বন্দরে ১৫ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ নূর জাহান (৩৮) নামে এক নারী  মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃত নারী মাদক ব্যবসায়ী নূর জাহান বেগম বন্দর থানার নবীগঞ্জ রসুলবাগ এলাকার মাদক সম্রাট  বাবু মিয়ার স্ত্রী।

এ ব্যাপারে বন্দর থানার উপ পরিদর্শক মোঃ ফারুক হোসেন বাদী হয়ে ধৃত নারী মাদক ব্যবসায়ী বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদক আইনে মামলা রুজু করেছে। ধৃতকে রোববার (৯ নভেম্বর)  দুপুরে উল্লেখিত মামলায় আদালতে প্রেরণ করা হয়।

এর আগে গত শনিবার (৮ নভেম্বর)  দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধৃত মাদক কারবারি বসত ঘরে অভিযান চালিয়ে  ইয়াবাসহ ওই নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

থানা সূত্রে জানা গেছে, ধৃত নারী মাদক ব্যবসায়ী নূর জাহান বেগম ও তার স্বামী বাবু দীর্ঘ দিন ধরে উল্লেখিত এলাকায় অবাধে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল।  

.

উৎস: Narayanganj Times

কীওয়ার্ড: ব যবস য়

এছাড়াও পড়ুন:

চানখাঁরপুলে ছয়জনকে হত্যার মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ, যুক্তিতর্ক ১৫ ডিসেম্বর

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ বুধবার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। ১৫ ডিসেম্বর থেকে এ মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হবে।

আজ এ মামলার আসামি শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক মো. আরশাদ হোসেনের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দেন জুয়েল মাহমুদ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ আজ তাঁর সাক্ষ্য গ্রহণ হয়। এর মধ্য দিয়ে এ মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

গত বছরের ৫ আগস্ট রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় ছয়জনকে হত্যার মধ্য দিয়ে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ আটজনকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে হাবিবুর রহমানসহ চার আসামি পলাতক। আর আরশাদ হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন হোসেন, ইমাজ হোসেন ও মো. নাসিরুল ইসলাম গ্রেপ্তার আছেন। আরশাদের পক্ষে গতকাল মঙ্গলবার দুজন ও আজ একজন সাফাই সাক্ষ্য দিলেন।

আরও পড়ুনচানখাঁরপুলে ছয়জনকে হত্যা করে মানবতাবিরোধী অপরাধ করা হয়েছে: চিফ প্রসিকিউটর১১ আগস্ট ২০২৫

জবানবন্দিতে সাফাই সাক্ষ্যতে জুয়েল মাহমুদ বলেন, তিনি জামায়াতে ইসলামীর একজন কর্মী এবং জুলাই যোদ্ধা। গত বছরের ৫ আগস্ট হাইকোর্টের সামনে পৌঁছালে তাঁরা সেনাবাহিনীর বাধার মুখে পড়েন। পরে তাঁরা ১০-১৪ জন আন্দোলনকারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের সামনের চেকপোস্টে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন। সেখানে তিনি পূর্বপরিচিত তৎকালীন পরিদর্শক আরশাদকে দেখতে পান। আরশাদ তাঁদের শহীদ মিনারের দিকে যেতে দেন।

সম্পর্কিত নিবন্ধ