বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে শ্রীলঙ্কার এক নতুন
Published: 27th, June 2025 GMT
বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে শ্রীলঙ্কা। চারিত আসালাঙ্কার নেতৃত্বাধীন ১৬ সদস্যের দলটিতে নতুন মুখ একটিই—মিলান রত্নায়েকে।
২৮ বছর বয়সী এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান অবশ্য বাংলাদেশের জন্য নতুন নন। চলমান দুই টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে গলে খেলেছিলেন তিনি। এক ইনিংস ব্যাটিংয়ে নেমে করেছিলেন ৩৯ রান।
চলমান কলম্বো টেস্ট শেষে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা মুখোমুখি হবে ৩ ওয়ানডের সিরিজে। সিরিজ শুরু হবে ২ জুলাই কলম্বোতেই। এই সিরিজ দিয়েই বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে মেহেদী হাসান মিরাজের যাত্রা শুরু হওয়ার কথা।
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের আগে শ্রীলঙ্কা সর্বশেষ ওয়ানডে খেলেছিল ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। ২-০ ব্যবধানে জেতা সেই সিরিজের দলে থাকা নুয়ানিদু ফার্নান্দো, লাহিরু কুমারা ও মোহাম্মদ সিরাজ বাদ পড়েছেন। তাদের জায়গায় ঢুকেছেন সাদিরা সামারাবিক্রমা, দিলশান মাদুশকা ও মিলান রত্নায়েকে।
ওয়ানডে সিরিজটির জন্য আগেই ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। মিরাজের নেতৃত্বাধীন দলে জায়গা পেয়েছেন দুই বছর জাতীয় দলের বাইরে থাকা মোহাম্মদ নাঈম।
কলম্বোয় ২ জুলাই সিরিজ শুরুর পর একই মাঠে দ্বিতীয় ওয়ানডে ৫ জুলাই। ৮ জুলাই তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে পাল্লেকেলেতে।
শ্রীলঙ্কা ওয়ানডে দল:চারিত আসালঙ্কা (অধিনায়ক), পাতুম নিশাঙ্কা, আভিস্কা ফার্নান্দো, নিশান মাদুশকা, কুশল মেন্ডিল, সাদিরা সামারাবিক্রমা, কামিন্দু মেন্ডিস, জেনিত লিয়ানাগে, দুনিত ভেল্লালাগে, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, মহিশ তিকশানা, জেফরি ভ্যান্ডারসে, মিলান রত্নায়েকে, দিলশান মাদুশঙ্কা, আসিতা ফার্নান্দো ও ইশান মালিঙ্গা।.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করছে
প্রযুক্তির উৎকর্ষের মধ্যেও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষেরা বিভিন্নভাবে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীকে প্রায়ই বিকৃতভাবে বা ভুলভাবে উপস্থাপন করছে। গুগলে ‘ইনডিজেনাস পিপল’ লিখে খোঁজা হলে মাঝেমধ্যে এমন ছবি দেখানো হয়, যা তাদের ‘আদিম’, ‘বন্য’, ‘বর্বর’, ‘জংলি’ ও ‘হিংস্র’ আকারে উপস্থাপন করে।
সোমবার রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় বক্তারা এমন অভিযোগ করেন। ‘আদিবাসী নারীর অধিকার রক্ষা ও ভবিষ্যৎ গড়ার লড়াইয়ে আধুনিক প্রযুক্তির ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ আদিবাসী নারী নেটওয়ার্ক।
আলোচনা সভায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ আদিবাসী নারী নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক ফাল্গুনী ত্রিপুরা। তিনি বলেন, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষদের ঘিরে এমন উপস্থাপনের প্রভাব নারীদের ওপরও পড়বে।
মানবাধিকারকর্মী খুশী কবির বলেন, দেশে জাতিসংঘের অনেকগুলো দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হলেও আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালন করা হয় না। তিনি বলেন, বুঝুক আর না বুঝুক বাংলাদেশ জাতিসংঘের বিভিন্ন কনভেনশনকে তড়িঘড়ি করে সমর্থন করে। কিন্তু এই কনভেনশনকে সমর্থন করেনি। সরকার বুঝেশুনেই সমর্থন করেনি। আগের সরকার বলেছে, বাংলাদেশে আদিবাসী নেই, এই সরকারও আদিবাসীদের স্বীকৃতি দিচ্ছে না।
একটাই ধর্ম ও জাতিসত্তা থাকবে, এমন মনোভাব কাম্য নয় উল্লেখ করে এই মানবাধিকারকর্মী বলেন, ‘কিসের ভয়ে আমরা দেশে ভিন্ন ধর্ম, চিন্তা ও জাতিসত্তার মানুষকে থাকতে দেব না? কে অধিকার দিয়েছে যে একটি মাত্র মতবাদ, চিন্তা, ভাষা জাতি ও ধর্ম থাকবে? রাষ্ট্রের জন্য এটা কাম্য হতে পারে না।’
চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থানে সমতল ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখ করে খুশী কবির বলেন, অভ্যুত্থানের পরে আর নারীদের কোনো অংশগ্রহণ নেই। নারী কমিশন গঠন করা হয়। কিন্তু কমিশনের কোনো কিছু গ্রহণ করা হয়নি। এর অর্থ সরকার নারীদের ভয় পায়। এই অবস্থা টিকে থাকার জন্য অভ্যুত্থান হয়নি। তাই অধিকার আদায়ে নারীদের শক্ত ভূমিকা রাখতে হবে। এখনই উত্তম সময়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মানবাধিকারকর্মী খুশী কবির ছবি: প্রথম আলো হেডিং: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করছে