দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেত্রী অনুপমা পরমেশ্বরন অনলাইনে হয়রানির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছেন। ইনস্টাগ্রামে তাঁর ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অশালীন কনটেন্ট ছড়ানোর অভিযোগে তামিলনাড়ুর ২০ বছরের এক তরুণীর বিরুদ্ধে কেরালা সাইবার ক্রাইম পুলিশে লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি। খবর ইন্ডিয়াডটকমের

ইনস্টাগ্রামে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে অনুপমা লিখেছেন, ‘কিছুদিন আগে জানতে পারি, একটি ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল থেকে আমার ও আমার পরিবারের সম্পর্কে ভয়াবহভাবে মিথ্যা ও অনুচিত বিষয় পোস্ট করা হচ্ছে। এমনকি আমার বন্ধুবান্ধব ও সহশিল্পীদের ট্যাগ করে বিকৃত ছবি ও ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছিল। এমন লক্ষ্য করে অপমান করা সত্যিই মানসিকভাবে কষ্টদায়ক।’

অনুপমা পরমেশ্বরন। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে.

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

৩৫ ফুট গভীর গর্তে পড়েছে শিশু, উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ৩ ইউনিট

রাজশাহীর তানোরে ৮ ইঞ্চি ব্যাসার্ধের সরু একটি গর্ত দিয়ে মাটির ৩৫ ফুট গভীরে পড়ে গেছে ২ বছর বয়সী এক শিশু। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করছে।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে তানোর উপজেলার পাচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে বিপুল সংখ্যক মানুষ উৎকণ্ঠা নিয়ে অপেক্ষা করছেন। 

দুর্ঘটনার শিকার শিশুটির নাম সাজিদ। সে কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামের রাকিবুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গ্রামের পাশের এ জমির মালিক কছির উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি। এক বছর আগে কছির উদ্দিন তার জমিতে সেচের জন্য একটি সেমিডিপ নলকূপ বসানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু, ৩৫ ফুট বোরিং করার পর সেখানে পানি পাননি। তাই, নলকূপ বসানো হয়নি। এক বছর ধরে গর্তটি সেভাবেই পড়ে ছিল।

বুধবার দুপুরে শিশুটির মা ওই মাঠে ধানের খড় নিতে যান। ওই সময় সাজিদ খেলতে গিয়ে গর্তে পড়ে মাটির ভেতরে ঢুকে যায়। স্থানীয়রা প্রথমে উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।

ফায়ার সার্ভিসের তানোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী সদর স্টেশনের তিনটি ইউনিট শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করছে। ওই শিশুকে জীবিত রাখতে পাইপের মাধ্যমে গর্তে অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে। গর্তের পাশে স্কেভেটর দিয়ে মাটি খনন করা হচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহী স্টেশনের সহকারী পরিচালক দিদারুল ইসলাম জানিয়েছেন, তারা দুর্ঘটনাস্থলে আসার আগেই স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। তখন কিছু মাটি গর্তে পড়ে গেছে। তারা ক্যামেরা পাঠিয়ে দেখার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কোলাহলের কারণে শিশুটির কোন সাড়া বুঝতে পারছেন না।

তিনি জানান, শিশুটিকে জীবিত উদ্ধারের জন্য তারা অক্সিজেন পাঠাচ্ছেন। পাশে স্কেভেটর দিয়ে খনন করছেন। এতে আরো ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা লাগতে পারে।

ঢাকা/কেয়া/রফিক

সম্পর্কিত নিবন্ধ