বন্দর ওমর ফারুক (২৬) নামের এক মানসিক প্রতিবন্ধী যুবক গলায় ফাঁস লাগিয়ে  আত্মহত্যা করেছে।

রোববার (৯ নভেম্বর)  দুপুরে বন্দর রেলী আবাসিক এলাকার দুলাল মিয়ার ভাড়াটিয়া বাড়িতে  এ ঘটনাটি ঘটে।

আত্মহত্যাকারী যুবক ফারুক উল্লেখিত বাড়ি ভাড়াটিয়া মৃত আলী হোসেন মিয়ার ছেলে। আত্মহত্যার ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছে।

আত্মহত্যাকারি যুবকের মা জানান, ওমর ফারুক ৬ বছর যাবত মানসিক প্রতিবন্ধী।  

ঢাকা মানসিক হাসপাতালের অধিনে চিকিৎসারত ছিল। রোববার দুপুরে খাবার দিতে ডাকাডাকি করে কোন শব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙ্গে দেখি সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।খবর পেয়ে বন্দর থানা পুলিশ লাশের সুরতহাল করেন। পরে পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়না তদন্ত ছাড়াই লাশ রাতে দাফন সম্পর্ন করা হয়।  
 

.

উৎস: Narayanganj Times

কীওয়ার্ড: য বক ন র য়ণগঞ জ

এছাড়াও পড়ুন:

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যা, জিজ্ঞাসাবাদে মুখ খুলছে আয়েশা

ঢাকার মোহাম্মদপুরে মা-মেয়েকে হত্যার ঘটনায় আসামি গৃহকর্মী আয়েশা আক্তারকে (২০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের কয়ারচর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের একটি দল।

গ্রেপ্তারের পর পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আয়েশা হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। পুলিশকে বলেছেন, ঘটনার দিন গৃহকর্তার বাসা থেকে কিছু মালামাল চুরি করেছিলেন তিনি। যা দেখে ফেলেন গৃহকর্তী লায়লা আফরোজ। এ নিয়ে ধস্তাধস্তি হলে মা-মেয়েকে ছুড়ি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন।

আরো পড়ুন:

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলা, নারী ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার

গৃহকর্মী নিয়োগের আগে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার অনুরোধ ডিএমপির

মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সহিদুল ইসলাম মাসুম রাইজিংবিডিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘‘গোপন তথ্য ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ডাবল মার্ডার হত্যা মামলার আসামি আয়েশা আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় আটক করা হয় তার স্বামী জামাল শিকদার রাব্বিকে। জিজ্ঞাসাবাদে আয়েশা জানিয়েছেন, চুরি ধরা পড়ায় মা-মেয়েকে হত্যা করেছেন তিনি। এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’

আয়েশা আক্তার নরসিংদী জেলার সলিমগঞ্জ এলাকার রবিউল ইসলামের মেয়ে। জামাল শিকদার ঝালকাঠির কয়ারচর এলাকার জাকির শিকদারের ছেলে।

গত সোমবার সকালে মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডের একটি ১৪ তলা আবাসিক ভবনের সপ্তম তলায় লায়লা আফরোজ ও তার মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। নাফিসা মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

ঢাকা/অলোক/রাজীব

সম্পর্কিত নিবন্ধ