মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। রবিবার (৯ নভেম্বর) ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) পরিচালক (প্রশাসন) এ কে এম খায়রুল আলমের সই করা এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। তবে, আদেশে ছুটি বাতিলের কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

আদেশে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ডিএমটিসিএলের মেট্রোরেল ভবন, ডিপো এলাকা, মেট্রোরেল স্টেশন, ডিএমটিসিএলের আওতাধীন বিভিন্ন প্রকল্প ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য স্থাপনায় নিয়োজিত কর্মকর্তা–কর্মচারীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হলো।

ডিএমটিসিএল সূত্র বলছে, চলতি মাসে রাজনৈতিক অস্থিরতা হতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই মেট্রোরেলের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার বিষয়ে সতর্কতামূলক এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিষয়ে রায়ের তারিখ নির্ধারণ হবে আগামী ১৩ নভেম্বর। এর মধ্যে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো ১৩ নভেম্বর ঢাকা ‘লকডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা হয়েছে বলে অনলাইন মাধ্যমে প্রচার চালানো হচ্ছে।

ঢাকা/নঈমুদ্দীন/রাজীব

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

রাজশাহীতে ছুরিকাঘাতে জামায়াতের কর্মী নিহত

রাজশাহী নগরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে ওমর ফারুক (২৬) নামের এক তরুণ নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে নগরের আলীগঞ্জ পূর্বপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

ওমর ফারুক ওরফে শান্ত জামায়াতে ইসলামীর কর্মী ছিলেন বলে জানিয়েছে মহানগর জামায়াত। দলটি এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওমর ফারুকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কে বিশ্বাস বলেন, ওমর ফারুক নামের ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর শরীরে একাধিক জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

রাজশাহী মহানগর জামায়াতে ইসলামী এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে এক বিবৃতিতে মহানগর জামায়াতের আমির কেরামত আলী ও সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মণ্ডল অভিযোগ করেন, কাশিয়াডাঙ্গা থানার আলীগঞ্জ এলাকায় সুদের কারবারি স্থানীয় যুবলীগ কর্মী নয়ন, রুবেল ও রিপনের সঙ্গে হালিম নামের এক ব্যক্তির সুদের টাকা নিয়ে গতকাল সন্ধ্যায় তর্ক চলছিল। এ সময় জামায়াত কর্মী ওমর ফারুক তাঁদের থামাতে যান। তখন সুদের কারবারিরা তাঁকে ছুরিকাঘাত করেন।

বিবৃতিতে জামায়াত নেতারা এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান। একই সঙ্গে নিহত ব্যক্তির পরিবারের প্রতি শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেন তাঁরা।

রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল মালেক বলেন, তাঁরা প্রাথমিকভাবে দুটি বিষয় জানতে পেরেছেন। একটি হলো সুদের টাকার বিরোধে ওমর ফারুক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গিয়েছিলেন। অন্যটি জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ঘটনা। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

সম্পর্কিত নিবন্ধ