীন বিদ্যাপীঠ। আসুন, সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ফরিদপুরের এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্যকে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরে স্মৃতিময় এই পুনর্মিলনী আয়োজনকে সার্থক ও অবিস্মরণীয় আনন্দ উৎসবে পরিণত করি।’
উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
বিজয় বইমেলা ১০ ডিসেম্বর থেকে শুরু
বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির (বাপুস) উদ্যোগে আগামী ১০ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমি মাঠে শুরু হচ্ছে ‘বিজয় বইমেলা ২০২৫’। মেলাটি চলবে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত। দেশের প্রায় ২০০ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে এ মেলায়।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বাংলা একাডেমির আল মাহমুদ লেখক কর্নারে সংবাদ সম্মেলন করে বইমেলা আয়োজনের তথ্য জানায় বাপুস। আয়োজকেরা জানান, ডিসেম্বর বিজয়ের মাস হওয়ায় মেলাটিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আয়োজনটি শুধু বই বিক্রির মেলা নয়; বরং বই পড়া বাড়ানোর একটি উদ্যোগ হতে যাচ্ছে।
১০ ডিসেম্বর বিকেল চারটায় বিজয় বইমেলা ২০২৫-এর উদ্বোধন হবে। বিজয় বইমেলা প্রতিদিন বেলা ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। ছুটির দিনে মেলা শুরু হবে বেলা ১১টায়, চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত।
মেলা সম্পর্কে প্রথমা প্রকাশনের উপব্যবস্থাপক কাউসার আহমেদ বলেন, ‘শিশু থেকে বড়—সবাই যেন বই পড়তে আগ্রহী হয়, সেটি নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।’
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বইমেলাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আয়োজনের পরিকল্পনাও জানিয়েছে পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি (বাপুস)। বিজয় বইমেলা ২০২৫–এর আয়োজনে ১৫টি দেশের দূতাবাসকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জানালেন মেলার আয়োজকেরা।
বিজয় বইমেলা উদ্যাপন জাতীয় কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী ও বাপুসের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পরিচালক আবুল বাশার ফিরোজ শেখ বলেন, ‘অমর একুশে বইমেলা যেমন একটি সর্বজনীন উৎসব, বিজয় বইমেলা নামে তেমনি আরেকটি উৎসব আমরা জাতিকে উপহার দিতে চাই। আমাদের পরিকল্পনা আছে দেশের ৬৪ জেলায় বইমেলা করার।’
রেনেসা পাবলিকেশনের প্রকাশক সাবাহ খালেদ বলেন, ‘আগামী বছর আমরা স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বইমেলার আয়োজন করতে যাচ্ছি। আমরা চাই সকল শ্রেণির পাঠক যেন বইমেলায় অংশ নিতে পারে।’
বিজয় বইমেলায় শিশুদের জন্য থাকছে গল্প বলার প্রতিযোগিতা, পুতুলনাচ, ম্যাজিক শো, বায়স্কোপসহ আরও অনেক কিছু। এ ছাড়া ১১ থেকে ২২ ডিসেম্বর প্রতিদিন থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন।