মা হলেন বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকালে পুত্রসন্তানের জন্ম দেন এই অভিনেত্রী। ক্যাটরিনা-ভিকি কৌশল দম্পতির এটি প্রথম সন্তান। ইনস্টাগ্রামে এক যৌথ বিবৃতিতে খবরটি জানিয়েছেন এ দুই তারকা।
যৌথ বিবৃতিতে ক্যাটরিনা ও ভিকি ইনস্টাগ্রাম লিখেছেন, “আমাদের জীবনে আনন্দ এসেছে। ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে আমরা আমাদের পুত্রসন্তানকে স্বাগত জানাই। ৭ নভেম্বর, ২০২৫। ক্যাটরিনা-ভিকি।”
তারপর থেকে ভক্ত-অনুরাগীদের শুভেচ্ছা বার্তায় ভাসছেন এই তারকা যুগল। অনেক সহকর্মী শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এ তালিকায় রয়েছেন—শ্রেয়া ঘোষাল, পরিণীতি চোপড়া, মাধুরী দীক্ষিত প্রমুখ।
ভালোবেসে ঘর বেঁধেছেন ক্যাটরিনা-ভিকি। তবে বিয়ের আগে প্রেমের খবর গোপন রেখেছিলেন এই জুটি। বিয়ের পর ‘কফি উইথ করন’ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে প্রেম জীবন নিয়ে মুখ খুলেন এই অভিনেত্রী। ক্যাটরিনা কাইফ বলেছিলেন, “ভিকির বিষয়ে আমি বেশি কিছু জানতামও না। তার নাম শুনেছিলাম। তার সঙ্গে কখনো যোগাযোগ হয়নি। কিন্তু তারপর যখন দেখা হলো, আমার মন জয় করে নিলো।”
ভিকির প্রতি দুর্বলতার কথা প্রথম নির্মাতা জয়া আখতারের কাছে জানিয়েছিলেন ক্যাটরিনা। কারণ তার পার্টিতেই দুজনের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল। ক্যাটরিনার দাবি, ভিকির সঙ্গে তার সম্পর্কের বিষয়টি অপ্রত্যাশিত ছিল। হঠাৎ করেই হয়েছে। তার ভাষায়, “এটি সম্পূর্ণই ভাগ্যের লিখন। এমনটাই মনে করি। এক সময় কাকতালীয় অনেক কিছু ঘটেছে। সবকিছু স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছিল।”
২০২১ সালের ৯ ডিসেম্বর রাজস্থানের সাওয়াই মাধপুরে অবস্থিত সিক্স সেন্সেস ফোর্ট বারওয়ারা রিসোর্টে ভিকি-ক্যাটরিনার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। রাজকীয় বিয়ের অনুষ্ঠানে শুধু এই জুটির কাছের বন্ধু ও পরিবার-আত্মীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা/শান্ত
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
ইসির বিরুদ্ধে অভিযোগ করবে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন
‘ত্রয়োদশ নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পথে উত্তরণে একটি বড় অগ্রগতি। কিন্তু আগামী নির্বাচন কি আবার গত তিনটি নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় হবে কিনা, সেটা নিয়ে আজও প্রশ্ন আছে।’
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের আয়োজনে আসন্ন নির্বাচন ও নির্বাচন কমিশনের সংস্কার প্রসঙ্গে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা এই সংশয়ের কথা তুলে ধরেন।
সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার।
বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেখক ও গবেষক আলতাফ পারভেজ, জিয়া হাসান, অধিকার কর্মী জাকির হোসেন, শিক্ষক ও গবেষক স্বপন আদনান প্রমুখ।
সভার সভাপতিত্ব করেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম। সঞ্চালনায় ছিলেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার ভূঁইয়া।
বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের রিপোর্টের সবাই অনেক প্রশংসা করেছিলেন। আমরা আশান্বিত হয়েছিলাম। কিন্তু এক সময় সব অথরিটির কাছে গিয়েও সে সংস্কার প্রস্তাবের প্রায় কোন কিছুই বাস্তবায়ন করাতে পারেনি।”
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের মামলায় হাইকোর্টে তিনিও বক্তব্য রেখেছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, “নির্বাচন এবং সংস্কার নিয়ে আশঙ্কা এখনো পুরোপুরি কাটেনি।”
আলতাফ পারভেজ বলেন, “নির্বাচন এবং সংস্কার প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার চেষ্টা চলছে। এসবের প্রধান শিকার হবে জনগণের গণতন্ত্রের আকাঙ্খা। গণঅভ্যুত্থানের সাথে প্রতারণা চলছে। প্রশাসনিক ক্যু চলছে। এদেশকে কেউ কেউ ইরাক, সিরিয়া বানাতে চায়। এসব রুখতে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের নিবন্ধন এবং নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার জরুরি।”
সভাপতির বক্তব্যে হাসনাত কাইয়ূম বলেন, “রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন সর্বোচ্চ ধৈর্য্য ধরেছে যেন নির্বাচন কমিশনের ইম্প্রেশন খারাপ না হয়। আমরা সঠিক সময়ে সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। নয়তো দেশ একটা বড় ঝুঁকিতে পড়তে পারে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের সে আকাঙ্ক্ষা আছে কিনা, সেটা একটা বড় প্রশ্ন।”
“আগামী রবিবার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ করা হবে এবং ১৭ ডিসেম্বর সমাজের বিশিষ্টজন এবং রাজনৈতিক নেতাদের সাথে নিয়ে নির্বাচন কমিশনার এবং প্রধান উপদেষ্টার সাথে দেখা করে অভিযোগ করা হবে,” বলেও ঘোষণা দেন তিনি।
ঢাকা/নঈমুদ্দীন/এসবি