Risingbd:
2025-12-11@06:18:30 GMT

‘ইটস নেভার টু লেট’

Published: 10th, November 2025 GMT

‘ইটস নেভার টু লেট’

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল মনে করেন, ক্রিকেট ফর অল নিশ্চিতের আগে সিফটি ফর অল বেশি জরুরি। যেভাবে নারী ক্রিকেটাররা একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করে যাচ্ছেন তাতে ভবিষ‌্যতে নারীদের ক্রিকেট এগিয়ে যাওয়ার পথ বাঁধা সৃষ্টি হতে পারে। 

যারা এগিয়ে এসে নিজেদের নিপীড়নের খবর জানিয়েছে, তাদের সাহসিকতার জন‌্য সম্মান জানিয়েছেন তামিম। যারা এখনও ভয় পাচ্ছেন তাদের উৎসাহ দিয়ে বলেছেন, ‘ইটস নেভার টু লেট।’ 

গণমাধ‌্যমে জাহানারা আলম যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তোলার পর ক্রিকেটাঙ্গনে শোরগোল পড়ে যায়।  পরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে মুখ খোলেন আরেক জাতীয় ক্রিকেটার রোমানা আহমেদ, সাবেক ক্রিকেটার ও কোচ রেশমা আক্তার আদুরি। রেশমা অভিযোগ করেছেন, বিসিবির বর্তমান পরিচালক নাজমুল আবেদীন ফাহিমের বিরুদ্ধে যিনি এক সময় নারী বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন। 

তামিম এর আগেও এক পোস্টে, স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। গতকাল পোস্টেও প্রায় একই দাবি তুললেন। সঙ্গে সরকারের দৃষ্টিও চাইলেন, ‘‘জাহানারা আলম অভিযোগ করার পর আরও অনেকেই মুখ খুলতে শুরু করেছেন, যা খুবই আশাব্যঞ্জক ব্যাপার। কিন্তু শঙ্কার জায়গা রয়েই গেছে। এখনও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ বা সরকারী পর্যায় থেকে কোনো কমিটি গঠন করা হয়নি কিংবা তেমন কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।’’

‘‘গত কয়েক দিনে যাদের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ আসছে, তাদের প্রায় সবাই বিসিবির উঁচু জায়গা থেকে শুরু করে নানা পদে আছে। বিসিবির তদন্ত কমিটি নিয়ে তাই নানামুখী সংশয়ের জায়গা থাকছেই।’’

‘‘দেশের ক্রিকেটে তোলপাড় পড়ে যাওয়ার পরও সরকার বা মন্ত্রণালয়ের নিষ্ক্রিয়তা ভীষণ দুঃখজনক। আগের লেখায় যেমন বলেছিলাম, তেমনি আবারও দাবি জানাচ্ছি, অতি দ্রুত যেন একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়, যেখানে বিসিবি সংশ্লিষ্ট কেউ থাকবেন না। নারী অধিকার নিয়ে কাজ করেন, যৌ*ন হয়রানিমূলক অপরাধ নিয়ে কাজ করেন এবং এই ব্যাপারগুলো মনস্তাত্ত্বিক ও পারিপার্শ্বিক দিক সম্পর্কে ভালো জ্ঞান আছে, এমন বিশেষজ্ঞদের প্রতিনিধি সেখানে থাকতে হবে। এই ব্যাপারগুলোর সুরাহা আমরা যদি ঠিকভাবে করতে না পারি, তাহলে শুধু ক্রীড়াঙ্গন নয়, গোটা দেশের নারীদের কাছে আমরা অপরাধী থাকব।’’

বাধার দেয়াল ভেঙে যারা এগিয়ে এসেছেন, যারা প্রতিবাদ করেছেন তাদেরকে সম্মান জানিয়ে তামিম যোগ করেন, ‘‘যারা মানসিক ব্যারিকেড ভেঙে মুখ খুলতে পেরেছেন, সবার প্রতি সবটুকু সম্মান জানাচ্ছি সাহসিকতার জন্য। এখনও যারা নানা সঙ্কোচে মুখ খুলতে পারছেন না, তাদেরকে বলছি, ‘ইটস নেভার ঠু লেট।’ আওয়াজ তুলুন, আমরা থাকব পাশে।’’

‘‘বিসিবিতে এখন একটা স্লোগান শুনি- ‘ক্রিকেট ফর অল।’ আমার মনে হয়, এর আগে জরুরি ‘সেফটি ফর অল’ নিশ্চিত করা। আরেকটি ব্যাপার, দেশের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া ফেডারেশনের দায়িত্বও সবচেয়ে বেশি। আমাদের সবারই উচিত দেশের সব খেলাকে সম্মান করা। প্রতিটি খেলাই আমাদের। প্রতিটি খেলাই বাংলাদেশের।’’

ঢাকা/ইয়াসিন

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর য গ কর কর ছ ন

এছাড়াও পড়ুন:

কারিশমার সঙ্গে অক্ষয় খান্নার বিয়ে কেন ভেঙেছিল?

চলতি মাসে মুক্তি পেয়েছে আদিত্য ধরের ‘ধুরন্ধর’ সিনেমা। রণবীর সিং অভিনীত এ সিনেমা বক্স অফিসে সাড়া ফেলেছে। সিনেমাটির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন দাপুটে অভিনেতা অক্ষয় খান্না। তার পারফরম্যান্স বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। ফলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন এই অভিনেতা।  

পঞ্চাশ বছরের অক্ষয় খান্না ব্যক্তিগত জীবনে এখনো অবিবাহিত। তবে রুপালি জগতে কাজ করতে গিয়ে বলিউডের তারকা অভিনেত্রীদের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে তার। এ তালিকায় রয়েছেন—কারিশমা কাপুর, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন, তারা শর্মা, ঊর্বশী শর্মা প্রমুখ। যদিও কখনো প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি অক্ষয় খান্না। 

আরো পড়ুন:

পাঁচ দিনে ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার আয় ৩০৬ কোটি টাকা

ফিরেই ভক্তদের ঘুম উড়ালেন কিয়ারা

সম্পর্কের কথা স্বীকার না করলেও কারিশমা কাপুরের সঙ্গে অক্ষয়ের সম্পর্ক বহুদূর এগিয়েছিল। কেবল তাই নয়, তাদের বিয়েও প্রায় ঠিক হয়েছিল। সর্বশেষ সেই বিয়ে ভেঙে যায়। কিন্তু কেন ভেঙেছিল অক্ষয়-কারিশমার বিয়ে?  

টাইমস অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নব্বই দশকে কারিশমা ও অক্ষয় খান্না একসঙ্গে একটি ফটোশুট করেছিলেন। তারপর তারা ডেট শুরু করেন। কারিশমা তখন সদ্যই অজয় দেবগনের সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টেনেছেন। ফলে অক্ষয়ের কাছে মানসিক শান্তি খুঁজে পান।  

অক্ষয়ের সঙ্গে মেয়ের সম্পর্কে খুশি ছিলেন কারিশমার বাবা রণধীর কাপুরও। কেবল তাই নয়, অক্ষয়ের বাবা বিনোদ খান্নার কাছে বিয়ের প্রস্তাবও পাঠিয়েছিলেন তিনি। বিয়ের সবকিছু প্রায় ঠিকঠাক হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু কারিশমার মা ববিতা কাপুর বিয়েতে বাধা দেন। তখন কারিশমার ক্যারিয়ার শিখরে ছিল। ববিতা চাইতেন, মেয়ে ক্যারিয়ারে মনোযোগী হোক। পাশাপাশি অক্ষয়ের ক্যারিয়ার গ্রাফ নিয়েও সন্তুষ্ট ছিলেন না কারিশমার মা। 

অক্ষয়ের সঙ্গে প্রেম-বিয়ে ভাঙার পর কারিশমা বিয়ে করেছিলেন। সেই সংসারও ভেঙে গিয়েছে। কিন্তু অক্ষয় কখনো বিয়ে করেননি। কেন বিয়ে করেননি এ নিয়ে ২০১২ সালের শুরুতে বলিউড হাঙ্গামাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন ‘বর্ডার’ তারকা। এ আলাপচারিতায় জানতে চাওয়া হয়, আপনি কি বিয়েতে বিশ্বাস করেন? জবাবে অক্ষয় খান্না বলেন, “অবশ্যই বিশ্বাস করি।”  

এরপর বিয়ে না করার কারণ ব্যাখ্যা করে অক্ষয় খান্না বলেন, “আমি কারো দায়িত্ব নিতে পছন্দ করি না। বিয়ে মানেই স্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়া। স্ত্রী ও পরিবারের দায়িত্ব নেওয়া অনেক বড় ব্যাপার। আমি কারো দায়িত্ব নিতে চাই না। একা জীবনে আমি ভালো আছি। আমার কোনো দায়িত্ব নেই। আমার দায়িত্ব নেওয়ারও কেউ নেই।” 

পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জার্নিটা অসাধারণ। এ তথ্য উল্লেখ করে অক্ষয় খান্না বলেন, “আমার জন্য চিন্তা করার কেউ নেই। আমাকে নিজের জন্য কেবল চিন্তা করতে হবে। এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকাটা অসাধারণ একটা জার্নি। এটা দারুণ অভিজ্ঞতা!” 

নব্বই দশকের শেষ লগ্নে বলিউডে পা রাখেন অভিনেতা অক্ষয় খান্না। ‘দিল চাহতা হ্যায়’, ‘হাঙ্গামা’, ‘রেস’-এর মতো সিনেমা উপহার দিয়েছেন। 

ঢাকা/শান্ত

সম্পর্কিত নিবন্ধ