‘সিন্ডিকেট’ ছেড়ে আফসোস করি: তাসনুভা তিশা
Published: 9th, November 2025 GMT
প্রথম আলো :
আজ শুটিং বাতিল?
তাসনুভা তিশা: আজ শুটিংয়ের শিডিউল ছিল; কিন্তু আগেই বাতিল হয়েছে। নতুন একটি চ্যানেলের ধারাবাহিক নাটক করছি। পরিচালক বাপ্পী খান। নাম টানাপোড়েন। পারিবারিক গল্প। এটা বাড়তি ব্যস্ততা যোগ করেছে।
প্রথম আলো :
রাতে হাসপাতালে ছিলেন, সন্তানেরা কার কাছে ছিল?
তাসনুভা তিশা: আমি বাইরে গেলে আমার আম্মাই বাচ্চাদের দেখাশোনা করেন। রাতে আম্মার কাছেই ছিল বাচ্চারা। পরিবার থেকেই সাপোর্ট পাই। যে কারণে নিয়মিত পরিবার সামলিয়ে শুটিং করতে পারছি।
প্রথম আলো :
আপনাকে তো ধারাবাহিক নাটকে খুব একটা দেখা যায় না.
তাসনুভা তিশা: সর্বশেষ দুই বছর আগে ‘মা বাবা ভাই বোন’ সিরিয়ালে কাজ করেছিলাম। এরপর দীর্ঘদিন ধারাবাহিকে কাজ করি না। এখানে প্রতি মাসে সময় দিতে হয়। শিডিউল মেলানো কঠিন হয়ে যায়। এ ছাড়া ধারাবাহিকে মনমতো গল্প, নির্মাতা না পাওয়াসহ নানা পরিস্থিতির কারণে কম কাজ করেছি। আমি সিঙ্গেল নাটকই বেশি করেছি।
প্রথম আলো :
কিন্তু ধারাবাহিক নাটক এখন তো সেই অর্থে দর্শকপ্রিয়তা পাচ্ছে না?
তাসনুভা তিশা: কিছু ভালো কাজ যে হচ্ছে না, তা নয়। আসলে সিঙ্গেল নাটকে তেমন ভালো গল্প পাচ্ছিলাম না। আর অন্য সময়ের চেয়ে এখন কাজের সংখ্যার অবস্থাও ভালো নয়। এবার যখন ধারাবাহিকের প্রস্তাব পেলাম মনে হলো, পারিবারিক গল্পের নাটকটিতে অভিনয় করা যায়। এটা দারুণ একটি গল্প।
প্রথম আলো :
আরশ খানের সঙ্গে একাধিক নাটক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল, হঠাৎ জুটি ভাঙল কেন?
তাসনুভা তিশা: আরশ খানের সঙ্গে একাধিক নাটকে কাজ করেছি, দর্শকও আমাদের জুটি বেশ পছন্দ করেছেন। গত বছর অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর সঙ্গে সবচেয়ে বেশি কাজ করেছি। তবে একসঙ্গে ধারাবাহিকভাবে কাজ করতে গেলে কখনো কখনো বোঝাপড়ার ঘাটতি বা তালমিলের সমস্যা তৈরি হতে পারে। আমার মনে হয়েছিল, অতিরিক্ত একসঙ্গে কাজের কারণে এমন কিছু বিষয় ঘটছিল। কোনো জুটি যদি কোনো সমস্যার মধ্যে থাকে, তাহলে ভালো কাজ সম্ভব হয় না। সে কারণেই আমি নিজেই একটু বিরতি নিয়েছিলাম। মনে হয়েছিল, কিছুটা সময় নিয়ে আবার নতুন করে শুরু করাই ভালো। এখন মনে হচ্ছে, সময় নেওয়াটা ঠিক আছে—এবার হয়তো আবার একসঙ্গে কাজ করব।
প্রথম আলো :
একসঙ্গে কাজ নিয়ে কি আরশ খানের সঙ্গে আপনার কথা হয়?
তাসনুভা তিশা: আমাদের সেভাবে কথা হয় না। আমাদের সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া কেউ একজন তুমি নাটকটি এপ্রিলে শুটিং করা। তারপর দুজন দুজনের মতো অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত। একসঙ্গে কাজ করলে তো কথা হবেই। এর মধ্যে কয়েকজন পরিচালক বলেছেন আমাদের জুটি নিয়ে কাজ করার ব্যাপারে। কেউ কেউ জানতেও চেয়েছেন কাজ করব কি না। সরাসরিই বলেছি, আমার কাজ করতে সমস্যা নেই। কদিন আগেও দেখা হলো। আমরা একটা নাটকের জন্য পুরস্কার পেলাম।
প্রথম আলো :
মোশাররফ করিম থেকে পার্থ শেখসহ অনেকের সঙ্গেই অভিনয় করছেন...
তাসনুভা তিশা: আমার একটাই চাওয়া—ভালো কাজ। সহশিল্পী যে প্রজন্মেরই হোন না কেন, কোনো সমস্যা নয়। সবার সঙ্গেই মানিয়ে নিতে পারি। ভালো চিত্রনাট্য পেলে নিজেকে ফিট মনে করি। কাজের জায়গায় কমফোর্ট জোনটা সবার আগে চাই। ভালো মানের কাজের জন্য এটা জরুরি। যে কারণে মোশাররফ করিম ভাই, নিলয় ভাই; তরুণদের মধ্যে পার্থসহ অনেকের সঙ্গে কাজ করা হয়েছে।
অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা। ছবি: ফেসবুক থেকেউৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: প রথম আল ক জ কর ছ একসঙ গ আম দ র ক ন টক ত সন ভ সমস য
এছাড়াও পড়ুন:
টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করবে টেশিস ও ইডটকো
টেলিযোগাযোগ খাতে স্থানীয় কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিফোন শিল্প সংস্থার (টেশিস) সঙ্গে চুক্তি করেছে টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোগত প্রতিষ্ঠান ইডটকো বাংলাদেশ। নতুন এ চুক্তির আওতায় টেশিসের স্থাপনায় ব্যাটারি মেরামত ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তুলতে একটি কেন্দ্র স্থাপন করা হবে, ফলে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি দীর্ঘদিন ব্যবহারের পাশাপাশি ই-বর্জ্য হ্রাস এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনশক্তির দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। সম্প্রতি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে এ বিষয়ক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন টেশিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মানোয়ার হোসেন মোল্লা ও ইডটকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (সিএমডি) সুনীল আইজ্যাক। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ইডটকো বাংলাদেশ।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, এই উদ্যোগ সফল হলে ভবিষ্যতে দেশেই ব্যাটারি সেল উৎপাদনের পথ সুগম হবে, যা বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং নতুন প্রযুক্তি খাত গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। এই চুক্তি দেশের টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সভাপতির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান বলেন, টেশিসের শিল্প সক্ষমতা ও ইডটকোর আন্তর্জাতিক প্রযুক্তিগত দক্ষতা পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারত্ব গড়ে তুলবে, যা শুধু টেলিযোগাযোগ খাত নয়, ভবিষ্যতের প্রযুক্তিনির্ভর অন্যান্য শিল্পেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
সুনীল আইজ্যাক বলেন, দেশের ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণের অংশীদার হিসেবে আমরা বিশ্বাস করি, টেকসই উদ্যোগ, উদ্ভাবন এবং স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি একটি শক্তিশালী ইকোসিস্টেম গঠনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় জনশক্তির ক্ষমতায়ন ও সম্পদের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পাবে।
মানোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, এই সমঝোতা স্মারক দেশীয় সক্ষমতা, দক্ষতা ও সম্ভাবনা বৃদ্ধিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। টিএসএসের উৎপাদন সক্ষমতা এবং ইডটকোর প্রযুক্তিগত দক্ষতাকে একীভূত করার মাধ্যমে আমরা দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং একটি আরও টেকসই ও স্বনির্ভর টেলিকম শিল্প গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছি।